Facebook massage

Friday, August 4, 2017

আমরা এখানে যে বিষয়টি শিখব সেটি হচ্ছে হ্যাকিং।পার্ট 2

আইপি এড্রেস কি?

আইপি এড্রেস(IP Address) এর সম্পূর্ন ইংরেজী রূপ হচ্ছে Internet Protocol Address. ভার্চুয়াল জগৎ থেকে আপনি যে তথ্য নিচ্ছেন তার উপর ভিত্তি করে আইপি এড্রেস হচ্ছে একটি অদ্বিতীয় এড্রেস। অর্থাৎ আপনি যে আইপি এড্রেসটির মালিক তা আর কারও কাছে নেই। আপনার ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এই আইপি এড্রেস এর মাধ্যমেই অবগত থাকেন, তিনি আপনার কাছে যে তথ্য পাঠাচ্ছেন এবং আপনি তা যথাযথভাবে পাচ্ছেন।

আপনার নিজের আইপি এড্রেস দেখা :

  • প্রথমে Start->Run->খালি ঘরে লিখুন cmd
  • এবার কী-বোর্ড থেকে এন্টার চাপুন।
  • একটি কমান্ড এরিয়া দেখতে পাবেন। সেখানে লিখুন netstat -n
  • এন্টার চাপুন। একটি লিস্ট আপনার সামনে আসবে। লোকাল এড্রেসের দিকে খেয়াল করুন। যেটি প্রথমে আসবে সেটিই আপনার আইপি এড্রেস।
দ্বিতীয় নিয়ম : আপনার ব্রাউজারের এড্রেস বারে লিখুন www.whatismyip.com একটি ওয়েবসাইট খুলবে। সেখানেই বড় অক্ষরে আপনি আপনার বর্তমান আইপি দেখতে পাবেন। নিচের লিস্টটি মনে রাখুন। পরবর্তীতে কাজে লাগবে। ftp—->21 smtp—>25 dns—->53 http—>80 https—->81 pop3—->110 telnet—>23 নাম্বারগুলো হচ্ছে পোর্ট নাম্বার। এ সম্পর্কে পরে কোন এক সময় আলোচনা করা হবে।

কোন ওয়েবসাইটের আইপি বের করার নিয়ম :

যদি আপনি কোন ওয়েবসাইট বা কোন ব্যক্তির একাউন্ট বা তার পিসি হ্যাক করবেন তাহলে সবর্প্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হচ্ছে তার আইপি এড্রেস সংগ্রহ করা। যতক্ষন পযর্ন্ত না আপনি তার আইপি এড্রেস বের করতে পারছেন ততক্ষন পযর্ন্ত আপনি তার কি ই বা করতে পারবেন? এখন আপনাদের দেখাচ্ছি যেভাবে কোন ওয়েবসাইটের আইপি এড্রেস বের করবেন।
  • প্রথমে Start->Run->খালি ঘরে লিখুন cmd
  • এবার কী-বোর্ড থেকে এন্টার চাপুন।
  • একটি কমান্ড এরিয়া দেখতে পাবেন। সেখানে লিখুন tracert websitename
  • এন্টার চাপুন। এখন কিছু তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার সামনে আসবে।
আপনি সেখানে নীল রংয়ের কিছু লেখা দেখতে পাবেন। আপনি সেখানেই আপনার কাঙ্খিত আইপি এড্রেসিট দেখতে পাবেন। নীল লেখাগুলোর প্রথম লাইনেই আপনি আইপিটি দেখতে পাবেন। দ্বিতীয় লাইন সহ এভাবে সবোর্চ্চ ৩০টি হুপ দেখতে পাবেন।

হুপের ব্যাখ্যা :

যখন আপনি কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্ঠা করেন তখন আপনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু তথ্য সেই ওয়েবসাইটের কাছে প্রেরন করেন যার প্রতিউত্তরে সেই ওয়েবসাইটটিও আপনার কাছে কিছু তথ্য প্রেরন করে (যার ফলাফল স্বরূপ আপনি ওয়েবসাইটটিকে দেখতে পান)।এই প্রক্রিয়াটি চলতেই থাকে। মনে করুন আপনি কমান্ড এরিয়ায় লিখলেনtracert yahoo.com তখন আপনার এই তথ্যের প্যাকেজটি গুগলের সার্ভারে (যেখানে তথ্য জমা থাকে) যাবে।গুগলও আপনাকে এর প্রতিউত্তর পাঠাবে। যেহেতু গুগল একটি বড় সাইট সেহেতু এর অনেকগুলো সার্ভার রয়েছে। সুতরাং প্রতিউত্তরগুলো সেসকল সার্ভার থেকেই আসে। এবার আপনি আপনার কমান্ড এরিয়ায় লক্ষ করুন সেখানে সবোর্চ্চ ৩০টির মত আইপি হুপ রয়েছে। এতগুলো আসার মানে হচ্ছে, গুগল তার যতগুলো সার্ভার থেকে আপনার কাছে তথ্য প্রেরন করছে সেই সার্ভারগুলোর আইপি হুপই আপনি দেখতে পাচ্ছেন। কমান্ড এরিয়ায় আপনি * ধরনের কিছু চিন্হ দেখতে পাবেন। এর মানে হচ্ছে এই যে সে স্থানগুলোতে ফায়ারওয়াল স্থাপন করা রয়েছে যাতে করে যে কেউ সহজে আক্রমন করতে না পারে।

সাধারন ভূল-ধারনা :

অনেকেই আছেন যারা মনে করেন যে ইন্টারনেট থেকে কোন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন স্পশর্কাতর তথ্য বা তথ্যাদি দেখা বা জানা যায় না। আসলে এটি ভূল ধারনা। মনে করুন ইন্টারনেটে অনেকেই হটফাইল বা রেপিডশেয়ারের প্রিমিয়াম একাউন্ট দেয়, যা থেকে আপনি উপকৃত হন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আপনি জানেন না এই একাউন্ট কোথা থেকে দেয়া হয়েছে? আপনি ইচ্ছে করলেই এসব তথ্য জানতে পারেন। যখন আপনি কমান্ড এরিয়ায় কোন ওয়েবসাইটের বিপরীতে nslookup লিখে এন্টার দিবেন তখন হয়ত এরকম লেখাও আসতে পারে যে You are now authentized to this route. এ রকম কিছু লেখা দেখলেই আপনি বুঝে নেবেন যে, ওই ওয়েবসাইটে স্পশর্কাতর তথ্য রয়েছে। ওই ওয়েবসাইট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনি নিচের ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
ঐ সকল ওয়েবসাইটে শুধুমাত্র ওয়েবসাইটটির নাম দিয়েই আপনি এর আইপি, স্থান, মালিকের নাম, কবে কেনা হয়েছে, মেয়াদ কত দিনের, দৈনিক ভিজিটর সংখ্যা, নেম সার্ভার ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য জানতে পারবেন। তথ্য জোগাড় করা একজন হ্যাকারের প্রাথমিক কাজ। এটি না করলে আপনি কিছুই করতে পারবেন না। আশা করছি আপনারা কোন ওয়েবসাইটের ব্যাপারে প্রাথমিক তদন্তের কাজটি যথাযথভাবে করতে পারবেন। এতক্ষন আপনারা যা শিখলেন তা হচ্ছে শুধুমাত্র ওয়েবসাইট কেন্দ্রিক। পরবর্তী অধ্যায়ে আপনাদেরকে জানাব কিভাবে কোন ব্যাক্তিকে ট্রেস করবেন। সে পযর্ন্ত ভালো থাকুন।

ইমেইল দাতার আইপি অনুসন্ধান :

আপনার মেইলবক্স খুলুন। তার থেকে যেকোন একটি ইমেইল খুলুন। Reply-তে ক্লিক করুন। এবার Show original এ ক্লিক করুন। এখন যে তথ্যগুলো আসবে সেগুলো খুব ভালোভাবে খেয়াল করুন। সেখানেই আপনি হয়ত ইমেইল দাতার আইপি দেখতে পাবেন। কিন্তু gmail থেকে যদি কেউ আপনাকে মেইল করে তাহলে এই পদ্ধতি অনুসারে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন উপায়? হ্যা হ্যা অস্থির হবেন না। এক্ষুনি তা বলছি। আসলে মূল ব্যাপারটি হচ্ছে gmail সবসময় https ব্যবহার করে। আমরা সাধারনত ওয়েবসাইটের এড্রেসে দেখতে পাই http যার সম্পূর্ণ রূপ হচ্ছে Hyper Text Transfer Protocol. আর https হচ্ছে এই http এর secured রূপ। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। যার কারনেই জিমেইলে আপনি আইপি খুজে পাবেন না। এখন যেই পদ্ধতিটির কথা আপনাদের বলব সেটি হচ্ছে প্রায় সব ধরনের ইমেইল এড্রেস (ইয়াহুমেইল, জিমেইল, এমএসএন ইত্যাদি) থেকে আইপি বের করার পদ্ধতি। প্রথমেই http://readnotify.com সাইটটি খুলুন। এরপর এখানে রেজিষ্ট্রেশন করুন। এখন আপনি যার ইমেইল এড্রেস অনুসন্ধান করতে চান তার বরারব একটি মেইল লিখুন। এবার ইমেইল টু সেকশন এরিয়ায় লিখুন victim’semailid.rednotify.com পাঠিয়ে দিন। যখন সে ইমেইলটি পড়বে তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার রিডনোটিফাই একাউন্টে তার আইপি চলে আসবে। আসলে রিডনোটিফাই একটি স্বয়ংক্রিয় লুকানো ছবি আপনার ইমেইলের সাথে ঐ ব্যাক্তি বরাবর পাঠিয়ে দেয়। যার ফলে আপনি তার আইপি পেয়ে যান। পদ্ধতিটি খুব কাজের।

অবস্থান অনুসন্ধান :

আমরা তো আইপি পেলাম এবার দেখব কিভাবে ঐ ব্যাক্তির অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। অর্থাৎ ব্যাক্তিটি কোন দেশের কোন শহরে আছে তা জানা। প্রথমেই http://www.ip2location.com সাইটটি খুলুন। এই সাইটটির খালি ঘরে আপনার কাঙ্খিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে দিন আর মজা দেখুন। আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তার অবস্থান জানা : আপনি যার সাথে চ্যাটিং করছেন তাকে তার আইপি সম্বন্ধে জিগ্যেস করুন। সে বললে তো বলতে হবে আপনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন। আর না বললে কি করবেন? একটু অপেক্ষা করুন বলছি। এখানে একটি ব্যাপার উল্লেখ করার মত আর তা হচ্ছে আগে আমরা একটি কমান্ডের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম।netstat -n এর কথা মনে আছে? হ্যা এই কমান্ডটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইন্টারনেটে যতগুলো কানেকশনের সাথে যুক্ত আছেন ঠিক ততগুলোর তথ্যই এই কমান্ডটির মাধ্যমে পাওয়া যাবে। আরেকটু ভেঙ্গে বলছি। ধরুন, মনে করুন আপনি ফেসবুকে,জিমেইলে এবং টেকটিউনসে একই সঙ্গে প্রবেশ করে আছেন। উপরের কমান্ডটি এই তিনটি সার্ভার সম্পর্কেই আপনার কাছে তথ্য সাপ্লাই করবে। বর্তমানে ইন্টারনেটে এক এক ব্যাক্তি চ্যাটিং এর এক এক পন্থা ব্যবহার করে। যেমন : ICQ Messenger, MSN Messenger, Yahoo Messenger, Gtalk, Meebo, Gigsby, AIM ইত্যাদি। তাহলে বুঝুন কতটুকু ঝামেলার কাজ করতে যাচ্ছেন আপনি? আর এ কারনেই নিচে ধাপে ধাপে কয়েকটি ক্ষেত্র দেয়া হল। লক্ষ করুন।

No comments:

Post a Comment