Facebook massage

Friday, August 4, 2017

আমরা এখানে যে বিষয়টি শিখব সেটি হচ্ছে হ্যাকিং।পার্ট ১

হ্যাকার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি নিরাপত্তা/অনিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক খুঁজে বের করায় বিশেষভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী। সাধারনভাবে হ্যাকার শব্দটি কালো-টুপি হ্যাকার অর্থেই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় যারা মূলত ধ্বংসমূলক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকেন। এছাড়া আরো নৈতিক হ্যাকার রয়েছেন (যারা সাধারনভাবে সাদা টুপি হ্যাকার নামে পরিচিত) এবং নৈতিকতা সম্পর্কে অপরিষ্কার হ্যাকার আছেন যাদের ধুসর টুপি হ্যাকার বলে। এদের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য প্রায়শ ক্র্যাকার শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা কম্পিউটার নিরাপত্তা হ্যাকার থেকে একাডেমিক বিষয়ের হ্যাকার থেকে আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় অথবা অসাধু হ্যাকার (কালো টুপি হ্যাকার) থেকে নৈতিক হ্যাকারের (সাদা টুপি হ্যাকার) পার্থক্য বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। —উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহিত হ্যাকাররা ভার্চুয়াল জগতে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে পারে,সমস্যার সমাধান করতে পারে। তারা স্বাধীনতা এবং পারস্পরিক সহযোগীতায় বিশ্বাসী। হ্যাকার হওয়ার সর্বপ্রথম শর্ত হচ্ছে আপনাকে আগে ঠিক করতে হবে আপনি কোন ধরনের হ্যাকার হবেন। উপরে ৩ ধরনের হ্যাকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে আরেকটু পোষ্ট করছি। সাদা টুপি হ্যাকার (White Hat Hacker)- এরা কম্পিউটার তথা সাইবার ওয়ার্ল্ডের নিরাপত্তা প্রদান করে। এরা কখনও অপরের ক্ষতি সাধন করে না। এদেরকে ইথিকাল হ্যাকারও বলা হয়ে থাকে। ধূসর টুপি হ্যাকার (Grey Hat Hacker)- এরা এমন একধরনের হ্যাকার যারা সাদা টুপি ও কালো টুপিদের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে। এরা ইচ্ছে করলে কারও ক্ষতি সাধনও করতে পারে আবার উপকারও করতে পারে। কালো টুপি হ্যাকার (Black Hat Hacker)- হ্যাকার বলতে সাধারনত কালো টুপি হ্যাকারদেরই বুঝায়। এরা সবসময়ই কোন না কোন ভাবে অপরের ক্ষতি সাধন করে। সাইবার ওয়ার্ল্ডে এরা সবসময়ই ঘৃনিত হয়ে থাকে। এছাড়াও আর কিছু হ্যাকার ধরন রয়েছে। যেমন :- স্ক্রিপ্ট কিডি (Script Kidie)- এরা নিজেরা কিছুই পারে না বরং বিভিন্ন টুলস্ বা অন্যের বানানো স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে এরা কার্যোসিদ্ধি করে। নিওফাইট বা নোব (Neophyte or nOOb)- এরা হ্যাকিং শিক্ষার্থী। এরা হ্যাকিং কেবল শিখছে। অন্য অর্থে এদের বিগিনার বা নিউবাই বলা যায়। নীল টুপি হ্যাকার (Blue Hat Hacker)- এরা আসলে হ্যাকিংয়ের সাথে তেমন জড়িত নয়। কোন সফটওয়ার বা সিস্টেম শুরু করার পূর্বে এরা ঐ সফটওয়ার বা সিস্টেমের খারাপ বা ক্ষতিকারক দিকগুলো যাচাই বাছাই করে তা শোধরানের চেষ্টা করে। হ্যাকটিভিস্ট (Hacktivist)- এরা মূলত কোন রাজনৈতিক ব্যাপার, ধর্ম, সোসাল এ্যাটাক ইত্যাদির সাথে জড়িত। তবে অধিকাংশ হ্যাকটিভিস্টরা মূলত ডস এ্যাটাক বা ডি-ডস এ্যাটাকের সাথেই জড়িত। ডস বা ডি-ডসের ব্যাপারে আপনারা পরে জানতে পারবেন। ধারাবাহিক ভাবে এ হ্যাকিং টিউটোরিয়াল প্রকাশিত হবে। কিছু নির্দেশনা নিচে দেয়া হল:
  • সবগুলো টিউটোরিয়াল খুব ভালোভাবে অধ্যায়ন করতে হবে।
  • নিজে নিজে এগুলো অনুশিলনের চেষ্টা করতে হবে।
  • কথনই নিজে অরক্ষিত থেকে হ্যাকিং চেষ্টা চালাবেন না।
  • মনে রাখবেন কিছু কিছু টিউটোরিয়াল হবে অনৈতিক, তাই সেগুলোর যেকোন দায়ভার আমরা বহন করব না।

হ্যাকার যারা :

হ্যাকার হচ্ছেন একজন ব্যাক্তি যিনি শুধুমাত্র বিভিন্ন মাধ্যম/সিস্টেম এর খুত খুজে বের করে। কিন্তু তিনি এর ক্ষতিসাধন করেন না। একজন হ্যাকার মূলত একজন প্রোগ্রামার যার প্রধান কাজ হচ্ছে অনলাইনে কোন সিস্টেমের খারাপ দিকগুলো খুজে বের করা। তারা প্রোগ্রামার এবং তারা প্রোগ্রাম নতুন নতুন খুত বের করতে ব্যবহার করে। http://b-roll.net/today/wp-content/...

হ্যাকার ফোরাম :

আপনি একজন হ্যাকার হতে হলে প্রথমে আপনাকে বিভিন্ন ইথিকাল হ্যাকার যারা মূলত ইলিট (এ ব্যাপারে আগের অধ্যায়ে বলা হয়েছে) তাদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ টিপসগুলো শিখে নিতে হবে। আর বিভিন্ন ধরনের টিপস নিয়ে আলোচনা হয় ফোরামে। নিচে হ্যাকারদের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফোরামের লিংক প্রদান করা হল। ফোরামগুলোতে যোগদিন এবং নিয়মিত পোষ্টগুলো পড়ুন। কোন বিষয় জানতে চাইলে সেখানেই সাহায্য চাইতে পারেন।

হ্যাকিং রিসোর্স :

হ্যাকিং করতে হলে বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রয়োজন হয়, প্রয়োজন হয় কোড, স্ক্রিপ্ট, ডর্ক ইত্যাদির। নিচে কিছু লিংক দেয়া হল যেখান থেকে আপনি অনেক মূল্যবান হ্যাকিং রিসোর্স পেতে পারেন যা আপনাকে হ্যাকার হতে সাহায্য করবে।

হ্যাকার মুভি :

শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এখন চলে এলাম একেবারে বিনোদনে। হ্যা হ্যা। সারাদিন কাজ করলেই কি আর চলে? একটু বিনোদনও তো করা লাগে, নাকি? নিচে কিছু মুভির নাম দেয়া হল যা একজন হ্যাকারের দেখা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাহলে এখনই আরম্ভ করে দিন বিনোদন। আর হ্যা কোনটা কেমন লাগলো সে সম্পর্কে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। আজ এ পযর্ন্তই।
  • TRON (1982)
  • THE GIRL WITH THE DRAGON TATTOO (2009)
  • WARGAMES (1983)
  • DIE HARD 4:LIVE FREE OR DIE HARD (2007)
  • SNEAKERS (1992)
  • THE MATRIX (1999)
  • EXISTENZ (1999)
  • THE CONVERSATION (1974)
  • THE SCORE (2001)
  • FOOLPROOF (2003)
  • HACKER (1995)
  • ANTITRUST (2001)
  • PIRATES OFSILICONVALLEY(1999)
  • THE LAWNMOWER MAN (1992)
  • THE CORE (2003)
  • VIRTUOSITY (1995)
  • TAKEDOWN (2000)
  • DEJA VU (2006)
  • ONE POINT O (2004)
  • REVOLUTION OS (2001)
  • THE NET (1995)
  • TRON : LEGACY (2010)
  • THE ITALIAN JOB (2003)
  • DISCLOSURE (1994)
  • JURASSICPARK(1993)
  • SWORDFISH (2001)
  • THE THIRTEENTH FLOOR (1999)
  • UNTRACEABLE (2008)
  • GAMER (2009)

1 comment:

  1. Do you suspect your spouse of cheating, are you being overly paranoid or seeing signs of infidelity...Then he sure is cheating: I was in that exact same position when I was referred to (wizardcyprushacker@gmail.com) through my best friend Anna, who helped me hack into my boyfriend's phone, it was like a miracle when he helped me clone my boyfriend's phone and I got first-hand information from his phone. Now I get all his incoming and outgoing text messages, emails, call logs, web browsing history, photos and videos, instant messengers(facebook, whatsapp, bbm, Instagram, etc) , GPS locations, phone tap to get live transmissions on all phone conversations. If you need help contact him on email, (wizardcyprushacker@gmail.com) or Whatsapps:+1 (424) 209-7204 I guarantee you for reliable service. Tell him I referred you.

    ReplyDelete