এবার আপনি এটাকে কোন ওয়েবসাইটে আপলোড করুন। এর রুট নাম পরিবর্তন করে দিন। যেমন : index.html , download.html, image.html ইত্যাদি। এবার এটাকে রিনেম করে আপনার শিকারের কাছে পাঠিয়ে দিন। যথন কেউ ওই ওয়েবসাইট ব্রাউজ করবে তখনই সে আপনার তৈরী ট্রোজান দ্বারা আক্রান্ত হবে।
সূচনা :
রেট এর সম্পূর্ণ নাম হচ্ছে রিমোট এ্যাডমিনিস্ট্রেশন টুল যা রিমোট সংযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং অনেকগুলো টুলের সাহায্যে এটা একটি বা কয়েকটি কম্পিউটার পরিচালনা করতে পারে। টুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে : . স্ক্রিন বা ক্যামেরা ক্যাপচারিং . ফাইল রক্ষনাবেক্ষন (ডাউনলোড/আপলোড/এক্সিকিউট ইত্যাদি) . শেল পরিচালনা (যা অনেকক্ষেত্রে কমান্ড এরিয়ার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ) . কম্পিউটার পরিচালনা (কম্পিউটার চালু/বন্ধ বা ইউজার চালু/বন্ধ করা) ইত্যাদি। যদিও এগুলো ভালো কাজে ব্যবহারের জন্য সফটওয়্রার ডেভেলোপারগন তৈরী করেছিলেন কিন্তু এরও খারাপ দিকে ব্যবহার রয়েছে। রেটের মাধ্যমে আপনি আপনার ল্যান সংযোগের সাথে সংযোগকৃত সবগুলো কম্পিউটার সার্ভার রক্ষনাবেক্ষন করতে পারবেন। সাধারনত স্কুল কলেজ বা সাইবার ক্যাফেগুলোতে এভাবে ল্যান সংযোগ দেয়া থাকে। আপনি রেট ব্যবহার করে যেকোন একটি পিসিতে বসে আপনি যেকোন কম্পিউটার হ্যাক করতে পারেন।…….lol
রেট ট্রোজান হর্স ভাইরাস :
বর্তমানে অনেক ট্রোজান বা ব্যাকডোরের রিমোট এডমিনিস্ট্রেশন ক্ষমতা থাকে যার সাহায্যে ব্যক্তিগতভাবে শিকারের কম্পিউটার পরিচালনা করা সম্ভব। অনেক সময় কম্পিউটারে একটি ফাইল ট্রোজান আক্রমনের আগে ওপেন । এই ধরনের ফাইল সাধারনত ইমেইলের মাধ্যমে,পিটুপি সফটওয়্যার শেয়ারের মাধ্যমে বা ইন্টারনেটে সফটওয়্যার ডাউনলোডের মাধ্যমে পাঠানো হয়। এগুলো আপাত দৃষ্টিতে আসলের মতই লাগে। সাধারনত অনেক সার্ভার সফটওয়্যার ওপেনের সময় এরর মেসেজ দেখায়। অর্থাৎ মনে হয় এটা ওপেন হবে না। কিছু রয়েছে খুব শক্তিশালী যারা কম্পিউটারে থাকা এন্টিভাইরাস এবং ফায়ারওয়াল নষ্ট করে দেয়। রেট ট্রোজান হর্স ভাইরাস সাধারনত নিম্নোক্ত কাজগুলোতে পারদর্শী : . কোন ফাইল ডাউনলোড/আপলোড/ডিলিট বা রিনেম করা . ড্রাইভ ফরম্যাট করা . সিডি/ডিভিডি রোম অটো ওপেন করা . পিসিতে ভাইরাস বা ওয়ার্ম ছেড়ে দেয়া . কী-স্ট্রোক লগ বাইপাস করা . পাসওয়ার্ড বা ক্রোডিট কার্ড নাম্বার হ্যাক করা . ওয়েবসাইটের হোমপেজ হাইজ্যাক করা . অটো স্ক্রিন ক্যাপচার করা . টাস্কবারে অটো কোন টাস্ক রান/ডিলিট করা . ডেস্কটপ, টাস্কবার বা কোন ফাইল লুকিয়ে ফেলা . কোন টেক্সট কমান্ডবিহীনভাবে প্রিন্ট করা . অটো সাউন্ড প্লে করা . মাউসের কার্সরের অস্বাভাবিক নড়াচড়া . সংযোগকৃত মাইক্রোফোনের সাউন্ড অটো রেকর্ড করা . ওয়েবক্যামের মাধ্যমে অটো ভিডিও রেকর্ডিং করা ইত্যাদি। কিছু কিছু রেট সাধারনত বন্ধু দিবস, ভালোবাসা দিবস, স্বাধীনতা দিবস বা অন্য কোন দিবসে নিজেদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেদের সক্রিয় করতে পারে। যেগুলোকে প্রাংক বলা হয়। প্রাংকগুলো অতটা ক্ষতিকর না এবং এরা কী-স্ট্রোক বাইপাস বা হ্যাকিংয়ের সাথে জড়িতও না। এরা সাধারনত কম্পিউটারের স্ক্রিন উল্টে দেয়া, সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ অটো ওপেন করা, মাউসের কার্সর অস্বাভাবিক ভাবে নাড়াচাড়া করে। সাধারনত এসকল প্রাংক কম্পিউটার থেকে রিমোভ করা কিছুটা কষ্টসাধ্য।
স্বনামধন্য রেট সফটওয়্যার :
• Shark • Bifrost • Bandook • BO2K • ProRAT • SpyRAT • HackRAT • Netbos • Optixe • AutoSpY • Nclear • Amituer • Bandk • Yuri RAT • Y3k RAT • slha RAT • Openx RAT • Poison Ivy RAT • Mosucker • SubSeven RAT • Nuclear RAT • NetBus RAT • ProRAT • megapanzer • LanHelper তবে আমার ব্যক্তিগত মতে Optixe টা ভালো। এখন আপনাদের জন্য একটি টিউটোরিয়াল দিচ্ছি কিভাবে আপনি অপটিক্স ব্যবহার করবেন।
No comments:
Post a Comment