সারমর্ম :
যদি আপনি URL এর সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিছু খুঁজতে চান তাহলে ‘inurl’ যদি আপনি শিরোনামের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিচু খুঁজতে চান তাহলে ‘intitle’ যদি আপনি লেখা বা তথ্য/উপাত্তের সাথে সামন্জস্যপূর্ণ কিছু খুঁজতে চান তাহলে ‘intext’ যদি আপনি নির্দিষ্ট কোন ফরম্যাটের ফাইল খুঁজতে চান তাহলে ‘filetype’ যদি আপনার সার্চ কোন ওয়েবসাইটের তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে চান তাহলে ‘site:আপনার কাঙ্খিত ওয়েবসাইটটির নাম এবং বিষয়বস্তু’ যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট সম্পর্কে তথ্য পেতে চান তাহলে ‘info:ওয়েবসাইটটির সম্পূর্ণ URL’ সামন্জস্যপূর্ণ ওয়েবসাইট খুঁজে পেতে হলে ‘related:ওয়েবসাইটটির সম্পূর্ণ URL’ যারা এই ধরনের সার্চ নতুন জানলেন তাদের নিকট আমার অনুরোধ অনেক অধ্যায়ন করুন এই ব্যাপারটি নিয়ে। আর যারা এই ব্যাপারটি জানেন তাদেরও অনেক কিছু শিখার আছে এখনও। সেক্ষেত্রে নিচের লিংকটি দেখতে পারেন। http://www.exploit-db.com/google-dorks টাইটেলে ক্রাকিং শব্দটি দেয়া যাচ্ছে না। জানি না সমস্যাটা কোথায়। তাই আরো কিছু লাগিয়ে দিলাম। সফটওয়্যার হচ্ছে একধরনের প্রোগ্রাম যা বিভিন্ন কম্পিউটারের ভাষা দ্বারা লেখা হয়ে থাকে। সফটওয়্যারের কাজ হচ্ছে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কোন কাজের নির্দেশ দেয়া। আগে যখন কম্পিউটারের তেমন প্রসার ছিল না, হার্ডওয়্যারগুলোও ছিল দূবর্ল তখন তেমন ভালো মানের সফটওয়্যারও ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে টেকনোলোজির এই বৈপ্লবিক যুগে প্রতিদিনই শত শত সফটওয়্যার বের হচ্ছে। ঐসকল সফটওয়্যারের মধ্যে কিছু কিছু রয়েছে ফ্রিওয়্যার আর কিছু কিছু রয়েছে শেয়ারওয়্যার। ফ্রিওয়্যার হচ্ছে বিনামূল্যে পাওয়া যায় এমন সফটওয়্যার। আপনি download.com বা brothersoft.com থেকে বিভিন্ন ফ্রিওয়্যার সফটওয়্যার বিনামূল্যে পেতে পারেন। তবে বর্তমানে বেশিরভাগ সফটওয়্যার আপনাকে টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হবে। সেগুলোই শেয়ারওয়্যার। ঐসকল শেয়ারওয়্যারগুলোও আপনি কিছু দিনের জন্য বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন। সেগুলো হচ্ছে ডেমো ভার্সন। অর্থাৎ ঐসকল সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ভোক্তাদের ঐ সফটওয়্যারের প্রতি আসক্তি জাগানোর জন্যই কিছুদিনের জন্য ডেমো ভার্সন দিয়ে থাকে। তাছাড়া ডেমো ভার্সনে আপনি ঐ সফটওয়্যারের সবগুলো প্রোগ্রাম পাবেন না। আর টাকা দিয়ে কিনলে আপনি ফুলভার্সন পাবেন। আমরা জানি ইন্জিন চালাতে তেল লাগে। কোন কম্পিউটারের ইন্জিন হচ্ছে হার্ডওয়্যার আর তেল হচ্ছে সফটওয়্যার। এবার ক্রাকে আসা যাক। ক্রাক/প্যাচিং/সিরিয়াল ইত্যাদি আপনাকে হ্যাকাররা প্রদান করে থাকে। কোন শেয়ারওয়্যার সফটওয়্যারকে টাকা দিয়ে না কিনে ক্রাক/প্যাচ ব্যবহার করে বিনামূল্যে ফুলভার্সন ব্যবহার করা যায়। যদিও এটা একধরনের বাজে কাজ। তাই বড় বড় ওয়েবমাস্টার বা প্রোগ্রামাররা একে কখনই ভালো চোখে দেখেন না। কিছু কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যাদের ক্রাক/প্যাচ আপনি সার্চ করে পাবেন না। ঐ সফটওয়্যারগুলো ইন্স্টলের পর ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া লাগে। তারপর সয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যারটি তার কোম্পানীর সার্ভারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। সার্ভারটি তখন খুজে দেখে যে এটি টাকা দিয়ে কেনা সফটওয়্যার কিনা। তবে এই ব্যাপার খুব কম সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে। বর্তমানে মানুষ ক্রাক/প্যাচ ইন্টারনেটে আপলোড করে রাখে যাতে অন্যরা তা ব্যবহার করতে পারে। এসকল আপলোড সাইটের মধ্যে স্বনামধন্য হচ্ছে mediafire.com, hotfile.com ইত্যাদি। এছাড়াও টরেন্টেও আপলোড করে রাখা হয়। টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করার জন্য টরেন্ট ডাউনলোডার প্রয়োজন হয়। ভালো টরেন্ট সাইট হচ্ছে thepiratebay.org, h33t.com ইত্যাদি। আর ভালো টরেন্ট ডাউনলোডার হচ্ছে utorrent, vuzeইত্যাদি। ক্রাকার হচ্ছেন সেই ব্যাক্তি যিনি ইন্টারনেটে বিভিন্ন টিপস বা ট্রিকস খুজেঁ বেড়ায়। আপনি যদি ইন্টারনেটে ক্রাক/প্যাচ খুজে বেড়ান তাহলে আপনিও একজন ক্রাকার। বর্তমানে মানুষেরা rapidshare.com বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে তাদের ক্রাক/প্যাচ আপলোড করে রাখে। আপনি যদি তা ডাউনলোড করেন তাহলে দেখতে পাবেন ঐ ক্রাক বা প্যাচের সাথে ক্রাক দাতার ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা ইমেইলও দেয়া আছে। আপনি যদি গুগলে কোন ক্রাক বা প্যাচ খুঁজতে চান তাহলে নিচের কোডটি ব্যবহার করুন। inurl:forum intext:rapidshare বা অন্যান্য ওয়েবসাইটের নাম intext:সফটওয়্যারের নাম টরেন্ট খোঁজার ক্ষেত্রে নিচে লক্ষ্য করুন। inurl:torrent intext:সফটওয়ারের নাম
সংযুক্তি
যদি আপনি রেপিডশেয়ার সার্চ করতে চান তাহলে www.rapidsharesearchengine.com www. filez .com যদি আপনি মিডিয়াফায়ার সার্চ করতে চান তাহলে www.mediafiresearch.org www.uvrx.com/mediafire.html যদি আপনি হটফাইল সার্চ করতে চান তাহলে www.hotfilesearchengine.com www.hotfilesearch.com www.sharedir.com www.megbase.com যদি আপনি টরেন্ট সার্চ করতে চান তাহলে www.torrentz www.torrentreactor.com www.torrents.to আইপি এড্রেস পরিবর্তন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কারন এর মাধ্যমে আমরা অনেক সুবিধা ভোগ করতে পারব। আমরা অনেকে রেপিডশেয়ার থেকে ফাইল ডাউনলোড করি। একটি নির্দিষ্ট সময় পরপর এইসব ফাইল হোস্টিং সাইট ডাউনলোডের সুযোগ দিয়ে থাকে। আইপি হাইডের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা যায়। এই আইপি পরিবর্তনের ফলে আমরা ফায়ারওয়াল বাইপাস করতে পারব। অনেক সাইট রয়েছে যেগুলো থেকে একটি আইপি দিয়ে একটি একাউন্ট খোলা যায়। আপনি আইপি পরিবর্তন বা হাইড করে সেখান থেকে অনেকগুলো একাউন্ট করতে পারেন।হ্যাকিং করার সময় নিজেকে ধরা খাওয়ার হাত থেকে বাঁচানো যায়। এটা করার দ্বারা অন্যকে খুব ভালোভাবে বোকা বানানো যায়। প্রক্সি শিখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারন হ্যাকিং করার সময় এটা আপনাকে নিশ্চিন্ত রাখে। তাহলে শুরু করা যাক। মনে করুন আপনি কোন মেয়েকে প্রপোজ করবেন। কিন্তু আপনি তার প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে সন্ধ্বিহান। তাহলে আপনি কি করবেন? আপনার কোন বন্ধুকে বলবেন তাকে বলার জন্য যে আপনি মেয়েটিকে ভালোবাসেন, তাই না? আর এটাই প্রক্সি। হিহি, আসলে এটা প্রক্সি না এটা হচ্ছে প্রক্সির ব্যাপারে একটা উদাহরন। যখন আপনি কোন তথ্য কোন ওয়েবসার্ভারকে পাঠাবেন তখন ঐ সার্ভার সবর্প্রথম আপনার আইপি দেখবে। তখন সে সহযেই আপনাকে ট্রেস করতে পারবে। আর যদি আপনি প্রক্সি সেট করেন তখন যদি আপনি কোন তথ্য ঐ একই সার্ভারকে পাঠাতে চান তাহলে সে আর আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন তখন সে আপনার আইপি খুজতে গিয়ে পাবে প্রক্সি সার্ভারের আইপি। নিচে প্রক্সির কাযর্কলাপ লক্ষ্য করুন।
প্রক্সি করার আগে :
আপনি—>ইয়াহুতে তথ্য পাঠাচ্ছেন—–>ইয়াহু আবার আপনাকে প্রতিউত্তর দিচ্ছে
প্রক্সি করার পর :
আপনি—>প্রক্সি সার্ভার—->ইয়াহু সার্ভার—->প্রক্সি সার্ভার—–>প্রতিউত্তর আশা করি প্রক্সি সম্পর্কে একটা সাম্মক জ্ঞান আপনাদের লাভ হয়েছে। প্রক্সি করার পর লক্ষ্য করবেন আপনার ইন্টারনেটের গতি একেবারে কমে গেছে। এখন একটি গল্প বলছি। কিছু মাস আগে আমেরিকার একটি ১৬ বৎসর বয়সের বালক নাসার ওয়েবসাইটে ডস এ্যাটাক চালাল। ওই মূহুর্তে নাসা তাদের একটি রোবট মঙ্গল গ্রহে পাঠায়। যখন বালকটি ডস এ্যাটাক চালায় ঠিক তখনই রোবটটি মঙ্গলে অবতরন করেছিল। এ্যাটাকের পর রোবটটি থেমে গিয়েছিল। এর পর নাসার সব বিজ্ঞানীরা একে অপরের মুখের দিকে নিবোর্দের মত তাকাতে লাগল। হায় আল্লাহ কি হচ্ছে এসব? এখন তারা খুজতে লাগল কে এই কাজ করেছে। ঠিক ১৪দিনের মাথায় তারা বালকটি সম্পর্কে জানতে পারল এবং তাকে পাকরাও করল।
এখন প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমি গল্পটি এখানে লিখলাম, তাই না?
আসলে বালকটি তার আইপি পরিবর্তন করেছে ৪ বার। সে প্রথমে প্রক্সি ব্যবহার করে। তারপর তার আগের প্রক্সির জায়গায় নতুন প্রক্সি বসায়। এভাবে ৪ বার সে তার আইপি বদলায়। কিন্তু সে তার ম্যাক এড্রেস পরিবর্তন করে নি। আমি আপনাদের সবই বলছি, যদি আপনি প্রক্সি ব্যবহার করেন তখন ওয়েবমাস্টার আপনাকে ট্রেস করতে পারবে না কারন যখন সে আপনার আইপি খুঁজবে তখন পাবে প্রক্সি। যদি আপনি ১০ বার প্রক্সি পরিবর্তন করেন তাহলে ১০০% নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ১ মাসের জন্য নিরাপদ। এফবিআই প্রথমে ১০প্রক্সি ট্রেস করার চেষ্টা করবে, তারপর ৯নং এভাবে চলতে থাকবে শেষ না হওয়া পযর্ন্ত। এভাবে ১ মাস চলে যাবে। তারা সরাসরি আপনার পিসি থেকে ট্রেস করতে পারবে না। তাদের শশরীরে যেতে হবে এক একটি প্রক্সি ট্রেস করার জন্য। সুতরাং সময় লাগবে। আমার মনে হয় আপনারা প্রক্সির গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন। প্রথমে গুগলে সার্চ দিন ‘list of proxy address’ বা ‘free proxy server’ লিখে। অনেক ফলাফল আসবে আপনার সামনে। ওইখান থেকে প্রথমে যেকোন একটি ফলাফল বেছে নিন। তারপর ওই ওয়েবসাইটে দেখবেন অনেক আইপি এড্রেস রয়েছে সাথে পোর্ট নাম্বার।আপনি যা দেখছেন প্রত্যেকটি হচ্ছে এক একটি প্রক্সি সার্ভার এর আইপি। এখন আপনি যেকোন একটি আইপি এবং পোর্ট কপি করেন। এবার আপনি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার খুলুন এবং নিচের পন্হা অনুসরন করুন। tools>internet option>connection>lan setting ল্যান সেটিংয়ে যান। সেখানে আপনি নীল রংয়ের দুটি লাইন দেখতে পাবেন। একটা হচ্ছে Automatic Configuration এবং অন্যটা হচ্ছে Proxy Server এখন Proxy Server নামের ট্যাবে আপনি দেখতে পাবেন ৪টা ব্লক। তারমধ্যে ২টা টিক চিন্হ দেয়ার জন্য আর ২টা হচ্ছে ঠিকানা দেয়ার। আপনি ২টাতে টিক দিয়ে দিন। ঠিকানার ঘরে আপনি আপনার কপিকৃত আইপি এড্রেসটি দিয়ে দিন আর পোর্ট এর ঘরে কপিকৃত পোর্টটি। মনে রাখবেন টিক দিতে কিন্তু ভুলবেন না। এবার ওকে করুন। এবার খুলুন www.whatismyip.com এখন ওখানে আপনি দেখতে পাবেন আপনার আইপি পরিবর্তন হয়েছে।
মজিলা ফায়ারফক্সের ক্ষেত্রে
tools>options>advanced>network>settings এখানে সেটিংসে আইপি এবং পোর্ট নাম্বার দিন। ওকে করুন। এরকম অনেক ব্রাউজার রয়েছে। আসলে সবগুলোর সিস্টেম একই। একটু চেষ্টা করলেই আপনি করতে পারবেন। একি আবারও প্রশ্ন করছেন কেন আপনি প্রক্সি ব্যবহার করবেন? শুনুন, ইন্টারনেটে হ্যাকিং জাতিয় কাজ করতে গেলে প্রক্সি রাখবে আপনাকে একেবারে নিশ্চিন্ত। কিন্তু প্রক্সির ব্ন্যা বসাবেন কিভাবে? প্রক্সি বন্যা মানে হচ্ছে প্রথমে একটি প্রক্সি নিবেন তারপর আরেকটি বদলাবেন, তারপর আরেকটি এভাবে চলতে থাকবে। এটা করলে আপনি থাকবেন একেবারে নিশ্চিন্ত। আমি্ এখন আপনাদেরকে কয়েকটি সফটওয়্যারের নাম বলব যেগুলো প্রক্সি বন্যার জন্য যথেষ্ট। তবে আপনি ইচ্ছে করলে গুগল মামাকে ব্যবহার করে আরও অনেকগুলো পেতে পারেন। SocksChain Happy Browser Tool Multiproxy Tor যখন আপনি কোন হ্যাকিংয়ের কাজ আরম্ভ করবেন তখন উপরের যেকোন একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন। তাহলেই আপনি নিশ্চিন্ত থাকতে পারবেন। উপরের সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে মাল্টিপ্রক্সি টুলটি অসাধারন।
No comments:
Post a Comment