Facebook massage

Sunday, October 30, 2016

কী থাকবে গ্যালাক্সি এস৮ ফোনে?


গ্যালাক্সি নোট ৭-এর উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে স্যামসাং। তাই বলে দমে যায়নি তারা। বরং ক্ষতি পুষিয়ে নিতে জোরেসোরে শুরু হয়েছে গ্যালাক্সি এস৮ ও গ্যালাক্সি এস৮ এজ স্মার্টফোন উৎপাদনের কাজ।
এরই মধ্যে প্রযুক্তিবিষয়ক বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আসতে শুরু করেছে এস৮-এর সম্ভাব্য স্পেসিফিকেশন। তবে এ সবই এখন রয়েছে গুজবের পর্যায়ে। কারণ স্যামসাংয়ের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছুই জানানো হয়নি।
তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বছরের শুরুর  দিকে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে উন্মুক্ত করা হতে পারে গ্যালাক্সি এস৮ ও এস৮ এজ। স্পেনের বার্সেলোনায় আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস। এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রযুক্তি বিষয়ক চীনা ওয়েবসাইট উইবোতে গ্যালাক্সি এস৮-এর সম্ভাব্য কিছু ফিচার সম্পর্কে জানানো হয়েছে। গ্যালাক্সি এস৮ স্মার্টফোনে থাকতে পারে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চির ফোরকে (২১৬০x৩৮৪০ পিক্সেলস) সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে। স্ক্রিনের পিক্সেল ঘনত্ব হতে পারে ৮০৬ পিপিআই।  
স্মার্টফোনটি চলবে এক্সিনস ৮৮৯৫ এওসিতে। সাথে থাকতে পারে ৬ জিবি র‍্যাম। কয়েকদিন আগেই ৬ জিবি র‍্যামের গ্যালাক্সি সি৯ প্রো বাজারে ছেড়েছে স্যামসাং।  
গ্যালাক্সি এস৮-এর রিয়ার ক্যামেরা হতে পারে ১৬ মেগাপিক্সেলের, সঙ্গে থাকতে পারে ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। কম আলোতেও দারুণ ছবি তোলা যাবে এই ক্যামেরা দিয়ে। চমক হিসেবে আরো থাকতে পারে বেজেল-লেস ডিজাইন। থাকতে পারে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর।
স্যামসাংয়ের সব ফোনই দারুণ আলোচনার সৃষ্টি করে। তবে গ্যালাক্সি নোট ৭-এর ব্যাটারি বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে স্যামসাং নিয়ে অনেক ব্যবহারকারীর মধ্যেই আতঙ্ক তৈরি হয়েছে আর সেটা দূর করার জন্য এস৮ ও এস৮ এজ ফোনে কোনো ত্রুটি রাখতে চাইছে না স্যামসাং।

ইনস্টাগ্রামে আসতে পারে লাইভ ভিডিও

ইনস্টাগ্রামে আসতে পারে লাইভ ভিডিও সুবিধা। গত শুক্রবার একটি রাশিয়ান সংবাদমাধ্যমে লাইভ ভিডিও ফিচারসংবলিত ইনস্টাগ্রামের একটি স্ক্রিনশট প্রকাশিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, লাইভ ভিডিও নিয়ে পরীক্ষামূলক কাজ করছে ইনস্টাগ্রাম। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে এ খবর।
রাশিয়ান এক ব্যবহারকারীর চোখে প্রথম ধরা পড়ে ইনস্টাগ্রামের নতুন এই ফিচার। তাঁর নেওয়া স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, ইনস্টাগ্রামের ‘স্টোরিজ’ অংশের সর্বপ্রথম আইকনটিতে ‘লাইভ’ অপশন যুক্ত করা আছে। আরো কিছু স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, স্টোরিজ ইন্টারফেজে ‘গো ইন্সটা’ বাটন যুক্ত থাকতে, যেটি মূলত লাইভ ভিডিও সম্প্রচারের বাটন হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
তবে এ ব্যাপারে ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ এখনই মুখ খুলতে নারাজ। রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম ‘টি জার্নাল’-এ স্ক্রিনশটের পাশাপাশি একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে ইনস্টাগ্রামের লাইভ ফিচারের প্রমাণ মিলেছে।
টি জার্নাল আরো জানিয়েছে, ‘লাইভ’ বাটনে ক্লিক করার সঙ্গে সঙ্গে ‘পপুলার লাইভ ব্রডকাস্ট’ নামে নতুন একটি সেকশন চালু হচ্ছে। তবে এর বেশি কিছু তাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয়নি।
যদিও এখনই স্পষ্ট করে বলা অসম্ভব, ইনস্টাগ্রামে লাইভ ভিডিও সাধারণ পরীক্ষামূলক পর্যায়েই থেকে যাবে, নাকি আগামীতে ফিচার হিসেবে আসবে। তবে নতুন নতুন ফিচার আনার আগে নির্দিষ্ট এলাকায় ফিচারটি যাচাই-বাছাই করে দেখাটা ইনস্টাগ্রামের জন্য নতুন কিছু নয়।
মাত্র কিছুদিন আগেই ‘স্টোরিজ’ নামে নতুন সুবিধা এনেছে ইনস্টাগ্রাম। গত সপ্তাহ থেকে ‘স্টোরিজ’-এ এসেছে নতুন আপডেট। ‘এক্সপ্লোর’ সেকশনে এখন থেকে দেখা যাবে বিভিন্ন সাজেস্টেড অ্যাকাউন্টের ‘স্টোরি’।

কী আছে গুগলের মেসেজিং অ্যাপ ‘আল্লো’তে?

এ বছরের শুরুতে গুগল আই/ও তে গুগল ঘোষণা দিয়েছিল তাদের নতুন মেসেজিং অ্যাপ ‘আল্লো’ ও ভিডিও কলিং অ্যাপ ‘ডুয়ো’ নিয়ে আসার। অবশেষে ব্যবহারকারীদের উন্মুক্ত করা হয়েছে মেসেজিং অ্যাপ আল্লো। নতুন এই অ্যাপটিতে রয়েছে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সুবিধা। গুগলের দাবি এই অ্যাপ ব্যবহারকারীদের মেসেজিংয়ের ক্ষেত্রে একদম নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। সেই সাথে দেবে গোপনীয়তা বজায় রাখার নিশ্চয়তা।
হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারের মতো জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে গুগলের আল্লোকে। ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, কারিগরি দিক থেকে হোয়াটসঅ্যাপের সঙ্গে মিল রয়েছে আল্লোর। এই অ্যাপ চালু করার জন্য কোনো গুগল অ্যাকাউন্টের দরকার পড়বে না। ব্যবহারকারীরা তাদের ফোন নম্বর দিয়েই অ্যাপটিতে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। এ ছাড়া অ্যাপটির বিষয়ে আরো কিছু তথ্য জানানো হয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে।
গুগল অ্যাসিসটেন্ট সাপোর্ট
গুগল অ্যাসিসটেন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে আল্লো অ্যাপটি। ফলে অ্যাপটি থেকে সার্চ দেওয়া যাবে। ব্যবহারকারীরা তাদের প্রয়োজনীয় হোটেল, ফ্লাইট, সিনেমা হলের খবর জানতে পারবে অ্যাপটিতে সার্চ দিয়ে। এ ছাড়া ইউটিউব, ম্যাপস ও ট্রান্সলেটের মতো গুগলের সেবাগুলোর সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে অ্যাপটি।  
স্মার্ট রিপ্লাই
অ্যাপটিতে রয়েছে স্মার্ট রিপ্লাই সুবিধা। এর ফলে টেক্সট করার বিভিন্ন সাজেশন দেবে অ্যাপটি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর চ্যাটবক্স ঘেটে এসব সম্ভাব্য সাজেশন তৈরি করবে আল্লো।
ফন্টের আকার ঠিক করার সুবিধা
ব্যবহারকারীরা ফন্টের আকার ছোট বড় করে নিতে পারবেন চ্যাটবক্সে। ‘হুইসপার’ ও ‘শাউট’ বাটন দুটি ব্যবহার করে ফন্ট ছোট অথবা বড় করা যাবে।
ইনকগনিটো মোড
গুগলের ওপেন সিগনাল প্রোটোকল ব্যবহার করে এই সুবিধা চালু করা হয়েছে। এটি ব্যবহারকারীদের গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করবে। এর মাধ্যমে প্রতিবার চ্যাট করার পর সেই চ্যাটবক্সটি মুছে যাবে। অর্থ্যাৎ কোনো চ্যাটিং হিস্ট্রি থাকবে না।
ছবিতে লেখার সুবিধা
চ্যাটিংকে আরো মজার ও আকর্ষণীয় করে তুলতে আল্লো অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের ছবির মধ্যে আঁকাআঁকির করার এবং সেগুলো সম্পাদনা করে চ্যাটবক্সে পাঠানোর সুযোগ করে দেবে।
স্টিকার্স
আড্ডাবাজি জমিয়ে তুলতে নতুন সব স্টিকার যোগ করা হয়েছে আল্লো অ্যাপটিতে।

কথা বললেই বাজবে গান!

খালি মুখে বললেই হবে কী গান চান, বাকি কাজ সাউন্ড হাউন্ডের। ছবি : সংগৃহীত
গান-পাগলদের দারুণ পছন্দের একটি অ্যাপ সাউন্ড হাউন্ড। বিশ্বজুড়ে গান খুঁজে বের করার জন্য এর জুড়ি নেই। ট্র্যাক রিকগনিশন ফিচারের মাধ্যমে আপনার পছন্দের গানটি নিমেষে খুঁজে দিতে পারে এই অ্যাপ। ব্যবহারকারীদের কাছে আরো সহজে এই সেবাদানের জন্য ১৭ মে সাউন্ড হাউন্ড চালু করেছে এর ভয়েস ওভার কন্ট্রোল পরিসেবা ‘OK Hound’। সিনেট ও ডিজিটাল ট্রেন্ডের খবরে সাউন্ড হাউন্ডের এই নতুন সংযোজনের বিষয়ে বিস্তারিত জানা গেছে।
এই নতুন ফিচারের মাধ্যমে ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে আপনার পছন্দের গানটির জন্য ট্র্যাক সার্চ দিতে পারবেন, আপনার প্লে-লিস্টে গান যোগ করতে বা বাদ দিতে পারবেন, যেমনটি করা যায় স্পটিফাই, প্যান্ডোরা ও অ্যাপল মিউজিকে।

ভয়েস সার্চের একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম নির্মাণের জন্যই সাউন্ড হাউন্ডের এ উদ্যোগ। শুধু গান যোগ করা বা বাদ দেওয়া অথবা গান খোঁজার মধ্যেই এটি সীমাবদ্ধ নেই। এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো মিউজিক আর্টিস্টের সম্বন্ধে বিভিন্ন তথ্য, অ্যালবাম নিয়ে খবরাখবর জানতে পারবেন। এমনকি আপনি যদি এমন কোনো সেলিব্রেটি সম্পর্কে জানতে চান, যে মিউজিকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, তাহলে সাউন্ড হাউন্ড আপনাকে ওই সেলিব্রেটির সঙ্গে সম্পর্কিত গানগুলোর খোঁজ দিতে চেষ্টা করবে। এত কিছু করতে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। শুধু অ্যাপটি খুলবেন এবং মুখে আদেশ দেবেন! ব্যস, সবকিছু আপনার স্ক্রিনে চলে আসবে।

এ ব্যাপারে ডিজিটাল ট্রেন্ডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাউন্ড হাউন্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কিভান মোহাজের বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি যে আপনি ততক্ষণ পর্যন্ত একটি প্ল্যাটফর্মে ভরসা রাখতে বা সেটিকে ভালোবেসে ব্যবহার করতে পারবেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত তা আপনাকে একটি অবিশ্বাস্য এবং সত্যিকার কার্যকর সেবা না দিতে পারবে।’ 

এরই মধ্যে সাউন্ড হাউন্ড বেশ সফলতার মধ্যে পথ অতিক্রম করেছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এর ডাউনলোড হয়েছে ৩০ কোটি বারের মতো! অ্যাপটি বিনামূল্যে অ্যানড্রয়েড ও অ্যাপল স্টোরে পাওয়া যায়।

স্মার্টফোনে ছবি সম্পাদনার আট অ্যাপস

ছবি সম্পাদনার অ্যাপগুলো ব্যবহার করে নিজের মতো করে সম্পাদনা করে নিতে পারেন স্মার্টফোনে তোলা ছবি। ছবি : অ্যানড্রয়েড পিট
সব সময় সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোনের মধ্যেই চলে এসেছে প্রয়োজনীয় সবকিছু। ছবি তোলার জন্য এখন ফোনের ওপরই বেশি নির্ভরশীল সবাই। আর সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছবি শেয়ার করার জন্য ভালো ছবি তোলার কোনো বিকল্প নেই। ছবিকে ভালো করে তোলার জন্য রয়েছে বেশ কিছু ছবি সম্পাদনার অ্যাপ্লিকেশন। অনেক অ্যাপ দিয়ে ছবি তোলা যায় নিজের পছন্দমতো। আবার অনেক অ্যাপ দিয়ে ছবি তোলার পর সম্পাদনা করা যায়। ছবি সম্পাদনার কয়েকটি অ্যাপ সম্পর্কে জানিয়েছে ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া।
১. ইনস্টাগ্রাম
ছবি শেয়ারিং ও সম্পাদনার জন্য দারুণ জনপ্রিয় এই অ্যাপ। ছবি সম্পাদনার জন্য ইনস্টাগ্রামের রয়েছে বেশ কিছু ফিল্টার। ছবির রং ঠিক করা, আলো ঠিক করে নেওয়া যায় এসব ফিল্টারের মাধ্যমে। আর সম্পাদনার পর অন্যদের সঙ্গে বা ফেসবুকে ছবি শেয়ারের জন্যও ইনস্টাগ্রাম বেশ জনপ্রিয়।
২. প্রিজমা
সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় ও আলোচিত ফটো অ্যাপ হচ্ছে প্রিজমা। প্রথমে আইফোনের জন্য তৈরি করা হলেও পরে অ্যানড্রয়েডের জন্যও অ্যাপটি ছাড়া হয়। এই অ্যাপটির বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি বিভিন্ন ফিল্টারের মাধ্যমে ক্যামেরায় তোলা ছবিকে শৈল্পিক রূপ দিতে পারে। প্রিজমা অ্যাপটি দিয়ে ছবি তোলা যায়, আবার আগে তোলা ছবিও এর মাধ্যমে সম্পাদনা করা যায়।
৩. পিক্সেল আর
বিশ লাখের বেশি লেয়ার ও ফিল্টার রয়েছে এই অ্যাপটিতে। যেকোনো ছবি এর মাধ্যমে সম্পাদনা করা যাবে এবং সম্পাদনার মাধ্যমে একে অন্য স্তরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। সম্পাদনার পাশাপাশি কয়েকটি ছবি মিলিয়ে কোলাজ তৈরি করা যাবে। যাঁরা সেলফি তুলতে পছন্দ করেন, এই অ্যাপ তাঁদের বেশ কাজে দেবে।
৪. ফ্রন্টব্যাক
দারুণ এই অ্যাপ একসঙ্গে দুটি ছবি তুলতে পারে। একটি স্মার্টফোনের রিয়ার ক্যামেরায়, আরেকটি ফ্রন্ট ক্যামেরায়। আর সেলফির পাশাপাশি ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে পাঁচ সেকেন্ডের ভিডিও রেকর্ড করা যায় এই অ্যাপের মাধ্যমে। এ ছাড়া ফটো শেয়ারিং, জিও-ট্যাগিং ও ক্যাপশন লেখার সুবিধা আছে অ্যাপটিতে।
৫. বিউটিপ্লাস মি
যাঁরা সেলফি তুলতেই বেশি পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য এই অ্যাপ বেশ কাজের। ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে ছবি তোলার পর সম্পাদনার মাধ্যমে চেহারার দাগ দূর করা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে। বাড়ানো যাবে ত্বকের উজ্জ্বলতা। অর্থাৎ ছবির দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে একদম নতুন ছবি পাবেন ব্যবহারকারীরা।
৬. ভিএসসিও ক্যাম
এই অ্যাপের মাধ্যমে ছবি তোলা, সম্পাদনা ও শেয়ার করা যাবে সহজেই। ক্যামেরায় তোলা ছবিকে শৈল্পিক রূপ দেওয়া যায় অ্যাপটির মাধ্যমে। সেইসঙ্গে আগে তোলা ছবিও সম্পাদনা করা যায় অ্যাপটি ব্যবহার করে। এ ছাড়া অন্যরা কী ছবি শেয়ার দিচ্ছে, সেটাও দেখতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।
৭. লিটল ফটো
লিটল ফটো অ্যাপটি দিয়ে ছবি তোলা যাবে এবং অ্যাপটি দিয়ে তোলা ছবিগুলোই শুধু সম্পাদনা করা যাবে। ছবি সম্পাদনার জন্য রয়েছে বেশ কিছু ফিল্টার।
৮. ফটো ল্যাব পিকচার এডিটর এফএক্স
ফটো মন্তাজ তৈরি করা যাবে অ্যাপটি ব্যবহার করে। এ ছাড়া নানা ধরনের ফ্রেম যোগ করা যাবে ছবির সঙ্গে। ছবির সঙ্গে অ্যানিমেটেড এফেক্টও যোগ করা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে।

মেসেঞ্জার লাইট নিয়ে এলো ফেসবুক

ফেসবুকের মেসেজিং ও অডিও-ভিডিও কলিং অ্যাপ মেসেঞ্জার। এবার মেসেঞ্জারের একটি নতুন সংস্করণ নিয়ে আসছে ফেসবুক। যেসব এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগ ধীরগতির, সেখানকার ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে অ্যাপটি। গতকাল রোববার অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হয়। এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেনিয়া, তিউনিশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও ভেনেজুয়েলার ব্যবহারকারীরা প্রাথমিকভাবে অ্যাপটি ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। এরপর অন্যান্য অঞ্চলের ব্যবহারকারীদের জন্যও অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হবে।
তবে আপাতত মেসেঞ্জারের সব সুবিধা পাওয়া যাবে না মেসেঞ্জার লাইট অ্যাপটিতে। শুধু টেক্সট করা, ছবি ও লিংক পাঠানো যাবে। অডিও-ভিডিও কলিং বা পেমেন্টের সুবিধা পাবেন না মেসেঞ্জার লাইট ব্যবহারকারীরা।
উত্তর আমেরিকা, ইউরোপসহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে বেশ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুক ও মেসেঞ্জার অ্যাপটি। এসব দেশে ইন্টারনেট সংযোগ যেমন দ্রুত, তেমনি প্রযুক্তিগত দিক থেকেও এসব অঞ্চলের ব্যবহারকারীরা এগিয়ে রয়েছেন। ফেসবুক এখন নজর দিতে যাচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার মতো জনবহুল কিন্তু ধীরগতির ইন্টারনেট সংযোগের এলাকাগুলোতে। শুরুতে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরাই মেসেঞ্জার লাইট অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন।
হেড অব মেসেঞ্জার ডেভিড মার্কোস রয়টার্সকে বলেন, ‘আমরা সত্যিকার অর্থেই মেসেঞ্জারকে সবার কাছে নিয়ে যেতে চাই।’ এ ছাড়া ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ সব সময়ই বলে এসেছেন, পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে ইন্টারনেট পৌঁছে দিতে চান তিনি। আর সে লক্ষ্যে কাজ করছেন তাঁরা।
২০১১ সালে আইওএস ও অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মেসেঞ্জার অ্যাপটি চালু করেছিল ফেসবুক। গত এপ্রিলে ফেসবুকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রতি মাসে বিশ্বুজড়ে ৯০ কোটি ব্যবহারকারী ফেসবুক মেসেঞ্জারে সক্রিয়।

চোখ দিয়ে চালানো যাবে স্মার্টফোন

চোখের ইশারায় স্মার্টফোন চালানো যাবে। লক খোলা, গেম খেলা, অ্যাপস চালানো—সবই করা যাবে চোখ দিয়ে! এমনই এক প্রযুক্তি নিয়ে গবেষণা করছেন গবেষকরা। সম্প্রতি এই গবেষণার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (আইইইই) কনফারেন্সে। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ভারতীয় ওয়েবসাইট ফার্স্ট পোস্ট। 
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি), ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া এবং জার্মানির ম্যাক্স প্লাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেটিক্সের একদল গবেষক মিলে এ ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। তাঁরা যে অ্যাপটি তৈরি করেছেন, তা এখন একজন ব্যবহারকারীর চোখ নির্ভুলভাবে স্ক্যান করতে পারে। অর্থাৎ ব্যবহারকারী স্মার্টফোনের দিকে তাকালে এর লক খুলে যাবে। 
তবে এই সফটওয়্যারটি আরো নিখুঁত করে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছেন গবেষকরা। এই অ্যাপটির নাম দেওয়া হয়েছে গেজ ক্যাপচার। স্মার্টফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের চেহারার ছবি তুলে রাখবে। আর সফটওয়্যারটি ওই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহারকারীর চোখ ও চেহারা চিহ্নিত করবে। 
এখন পর্যন্ত দেড় হাজার মানুষ পরীক্ষামূলকভাবে গেজ ক্যাপচার অ্যাপটি ব্যবহার করেছেন। তবে গবেষকদের দরকার মোট ১০ হাজার ব্যবহারকারীর তথ্য। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে অ্যাপটিকে আরো উন্নতমানের করে তৈরি করতে পারবেন তাঁরা।

বাইকার দের স্বপ্ন পূরন এবার বাইক উরবে আকাশে

বাইক এখন আকাশেও উড়বে বটে! ছবি : টেকরাডার
অদ্ভুত আর মজার সব জিনিসপত্র আবিষ্কার করার জন্য বেশ খ্যাতি জমিয়েছেন কলিন ফার্জ। প্রতিদিন ইউটিউবে লাখ লাখ দর্শক তাঁর ব্যতিক্রমধর্মী সব আবিষ্কারগুলোর তৈরি এবং ব্যবহারের ভিডিও দেখার জন্য ভিড় করে থাকে। এবার তো রীতিমতো তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে। গবেষণা করতে করতে তিনি আবিষ্কার করে ফেলেছেন এমন এক হোভারবাইক, যেটি দিব্যি আকাশে উড়েছেও বেশ কিছুক্ষণ।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকরাডারের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত মাসে এক থার্মাইট লঞ্চার আবিষ্কারের পরই ফার্জ জানিয়েছিলেন যে তিনি এরই মধ্যে তার জীবনের সবচেয়ে জটিল এবং বড় প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করছেন এবং এই প্রজেক্টটি স্পন্সর করার জন্য এগিয়ে এসেছে ফোর্ডের মতো প্রতিষ্ঠান, যে প্রজেক্টটি ছিল আসলে এই হোভারবাইক। গত ২৮ এপ্রিল এক ভিডিওতে দর্শকদের সামনে ফার্জ হাজির হন তাঁর তৈরি হোভারবাইক নিয়ে। শূন্যে ভেসে বেড়ালেও মাটি থেকে খুব বেশি ওপরে উঠতে পারেনি বাইকটি। কিন্তু ঘরে বসে এ রকম একটা জিনিস তৈরি করে প্রযুক্তি বিশ্বে বেশ সাড়া ফেলে দিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী এই তরুণ আবিষ্কারক।
কোনো রকম প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ না থাকলেও এটি অনস্বীকার্য যে কলিন ফার্জ একজন প্রসিদ্ধ কারিগর। কারণ তিনি যে শুধুমাত্র চমকপ্রদ আবিষ্কারগুলো নিয়ে সামনে এসে হাজির হন, সেটুকুই কেবল নয়! জিনিসগুলো তিনি কীভাবে তৈরি করেন, এর ভিডিও তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা হয়। এটি তাঁকে এনে দিয়েছে ব্যতিক্রমী জনপ্রিয়তা।
হোভারবাইক তৈরি করার সময়ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুরই ভিডিও প্রকাশ করেছেন ফার্জ। এমনকি তাঁর এই প্রজেক্টের কোন মোটরটি সঠিক হবে, সে ব্যাপারেও রয়েছে বিস্তর আলোচনা। তবে মোটর কেনার সময় তিনি ছিলেন খুবই সাবধান, কারণ খারাপ জিনিস তৈরি হলে শেষপর্যন্ত নিজের হাড়গোড়ের আর রক্ষা মিলবে না।
বিশাল দুটি পাওয়ারফ্যানের ওপর নির্ভর করেই মূলত ভেসে বেড়ায় এই বাইকটি। এ ছাড়া বাকি যন্ত্রাংশও বেশ সহজলভ্য। তবে ভিডিও দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে আবার নিজেই একটা উড়ন্ত বাইক তৈরি করে ফেলবেন না যেন! এই ব্যাপারে কড়াকড়ি নিষেধ রয়েছে স্বয়ং ফার্জেরই। কারণ যন্ত্রটি আসলে ঠিক কতটা ভেসে বেড়াতে পারবে এবং অক্ষত থাকবে, এ ব্যাপারে তিনি নিজেই নিশ্চিত নন।

এবার ঘটলো মশা মারতে কামান দাগানোর অবস্থা মশা তাড়াবে এলজির টিভি

মশা তাড়ানোর ক্ষেত্রে এলজি প্রচলিত বিভিন্ন অ্যানড্রয়েড অ্যাপের ধারণা ব্যবহার করেছে। ছবি : টাইমস অব ইন্ডিয়া
টিভিতে দুর্দান্ত কোনো সিনেমার দৃশ্য কিংবা উত্তেজনাকর কোনো খেলার মুহূর্ত দেখতে গিয়ে মশার কামড় খাওয়ার মতো বিরক্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হওয়ার দিন শেষ হতে যাচ্ছে। 
দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলজি তাদের নতুন টিভি তৈরি করেছে মশাদের ‘যম’ হিসেবে। ভারতীয় দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে। 

মশা তাড়ানোর ক্ষেত্রে এলজি প্রচলিত বিভিন্ন অ্যানড্রয়েড অ্যাপের ধারণা ব্যবহার করেছে। এর ফলে বিশেষ ধরনের শব্দতরঙ্গ মশাদের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে দূরে রাখবে। যদিও অনেকেই এ প্রযুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে বেশ সন্দিহান। 

এলজি তাদের ‘মসকিউটো অ্যাওয়ে’ টেলিভিশনে সংযুক্ত করেছে ‘আলট্রা সনিক’ স্পিকার দিয়ে। নির্দিষ্ট মোড চালু করলে উচ্চ তরঙ্গের শব্দ নির্গত হবে স্পিকার থেকে, আর এই শব্দ মশাদের টিভির দর্শকদের আশপাশের এলাকার প্রবেশ বাধা সৃষ্টি করবে।

ভারতের বাজারে ছাড়ার আগে এলজি তাদের নতুন প্রযুক্তিকে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড টক্সিকোলজি দ্বারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিয়েছে।

তাই এই টিভির কার্যকারিতা নিয়ে কিংবা নিরাপত্তার ব্যাপারে ক্রেতাদের দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলেই মনে করছে নির্মাতারা। 

তবে দীর্ঘ মেয়াদে এই প্রযুক্তি কতটা সফল হবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করেনি এলজি। একই সঙ্গে তারা জানিয়েছে, এলাকাভেদে কার্যকারিতায় ভিন্নতা আসতে পারে। তা ছাড়া মশা নিয়ন্ত্রণের অন্যান্য উপকরণকে একেবারে প্রতিস্থাপন করে ফেলার উদ্দেশ্য থেকেও মশা প্রতিরোধক টিভি তৈরি হয়নি। মশা তাড়ানোর ফিচার চালু থাকার সময় হালকা আওয়াজ সৃষ্টি করতে পারে স্পিকার, সে ব্যাপারে আগেভাগেই জানিয়ে রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ভারতের বাজারে ‘মসকিউটো অ্যাওয়ে’ টেলিভিশনের ৩২ ইঞ্চি সংস্করণের দাম ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ৯০০ রুপি এবং ৪২ ইঞ্চির সংস্করণের দাম রাখা হয়েছে ৪৭ হাজার ৫০০ রুপি। 

আইফোনে এবার অ্যানড্রয়েড!

ডেভেলপার নিক লির একটি সুনাম রয়েছে। তিনি ‘উদ্ভট’ সব পরীক্ষা চালাতে ভালোবাসেন। আর উনার এই সুনজর অ্যাপলের পণ্যের প্রতিই বেশি। এর আগে অ্যাপল ওয়াচে উইন্ডোজ ৯৫ অপারেটিং সিস্টেম চালিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন নিক। 
এবার আরেক অসাধ্য সাধন করে দেখিয়েছেন তিনি। আইফোনে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিয়েছেন। অ্যাপলের ডিভাইসগুলো অ্যাপলের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম আইওএস- এ চলে। 
আইফোনে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং চালানো খুবই সহজ। এর জন্য শুধু বিশেষভাবে তৈরি থ্রিডি প্রিন্টেড একটি ফোন কেস দরকার হবে। 
অসম্ভবকে সম্ভব করার জন্য নিক অ্যানড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট (এওএসপি) এর একটি ক্লোন তৈরি করেছেন এবং এর অ্যানড্রয়েড মার্শম্যালো এর একটি কাস্টম ভার্সন তৈরি করেছেন।  এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ। 
নিকের তৈরি আইফোন আকৃতির থ্রিডি প্রিন্টেড ফোন কেসটিতে রয়েছে একটি বোর্ড, ব্যাটারি, বুস্ট কনভার্টার ও একটি রেসিস্টর। প্রথমে যে ফোনকেসটি তৈরি করেছিলেন নিক সেটি বেশ ভারী হয়ে গিয়েছিল। সেজন্য পরে থ্রিডি প্রিন্টেড কেস তৈরি করার মাধ্যমে এর ওজন কমিয়ে আনেন তিনি। 
ওজন কমিয়ে এবং কেসটিকে আরো পাতলা করে তৈরি করার মাধ্যমে আইফোনের সঠিক আকৃতিতে চলে আসে ফোন কেসটি। এরপর এই ফোন কেসের সঙ্গে যোগ করা হয় এইচডিএমআই, ইউএসবি পোর্টস এবং এসডি কার্ড স্লট। আর কেসটিতে আইফোন রাখার আগে সেখানে একটি পাতলা প্লাস্টিক বসিয়ে দেওয়া হয়। 
ডেভেলপার নিক লি আইফোনের মধ্যে অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বুট করেছেন তেনদিগি অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে। এই তেনদিগি অ্যাপটি তৈরি করেছে নিকের এর প্রতিষ্ঠান। ব্রুকলিন ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটি  মোবাইল ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করে। 

নিক বলেছেন, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে তাঁর অনেকদিন সময় লেগেছে। তবে এটা শুধুই পরীক্ষামূলকভাবে করা হয়েছে। অ্যানড্রয়েড ফোনের মতো করে আইফোন অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে না এর মাধ্যমে।

সত্যি সত্যিই যে আইফোনের অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বুট করা যায় সেটি প্রমাণ করার জন্য এক মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন নিক। https://www.youtube.com/watch?v=a1ivaxlbpmw

এবার ড্রোন লাগাবে গাছ

গাছ লাগানোর বিশেষ ড্রোন হাতে নাসার প্রাক্তন প্রকৌশলী লরেন ফ্লেচার। ছবি : দ্য ইনডিপেনডেন্ট
মানবজীবনের জন্য আশীর্বাদের রূপ ধরে এসেছিল প্রযুক্তি। কিন্তু এই প্রযুক্তির উন্নয়নেই আবার বিশ্বে প্রতিবছর কোটি কোটি গাছ কাটা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় মহাকাশ সংস্থার (নাসা) বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এবার হবে এর উল্টোটা৷ কারণ এবার থেকে প্রযুক্তিপণ্য ড্রোনের মাধ্যমে শুরু হতে চলেছে বৃক্ষরোপণ। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নাকি শেষ হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্টের তথ্যমতে, বায়ো কার্বন ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি সংস্থা এরইমধ্যে ড্রোনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ শুরু করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে ড্রোনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১০ লাখ গাছ লাগাতে পারবে তারা। একপর্যায়ে সংখ্যাটিকে বছরে এক কোটি করার ইচ্ছে সংস্থাটির।

নাসার তথ্যমতে, প্রতি বছর প্রাকৃতিক দাবানল অথবা বিভিন্ন মানবসৃষ্ট কারণে প্রায় ২৬ লাখ গাছ কমে যায়। কিন্তু রোপণ করা হয় মাত্র ১৫ লাখ।

কিন্তু এই পদ্ধতিতে আরো বেশি পরিমাণ গাছ লাগানো সম্ভব হবে বলে সংস্থাটির আশা। কারণ প্রচলিত পদ্ধতিতে গাছ লাগাতে যে সময় এবং পরিশ্রম লাগে এ ক্ষেত্রে সেই দুটোই কম হবে।
 বায়ো কার্বন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান নির্বাহী নাসার প্রাক্তন প্রকৌশলী লরেন ফ্লেচার  সংবাদমাধ্যমের কাছে এই অভিনব ড্রোনের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করেছেন।

দ্য ইনডিপেনডেন্টের কাছে দেওয়া তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যে অঞ্চলে গাছগুলি পোঁতা হবে প্রথমে সেখান দিয়ে উড়ে যাবে ড্রোন। উড়ন্ত এই যানের প্রথম কাজ হবে, ওই অঞ্চলের মাটি পরীক্ষা করা এবং মাটির গুণাগুণ বিচার করা। পরবর্তী সময়ে মাটির দুই থেকে তিন মিটার উঁচু থেকে ড্রোনের মাধ্যমেই ছড়িয়ে দেওয়া হবে বীজ।

বায়ো কার্বন ইঞ্জিনিয়ারিং সংস্থাটির হিসাব এই পদ্ধতিতে দিনে প্রায় ৩৫ হাজার গাছ লাগানো সম্ভব হবে। এ ছাড়া গাছ লাগানোর খরচ কমে আসবে প্রায় ১৫ শতাংশ।

বিশ্বের প্রথম ‘বৈদ্যুতিক রাস্তা’ সুইডেনে

প্রযুক্তি দুনিয়ায় চলছে বৈদ্যুতিক যান তৈরির ধুম। গুগল তৈরি করছে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি। অনেক দিন ধরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা করছে গুগল। এ ছাড়া অটোমোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলাও কাজ করছে বৈদ্যুতিক গাড়ি নিয়ে।

কিন্তু কিছু কিছু যানবাহনের আকার এতই বড় যে সেগুলোকে সম্পূর্ণভাবে বৈদ্যুতিক গাড়িতে পরিণত করা সম্ভব নয়। সে কথা মাথায় রেখেই এবার সুইডেনে চালু করা হয়েছে বৈদ্যুতিক রাস্তা, যেখানে যেকোনো আকারের বাহনকেই বিদ্যুতের মাধ্যমে চালানো যাবে। 
ট্রাক ও বাস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্ক্যানিয়ার সঙ্গে মিলে সুইডেন সরকার তৈরি করেছে দুই কিলোমিটারের বিশেষ সড়ক, যাকে বলা হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম বৈদ্যুতিক রাস্তা। এ খবর জানিয়েছে প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল।
বৈদ্যুতিক রাস্তার জন্য তৈরি করা হয়েছে আলাদা একটি লেন। এই লেন ধরে টানা হয়েছে বৈদ্যুতিক তার। আর যখন এসব তারের সঙ্গে ট্রাক, বাস বা অন্য কোনো বাহনকে যুক্ত করে দেওয়া হয়, তখন সেটা সম্পূর্ণভাবে বিদ্যুৎ চালিত বাহনে পরিণত হয়। 
অবশ্য এ ধরনের উদ্যোগ এটাই প্রথম নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে ১৯৪০ সাল থেকে এ ধরনের বৈদ্যুতিক ট্রলিবাস চলছে। তবে রাস্তায় আলাদাভাবে বৈদ্যুতিক সংযোগ দিয়ে লেন তৈরি করে বাহন চালানোর আইডিয়াটি নতুন। 
সুইডেন এ কাজ করছে, কারণ ২০৩০ সালের মধ্যে তারা তেলেচালিত সব যানবাহন রাস্তা থেকে তুলে নিতে চাইছে। পরিবেশ রক্ষার জন্যই এ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার।
 
বৈদ্যুতিক রাস্তার এই পদ্ধতি কাজে লাগাতে পারলে ভবিষ্যতে গণপরিবহনের ক্ষেত্রে পরিবেশদূষণ ছাড়াও অধিক পরিমাণে যাত্রী চলাচলের ব্যবস্থা করা যাবে। 

সহজে গলবে না এমন আইসক্রিম তৈরি করতে পেরেছেন গবেষকরা

সহজে গলবে না এমন আইসক্রিম তৈরি করতে পেরেছেন গবেষকরা
১ সেপ্টেম্বর (রেডিও তেহরান): আইসক্রিম, বিশেষ করে কোণ বা কাঠি আইসক্রিম খেতে যেয়ে গলে হাত চটচটে হয় অনেকেরই। বিশেষ করে এমন অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে শিশু-কিশোররা। এ অবস্থা থেকে মুক্তি দেয়ার পথ খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। সাধারণ তাপমাত্রায় আইসক্রিমের যেন ধীরে ধীরে তার গলে সে পদ্ধতি বের করতে পেরেছেন খাদ্য-গবেষকরা।   আর এমনটি সম্ভব হবে এক জাতের আমিষ প্রয়োগের মাধ্যমে।

এ আমিষের নাম বিএস১এ । কোনো কোনো খাবারে প্রাকৃতিক ভাবেই পাওয়া যায় এ উপাদান। গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন বিএস১এ মিশিয়ে দেয়ার পর  আইসক্রিম গলতে সময় নিচ্ছে। এ ছাড়া, আইসক্রিমের মোলায়েম ভাবও বেড়েছে ।  বিএস১এ আইসক্রিমের বাতাস, পানি এবং চর্বিকে একত্রে বেঁধে রাখে বলে দেখতে পেয়েছেন গবেষকরা। এ ছাড়া, এ উপাদান প্রয়োগ করে আইসক্রিম তৈরিতে ক্যালোরি ও সম্পৃক্ত চর্বির ব্যবহারে পরিমাণও কমানো যাবে।

স্কটল্যান্ডের এডিনবার্গ এবং ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা  বিএস১এ খোঁজ পেয়েছেন। তারা বন্ধু ব্যাকটেরিয়া ব্যবহার করে এ আমিষ তৈরির পদ্ধতিও বের করতে পেরেছেন। খেতে গেলে গলে আইসক্রিমে হাত বা কাপড় নষ্ট হওয়ার ঘটনা অতীতের বিষয়ে হয়ে উঠবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গবেষকরা।#

ভাবনার জোরে ড্রোন পরিচালনা

ভাবনার জোরে প্রথম বারের মতো ড্রোন চালালেন একদল পাইলট
মার্কিন একদল পাইলট এই প্রথমবারের মতো কেবলমাত্র ভাবনার জোরে ড্রোন পরিচালনা করতে পেরেছেন। এ ভাবে ড্রোন পরিচালনার জন্য পাইলটদের মস্তিষ্কের তৎপরতাকে ইলেক্ট্রো এনসেপাফালোগ্রাফি বা ইইজি’র মাধ্যমে ধারণ করা হয়েছে।

ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র এ কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছেন। ইইজি ধারণ এবং তা রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক ভাবে ড্রোন পরিচালনার নির্দেশে অনুবাদের জন্য পাইলটদের মাথায় লাগানো ছিল হেডব্যান্ড। প্রতিটি মানুষের মস্তিষ্ক স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে তাই ড্রোন নিয়ন্ত্রণে পাইলটদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা প্রোগ্রাম তৈরি করতে হয়েছে। ব্রেন ড্রোন রেস নামের এ প্রতিযোগিতায় ১৬ জন পাইলট অংশ নিয়েছেন। আর আয়োজনের মধ্য দিয়ে কেবলমাত্র চিন্তা দ্বারা কাজ করার বিষয়কে বাস্তবের কাছাকাছি নিয়ে আসা হলো।

আয়োজকরা আশা করছেন, অন্যান্যরাও এ জাতীয় গবেষণায় অংশ গ্রহণ করতে এগিয়ে আসবেন। তারাও নতুন এ প্রযুক্তি নির্মাণে সহায়তা করবেন। আর এ ভাবেই ভবিষ্যতে হয়ত অন্য অনেক কাজ কেবলমাত্র চিন্তার মাধ্যমেই সম্পন্ন করা যাবে। এ ভাবেই একদিন হয়ত লেখালেখির কাজও কেবল ভাবনার মাধ্যমেই করতে সক্ষম হবো আমরা। এ জন্য অভ্র বা রিদমিকে কিছু প্রয়োজনীয় সংশেধানী আনতে হবে। আর আমরা মাথায় ইইজির হেডব্যান্ড লাগিয়ে বসে থাকব এবং নি:শব্দে আমাদের চিন্তাকে অক্ষর বন্দি করতে থাকবে কম্পিউটার। শুধু লেখালেখি নয় গাড়ি চালনা থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রেও ভবিষ্যতে এ প্রযুক্তির জয় জয়কার দেখতে পাবো আমরা।#

‘সাইবার হামলা ঠেকাতে চাইছেন?- নিয়মিত পাসওয়ার্ড বদলাবেন না!’

‘সাইবার হামলা ঠেকাতে চাইছেন?- নিয়মিত পাসওয়ার্ড বদলাবেন না!’
ব্রিটিশ সরকারের গোয়েন্দা এবং আড়িপাতার সংস্থা জিসিএইচকিউ বলেছে, সাইবার হামলা ঠেকাতে চাইলে এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে হলে পাসওয়ার্ড নিয়মিত বদল করতে বাধ্য করা উচিত নয়। জিসিএইচকিউ’এর তথ্য প্রযুক্তি শাখা সিইএসজি এ সুপারিশ করেছে।

আর এর মধ্য দিয়ে তথ্য প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে যে নিয়মিত পাসওয়ার্ড বদলের জন্য যে পরামর্শ দিচ্ছিলেন তার বিপরীত মেরুতে অবস্থান নিল এ সংস্থা।

লন্ডনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ব্যাংক, পাবলিক সেক্টর এবং সাইবার বিশেষজ্ঞদের দেয়া ব্রিফিং’এ এ পরামর্শ দিয়েছে জিসিএইচকিউ। এতে বলা হয়েছে, ঘন ঘন পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের ধারা নিরাপত্তা ক্ষেত্র হিতে বিপরীত পরিস্থিতি ডেকে আনছে। এ ছাড়া, যত ঘনঘন পাসওয়ার্ড বদলানো হবে তত বেশি সাইবার হামলার ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হবে বলেও দাবি করেছে জিসিএইচকিউ।

জিসিএইচকিউ, পাসওয়ার্ড বদলাতে বাধ্য করতে নতুন পাসওয়ার্ড পুরানোটার মতোই হয়। এ ছাড়া নতুন পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার একটি ঝুঁকি থাকছেই তাতে উৎপাদনশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অচলাবস্থা দেখা দিতে পারে। এ অবস্থায় নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনে বাধ্য না করার পরামর্শ দিচ্ছে জিসিএইচকিউ।

গত বছর ব্রিটেনের বৃহৎ ব্যবসায়ী সংস্থাগুলোর দুই তৃতীয়াংশ সাইবার হামলার স্বীকার হয়েছে বলে এক জরিপে তথ্য উঠে এসেছে। ব্রিটিশ মন্ত্রীরা এ পরিপ্রেক্ষিতে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানান । তাদের এ আহ্বান কেন্দ্র করে নতুন পরামর্শ দেয় জিসিএইচকিউ।

অনলাইন থেকে এবার টাকা ইনকাম করুন খুব সহজেই

এখন থেকে খুব সহজেই আপনিও আয় করতে পারবেন অনলাইন থেকে,একদিনে ২.৩০ ডলার আয় করতে পারবেন শুধু মাত্র সার্ভে করেই।

তাহলে শুরু করলাম প্রথমেই আপনি http://www.awsurveys.com/?R=6316131 এই ও্য়েব সাইট টিতে চলে যান।
এখন ফ্রী একটি একাউন্ট খুলে নিন
আপনার হোম পেজে কিছু অপশন আসবে যার বাম পাশে ০.৩০ বা ০.৬০ ডলার করে দেখাবে।

কিভাবে টাকা আয় বা সার্ভে করবেন????

প্রথমেই এ্যাড গুলোর উপরে ক্লিক করুন,পেজ লোড হয়ে নিউ একটা পেজ এ নিয়ে যাবে।

সেখানে নিচে একটি কমেন্ট বক্স থাকবে ,
আপনাকে যা করতে হবে সেটা হচ্ছে কমেন্ট বক্স এ আপনার ২ টি সম্পুর্ন বাক্য লিখতে হবে।

এক্সাম্পল ঃ this really nice site.i like it.
                omg its a amazing site.really nice.
 ঠিক এমন কিছুই সম্পূর্ন বাক্য দিয়ে আপনার কমেন্ট করতে হবে।

এবং সাবমিট দিতে হবে।এর পর আবার হোম পেজ এ ফিরে গিয়ে নেক্সট এ্যাড বক্স ক্লিক করে আবার একি কাজ করতে হবে।
এবং এখানে আপনাকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ টি এ্যাড দেও্য়া এবং সেখান থেকে আপনার প্রতিদিন ২.৩০ থেকে ২.৬০ ডলার ইনকাম হবে।
আপনার ১৫ ডলার হলে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।

এখানে রেফারেন্স এলাউ করা হয়েছে আপনার রেফারেন্স এ আরেক জন সাইন ইন করলে আপনি তার টোটাল ইনকাম  থেকে  ৩০ - ৫০% ইনকাম আপনার একাউন্ট এ চলে আসবে ।

এখানে সতর্কী করন করা হচ্ছে কিছু বিষয়ে এই একাউন্ট খুবি সেন্সেটিভ আপনার উলটাপালটা কিছু করার জন্য একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।
একটা পিসি/কম্পিঊটার মোবাইল থেকে  একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন ।

সবাই ভালো থাকবেন ফেসবুকে আমি ,আমাকে ফলো করতে

অনলাইন থেকে এবার টাকা ইনকাম করুন খুব সহজেই

এখন থেকে খুব সহজেই আপনিও আয় করতে পারবেন অনলাইন থেকে,একদিনে ২.৩০ ডলার আয় করতে পারবেন শুধু মাত্র সার্ভে করেই।

তাহলে শুরু করলাম প্রথমেই আপনি http://www.awsurveys.com/?R=6316131 এই ও্য়েব সাইট টিতে চলে যান।
এখন ফ্রী একটি একাউন্ট খুলে নিন
আপনার হোম পেজে কিছু অপশন আসবে যার বাম পাশে ০.৩০ বা ০.৬০ ডলার করে দেখাবে।

কিভাবে টাকা আয় বা সার্ভে করবেন????

প্রথমেই এ্যাড গুলোর উপরে ক্লিক করুন,পেজ লোড হয়ে নিউ একটা পেজ এ নিয়ে যাবে।

সেখানে নিচে একটি কমেন্ট বক্স থাকবে ,
আপনাকে যা করতে হবে সেটা হচ্ছে কমেন্ট বক্স এ আপনার ২ টি সম্পুর্ন বাক্য লিখতে হবে।

এক্সাম্পল ঃ this really nice site.i like it.
                omg its a amazing site.really nice.
 ঠিক এমন কিছুই সম্পূর্ন বাক্য দিয়ে আপনার কমেন্ট করতে হবে।

এবং সাবমিট দিতে হবে।এর পর আবার হোম পেজ এ ফিরে গিয়ে নেক্সট এ্যাড বক্স ক্লিক করে আবার একি কাজ করতে হবে।
এবং এখানে আপনাকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ টি এ্যাড দেও্য়া এবং সেখান থেকে আপনার প্রতিদিন ২.৩০ থেকে ২.৬০ ডলার ইনকাম হবে।
আপনার ১৫ ডলার হলে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।

এখানে রেফারেন্স এলাউ করা হয়েছে আপনার রেফারেন্স এ আরেক জন সাইন ইন করলে আপনি তার টোটাল ইনকাম  থেকে  ৩০ - ৫০% ইনকাম আপনার একাউন্ট এ চলে আসবে ।

এখানে সতর্কী করন করা হচ্ছে কিছু বিষয়ে এই একাউন্ট খুবি সেন্সেটিভ আপনার উলটাপালটা কিছু করার জন্য একাউন্ট সাসপেন্ড হয়ে যেতে পারে।
একটা পিসি/কম্পিঊটার মোবাইল থেকে  একটি একাউন্ট খুলতে পারবেন ।

সবাই ভালো থাকবেন ফেসবুকে আমি ,আমাকে ফলো করতে

Saturday, October 29, 2016

এবার স্মার্টফোনে অ্যাকশন ক্যাম

এ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের প্রিয় এক গ্যাজেটের নাম অ্যাকশন ক্যাম। দুর্দান্ত সব অভিযান কিংবা অভিনব সব স্টান্ট ধারণ করতে এ্যাকশন ক্যামের কোন জুড়ি নেই। কিন্তু কেমন হতো যদি আপনার স্মার্টফোনেই থাকত একটি এ্যাকশন ক্যাম। এ ভাবনা মাথায় রেখেই নতুন স্মার্টফোন নির্মাণ করেছে জাপানী প্রতিষ্ঠান কিয়োসিরা।
তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে এই তথ্য। কিয়োসেরার নতুন এই স্মার্টফোনের নাম ‘ডুরাফোর্স প্রো’। মিলিটারি গ্রেড এই স্মার্টফোনে থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেলের মূল ক্যামেরা। তার সঙ্গে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা এবং মূল ক্যামেরার সঙ্গে থাকছে একটি এ্যাকশন ক্যামেরা, যেখানে থাকছে ১৩৫ ডিগ্রী ফিল্ড-অফ-ভিউ সুপার ওয়াইড লেন্স।
এ্যাকশন ক্যামটি ১০৮০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের ভিডিও ধারণ করতে সক্ষম। একই সঙ্গে সেøামোশন কিংবা টাইম ল্যাপস ভিডিও ধারণ করতে পারদর্শী ডুরাফোর্স প্রোর অ্যাকশন ক্যাম। ডুরাফোর্স প্রো আইপি৬৮ রেটিংপ্রাপ্ত।
এ রেটিংয়ের অর্থ স্মার্টফোনটি সম্পূর্ণ পানি ও ধুলারোধী। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস৭ এবং নোট৭ এই রেটিংপ্রাপ্ত। ডুরাফোর্স প্রো নিয়ে সাড়ে ছয় ফুট পানির নিচে ৩০ মিনিট পর্যন্ত টানা ভিডিও ধারণ করা যাবে। তবে ডুরাফোর্স প্রো স্যামসাংয়ের স্মার্টফোনগুলোর তুলনায় বেশ শক্তপোক্ত। ‘মিলিটারি স্ট্যান্ডার্ড ৮১০জি’ মানদণ্ড মেনে নির্মিত এই স্মার্টফোন উচ্চ তাপমাত্রা, শক এবং চাপরোধী।
তবে স্পেসিফিকেশনের দিকে থেকে স্মার্টফোনটি মাঝারি মানের। ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি পর্দার এই ফোনে রয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৬১৭ প্রসেসর। ২ জিবি র‌্যাম এবং ৩২ জিবি স্টোরেজের এই স্মার্টফোনে থাকছে ৩২৪০ এমএএইচ ক্ষমতার ব্যাটারি। তা ছাড়া কুইক চার্জ ২.০ ও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারের মতো ফিচার থাকছে এখানে। অন্যদিকে পুস-টু-টক (পিটিটি) ফিচার থাকছে এখানে। যার ফলে অন্যান্য পিটিটি স্মার্টফোনের সঙ্গে ওয়াকিটকির মতো কোন মোবাইল েনটওয়ার্ক অপারেটর ছাড়াই কথা বলা যাবে। ডুরাফোর্স মুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ এবং দাম সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।

২০২০ সালের মধ্যেই কি বিলুপ্ত হবে দুই-তৃতীয়াংশ প্রাণী?

ইতোমধ্যেই এই প্রাণীরা বিলুপ্ত
নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের দুটি দল এই অভিমত দিয়েছে যে, ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীতে মেরুদন্ডী যে সকল বন্যপশু আছে তারা বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
১৯৭০ সালের একটি জনসংখ্যা জরিপে এটি উঠে এসেছে।
Living planet Index নামের এই রিপোর্টটি তৈরি করা হয়েছে বিশ্বের বন্যজীব জন্তু বিষয়ক যে সকল ফান্ড রয়েছে তাদের মাধ্যমে। এই জুওলজিকাল সোসাইটি লন্ডনে অবস্থিত। এই গবেষণায় পাওয়া গিয়েছে যে ১৯৭০ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে পৃথিবীর প্রাণিকূল প্রায় ৫৮ শতাংশ কমে এসেছে। এই কমে আসার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে নির্বিচারে প্রাণী হত্যা, তাদের বাসস্থান ধ্বংস করা এবং তাদের প্রজননে বাঁধা দেয়া।
এই গবেষণাটি যে দল পরিচালনা করেছে, তারা দেখেছে যে এই অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে ২০২০ সালের মধ্যেই মেরুদণ্ডী বন্যপ্রাণীরা অচিরেই তাদের জীবনধারণে ব্যর্থ হয়ে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যাবে। তারা প্রায় ১৪,০০০ মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মাঝে এই গবেষণাটি করে। সারা পৃথিবী জুড়েই তাদের কাছে এটি নিয়ে নানা ফলাফল ও তথ্য এসেছে।
তারা বলেছে যে সমুদ্র ও নদীনালায় যেসব মাছেরা আছে, তারাও এই আওতা থেকে মুক্ত নয়। বিশেষ করে নদীর যে প্রাণঈরা রয়েছে তারা বিশেষ হুমকির মুখে।
এই প্রাণীদের যদি বাঁচাতে চাই, তাহলে বেশ কিছু সতর্কতা ও আইন আমাদের মেনে চলতে হবে। পোচার আইনের অধীনে আসতে হবে সবাইকে, নির্বিচারে পশুপাখি হত্যা করা যাবে না, তাদের অভয়ারণ্য ও আবাসস্থল গড়ে দিতে হবে।
হয়ত এমন একদিন আসতে পারে যেদিন আমাদের নামও এই তালিকা থেকে বেশি দূরে থাকবে না!

সূত্রঃ ন্যাশনাল জিওগ্রাফি

পড়া মনে রাখবার জন্য কিছু ছোট ট্রিকস

পড়া মনে রাখতে সমস্যায় ভুগতে হচ্ছে?
আমাদের মধ্যে এমন অনেক আছে যারা কোন কিছু মনে রাখা নিয়ে নানা ধরণের দুশ্চিন্তায় ভুগে থাকেন। যেমন, সামনে কোন পরীক্ষা আসছে, এমন সময় পড়া মনে রাখা খুব জরুরী। কিন্তু কোনভাবেই পড়া মনে থাকছে না। কি করবেন?
নানা ধরণের ইন্টারভিউ কিংবা নানা পরীক্ষার সময় আমাদের অনেক ধরণের পড়া পড়তে হয়। এত পড়া একসাথে মনে রাখবেন কিভাবে? আজ আপনাদের এ লক্ষ্যেই কিছু টিপস দেয়া হল, যার মাধ্যমে আপনারা দ্রুত পড়া মনে রাখতে পারবেন।
১) বার বার পুনরাবৃত্তি করুনঃ
পরীক্ষার সময় মাঝে মাঝে কিছু শিক্ষার্থীদের দেখবেন চোখের সামনে বইটি ধরে অনবরত বিড়বিড় করতে থাকে। এটি মূলত তারা করতে থাকে তাদের যাতে পড়াটা মনে থাকে এজন্য। গবেষকেরা বলেন, কোন কিছু পড়লে তা মনে রাখবার জন্য বার বার পরার কোন বিকল্প নেই। এতে করে পড়াটা আপনার মনে গেঁথে যাবে।
২) একজন সহযোগী সাথে নিনঃ
পড়ার জন্য একজন সহযোগী সাথে নিয়ে নিন। অনেকে একে স্টাডি পার্টনারও বলে থাকেন। একসাথে পড়া করতে থাকলে নানা ধরণের সুফল আপনি পাবেন। আপনার পড়ায় যদি কোন ভুল থাকে বা কোন কিছু যদি শুধরে দেবার দরকার হয়, তাহলে আপনার পড়ার সহযোগী বন্ধু আপনাকে ধরিয়ে দিতে পারবেন আপনার ভুলগুলো। ফলে পড়া আপনার মনে তাজা থাকবে।
৩) পড়ার সাথে সাথে ছোট চিরকুট রাখতে পারেনঃ
মনে রাখবার জন্য বিষয়টি যদি সাথে সাথে লিখে ফেলা যায়, তাহলে খুবই ভালো হয়। মনে রাখবার জন্য পয়েন্ট আকারে ছোট চিরকুট সাথে রাখতে পারেন। তাহলে যখন আপনি তা রিভিশন দিতে যাবেন, তখন তা মনে করতে ভালো হবে।
৪) যা পড়বেন তাই লিখে ফেলুনঃ
লেখার আসলেই কোন বিকল্প নেই। যা পড়বেন তা সাথে সাথে লিখে ফেলুন। পড়া জমিয়ে রাখবেন না।

সূত্রঃ Backstage.com

ওয়াই-ফাই হটস্পট এবং ডিসপ্লে সুবিধার জুতা!

কথায় আছে টপ টু বটম চেঞ্জ। ব্যাপারটাও হচ্ছে তাই। প্রযুক্তি আমাদের টপ টু বটমই চেঞ্জ করে দিচ্ছে।
তারচেয়ে বড় কথা ইদানিং বটমের দিকেই বোধহয় প্রযুক্তিবিদদের ঝোঁক বেশি। কেননা আজকাল জুতোয় আসছে বেশকিছু ভেরিয়েশন।
যেমন, বিখ্যাত স্পোর্টস অ্যাকসেসরিজ নির্মাতা নাইকি সাইন্সফিকশন মুভির অনুকরণে বাজারে এনেছে এমন এক কেডস যা নিজেই নিজের ফিতে বেঁধে নিবে। অর্থাৎ আপনার পায়ের মাপ অনুযায়ী অটোমেটিকভাবে কেডসের ফিতে বাঁধা হয়ে যাবে! যার নাম দেয়া হয়েছে সেলফ লেসিং কেডস।
এর রেশ কাটতে না কাটতেই ভার্জিন আমেরিকা নিয়ে আসলো এমন এক কেডস, যাতে আছে ডিজিটাল অনেক সুবিধা। এমনকি আছে মনিটর বা ডিসপ্লেও, যেখানে ভিডিও চালানো যাবে। আর এটি যেনতেন কোনো জুতা নয়, এতে ব্যবহার করা হয়েছে খুব উন্নত মানের ইটালির সাদা চামড়া। আরো আছে ইউএসবি পোর্ট, ওয়াই-ফাই হটস্পট, রিচার্জেবল ব্যাটারি যা তিন ঘণ্টা পর্যন্ত চার্জ থাকে। এর ইউএসবি পোর্টের সাহায্যে আপনি আপনার মোবাইলে দিতে পারবেন চার্জ।

পিসির স্টার্টআপ প্রসেসের গতি যেভাবে বাড়াবেন

যখন টিভির সুইচ অন করা হয়, তখন ঈষৎ কেঁপে প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে জীবন্ত হয়ে ওঠে টিভি। একইভাবে মোবাইল অন করার সাথে সাথে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কল করার জন্য প্রস্ত্তত হয়। টিপিক্যাল উইন্ডোজ পিসির ক্ষেত্রে দেখা যায় পাওয়ার বাটনে চাপার পর আরম্ভ হতে বেশ সময় নেয়। কিন্তু কেন এত বেশি সময় নেয় তা সাধারণ পিসি ব্যবহারকারীদের অনেকেরই অজানা। এ সময় পিসি অভ্যন্তরীণভাবে কী কাজ করে, তা সাধারণ ব্যবহারকারীরা বুঝতে পারে না। আর এ সত্য উপলব্ধিতে এবারের পাঠশালা বিভাগে উপস্থাপন করা হয়েছে পিসির স্টার্টআপ প্রসেসকে ত্বরান্বিত করার কৌশল ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে।
স্টার্টআপ প্রসেস
পিসির সুইচ অন করার পর পিসি বেশ কিছু কাজ সম্পাদন করে, যা সেল্ফ টেস্ট হিসেবে পরিচিত। এক্ষেত্রে মূলত পিসির গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যেমন প্রসেসর, মেমরি এবং হার্ডডিস্কের উপস্থিতি চেক করে দেখে। এ টেস্টের তথ্য পর্দায় প্রদর্শিত হতে পারে কিংবা ম্যানুফ্যাকচারার লোগোর অন্তরালে লুকানো থাকতে পারে।
এসব কিছু হ্যান্ডেল করা যায় বায়োসের (BIOS-বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) মাধ্যমে। এটি পিসিতে বিল্টইন এবং উইন্ডোজের কোনো কিছুই করার নেই এখানে। এটি কমপিউটারকে সক্রিয় করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে রান করানোর জন্য প্রস্ত্তত হয়, যেমন উইন্ডোজ।
এরপর বায়োস অনুসন্ধান করে হার্ডডিস্কের মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR)। এটিই হলো পিসির সাথে উইন্ডোজের প্রথম সংযোগ বা কনটাক্ট। যখন মাস্টার বুটে রেকর্ড খুঁজে পায়, তখন ক্ষণস্থায়ীভাবে স্ক্রিন ব্লাঙ্ক হয়। যদি উইন্ডোজ লোড হতে আগেই ব্যর্থ হয় বা F8 ফাংশন কী চাপা হয়, তাহলে বুট মেনু আবির্ভূত হবে এবং উইন্ডোজের কাজ এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অফার করে, যেমন Safe Mode এবং Last Known Good Configuration.
এরপর উইন্ডোজ কমপিউটারের মেমরিতে প্রয়োজনীয় ফাইল, ড্রাইভার এবং সেটিং লোড করে নেয় এবং এ সময় পর্দায় বা স্ক্রিনে উইন্ডোজের লোগো আবির্ভূত হয়। এ কাজ শেষ হলে ওয়েলকাম স্ক্রিন পর্দায় আবির্ভূত হয় এবং আপনাকে প্রম্পট করা হতে পারে ইউজার অ্যাকাউন্টে লগঅন করার জন্য। অবশ্য এটি নির্ভর করে উইন্ডোজ কিভাবে সেটআপ করা হয়েছে তার ওপর। যেকোনো ইউজার সেটিং অ্যাপ্লাই করা হলে উইন্ডোজ ডেস্কটপ আবির্ভূত হবে।
স্টার্টআপ প্রসেস এখানেই শেষ, তা নয়। যেকোনো প্রোগ্রাম উইন্ডোজের সাথে চালু করার জন্য এ সময় লোড হয়। যখন উইন্ডোজ লোড হয় তখন সত্যি সত্যি কি ঘটে তা দেখতে চাইলে Windows কী চেপে R চাপুন Run ডায়ালগ বক্সকে পর্দায় প্রদর্শনের জন্য। এ অবস্থায় msconfig টাইপ করে এন্টার চাপুন। এতে System Configuration টুল চালু হবে। Boot ট্যাবে (এক্সপির ক্ষেত্রে BOOT.INI) সুইচ করে ‘OS boot information’-এ নির্দিষ্ট করুন। এরপর পিসি রিস্টার্ট করুন।
গতি বাড়ানো
পিসির সুইচ অন করার পর থেকে উইন্ডোজ কার্যক্ষম হওয়া পর্যন্ত দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। তবে কিছু কৌশল অবলম্বন করার মাধ্যমে এ অপেক্ষাকালকে কমানো যায় ব্যাপকভাবে।
প্রথমে উইন্ডোজ ভিস্তা বা ৭-এর প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিচার বা এক্সপির ‘অ্যান্ড অর রিমুভ প্রোগ্রামস’ চালু করুন কন্ট্রোল প্যানেল থেকে। ইনস্টল করা প্রোগ্রামের লিস্ট পরীক্ষা করুন। যে প্রোগ্রামটি আপনার দরকার নেই, যে প্রোগ্রাম আপনি কখনোই ব্যবহার করেন না, তা রিমুভ করুন। উইন্ডোজ স্টার্টআপের সাথে কোনো প্রোগ্রামকে সেট করা থাকলে, সেগুলোকে রিমুভ করলে স্টার্টআপ প্রসেসের গতি বেড়ে যায়।
পরবর্তী ধাপে খেয়াল করে দেখুন, উইন্ডোজের সাথে আর কোন কোন প্রোগ্রাম চালু হয়। এ কাজটি করতে চাইলে Start All Programs নির্দিষ্ট করে Startup-এ ক্লিক করুন। এক্ষেত্রে লিস্টের কিছু প্রোগ্রাম পিসির জন্য দরকারি হতে পারে, যেমন অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া অন্য প্রোগ্রামকে রিমুভ করা যায়- এতে পিসির ফাংশনালিটিতে তেমন কোনো প্রভাব পড়ে না।
msconfig টুল ব্যবহার করা যায় প্রোগ্রাম ভিউ ও ডিজ্যাবল করার জন্য যেগুলো উইন্ডোজের সাথে চালু হয়। এজন্য ব্যবহার করা যেতে পারে ফ্রি টুল Starter.
হার্ডডিস্ক সুশৃঙ্খল করা
ফাইল ফ্র্যাগমেন্টেশন স্টার্টআপ প্রসেসকে ধীরগতি করতে পারে। যেহেতু প্রতিটি স্বতন্ত্র ফাইল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিক্ষিপ্তভাবে হার্ডডিস্কজুড়ে থাকে, সুতরাং সেই সব ফাইল খুঁজে লোড করতে প্রচুর সময় নেয়। উইন্ডোজের সাম্প্রতিক ভার্সনের একটি টুল সম্পৃক্ত করেছে, যা এক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে। এজন্য Start All Programs Accessories System Tools-এ ক্লিক করে Disk Defragmenter-এ ক্লিক করুন ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট প্রসেস চালু করার জন্য।
অ্যাডভান্স টোয়েক
আরো কিছু উপায় রয়েছে যা প্রয়োগ করা হলে উইন্ডোজের লোডিং সময় বেশ কমে যায়। যেমন উইন্ডোজ লোগোকে ডিজ্যাবল করা, যা অপারেটিং সিস্টেম চালু হবার সময় প্রদর্শিত হয়। এই লোগো ডিজ্যাবল করলে লোডিং সময় কয়েক সেকেন্ড কমে যায়। এ কাজটি করার জন্য নিচে বর্ণিত ধাপ অনুসরণ করতে হবে : msconfig টুলের BOOT.INI বা বুট ট্যাব ওপেন করে এক্সপির ক্ষেত্রে ‘/NOGUIBOOT’ বা উইন্ডোজ ভিস্তা এবং ৭-এর ক্ষেত্রে ‘No GUI boot’-এ টিক দিয়ে Ok করুন এবং পিসি রিস্টার্ট করুন।
একই দৃষ্টিকোণ থেকে বায়োস টোয়েক করা যায়, যাতে স্টার্টআপের সময় সাশ্রয় হয়। অবশ্য এ কাজটি নতুন বা অনভিজ্ঞ ব্যবহারকারীদের জন্য উচিত হবে না। বায়োস টোয়েক করার জন্য পিসি রিস্টার্ট করে বায়োস সেটআপ স্ক্রিনে অ্যাক্সেস করার জন্য নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন। সাধারণত Delete বা F2 কী চেপে। এবার অ্যারো কী ব্যবহার করে কাঙ্ক্ষিত অপশন নেভিগেট করে সিলেক্ট করে এন্টার চাপুন বা বাতিল করার জন্য Escap কী চাপুন বা উপরের লেভেলে চলে যান।
এবার পিসির বুট ডিভাইস সংশ্লিষ্ট অপশনের দিকে খেয়াল করুন বিশেষ করে ‘boot priority’ বা ‘boot order’ ইত্যাদির দিকে। প্রথম ডিভাইস হিসেবে ফ্লপি/সিডি/ডিভিডির পরিবর্তে হার্ডডিস্ককে সেট করুন, যার ফলে বেশ কয়েক সেকেন্ড সময় সাশ্রয় হবে।
কুইক মেমরি টেস্ট চেক করে দেখুন যেন এনাবল থাকে। এতে আরো কয়েক সেকেন্ড সময় বাঁচবে। এ কাজ শেষ হবার পর বায়োস থেকে বের হয়ে আসুন। এরপর যদি পিসি চালু না হয়, তাহলে বায়োসে অ্যাক্সেস করুন এবং অপশন চেক করে দেখে সেভ করুন ও বায়োস থেকে বের হয়ে আসুন।

দুনিয়া পাল্টে দেয়ার ৭ প্রযুক্তি

বিশ্ব পরিবর্তনশীল। আধুনিক বিশ্বের প্রতিটি পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় বিজারক সম্ভবত প্রযুক্তি। তবে প্রযুক্তিবিশ্বের কোনো পরিবর্তনই পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত নয়। আমাদের প্রতিদিনের চাহিদার প্রতি লক্ষ রেখেই যেকোনো ধরনের বড় উদ্ভাবন। বলা যায়, সম্ভাব্য গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার সমাধানই হলো নিত্য-নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন। প্রাযুক্তিক সাফল্যই প্রতিশ্রম্নতি দেয় বর্তমান সময়ের গ্লোবাল চ্যালেঞ্জের সবচেয়ে বড় সমাধান, যা হতে পারে হাইড্রোজেনচালিত জিরো-ইমিশন গাড়ি থেকে শুরু করে মানবমসিত্মষ্কে কমপিউটার চিপ মডেল করা পর্যন্ত সব কিছু। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উদ্ভূত হওয়া ৮ টেকনোলজি এমন সব সুযোগ-সুবিধা হাজির করছে, যা আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার মান উন্নত করবে। এসব টেকনোলজির মধ্যে আছে পাওয়ার উদ্ভাবন, ইন্ডাস্ট্রি ট্রান্সফরমেশন, আমাদের গ্রহের সুরক্ষা দেয়ার প্রযুক্তিসহ বেশ কিছু প্রযুক্তি।
index দুনিয়া পাল্টে দেয়ার ৭ প্রযুক্তি
সম্প্রতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিপ্রবণতার তালিকা সঙ্কলন করতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ইমার্জিং টেকনোলজির মেটা কাউন্সিলের ১৮ জন বিশেষজ্ঞের এক প্যানেল যৌথভাবে চেষ্টা করে। মেটা কাউন্সিলের লক্ষ এসব উদ্ভূত উদ্ভাবনের সম্ভাব্যতা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানো, এসব প্রযুক্তির উন্নয়নে বিনিয়োগের যে ঘাটতি আছে তা কমিয়ে আনা, সাধারণত উন্নয়নকে ব্যাহত করে যে বিধিবিধান তা সহজ করা এবং জনগণের কাছে বোধগম্য করে উপস্থাপন করা।
নেক্সট জেনারেশন রোবটিক্স
প্রোডাকশন লাইন থেকে গুটিয়ে ফেলা
আমাদের প্রতিদিনের জীবনযাত্রার প্রতিটি কাজই করে দেবে রোবট- মানুষের এমন স্বপ্ন দীর্ঘদিনের। এমন রোবট এখনও কারখানার সংযোজন প্রক্রিয়া এবং অন্যান্য কাজের মধ্যে সীমিত। তবে রোবট এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহার হচ্ছে স্বয়ংক্রিয় কারখানাতে। এই রোবটগুলো বর্তমানে মানবকর্মীদের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এগুলোকে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য আলাদা করে রাখা উচিত।
রোবটিক্স টেকনোলজির উন্নয়ন আমাদের প্রতিদিনের জীবনের বাস্তবতায় সৃষ্টি করেছে হিউম্যান মেশিনের সহযোগীরূপে। উন্নততর ও সস্তাতর সেন্সর রোবটকে করেছে অধিকতর বোধক্ষম এবং পরিবেশে সাড়া দেয়ার উপযোগী। রোবট বডি হচ্ছে অধিকতর মানানসই ও নমনীয়। এ ক্ষেত্রে ডিজাইনারেরা অনুপ্রাণিত হন অতিরিক্ত নমনীয়তা ও জটিল জৈব কাঠামো থেকে, যেমন- মানুষের হাত। বর্তমানের রোবটগুলো ক্লাউড কমপিউটিং বিপ্লবের সাথে অনেক বেশি কানেকটেড হওয়ার মাধ্যমে দূর-দূরান্ত থেকে তথ্যে ও ইনস্ট্রাকশনে প্রবেশযোগ্য হয়েছে পুরোপুরি অটোনোমাস ইউনিট হিসেবে প্রোগ্রাম করার পরিবর্তে।
রোবটিক্সের এ নতুন যুগ এই মেশিনগুলোকে বড় ধরনের উৎপাদন প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় ব্যাপক বিস্তৃত কাজে। জিপিএস টেকনোলজি ব্যবহার করে ঠিক স্মার্টফোনের মতো রোবটগুলো যথাযথভাবে ব্যবহার হতে শুরু হয়েছে কৃষিক্ষেত্রে আগাছা নিয়ন্ত্রণ ও ফসল কাটার কাজে। জাপানে পরীক্ষামূলকভাবে নার্সিং স্কুলে ব্যবহার হচ্ছে। এগুলো রোগীদেরকে বিছানার বাইরে সহায়তা দিয়ে থাকে এবং পক্ষাঘাতে শিকার রোগীদের সহায়তা দেয়, যাতে তাদের দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেও নিয়ন্ত্রণ ফিরে আসে। ক্ষুদ্রতর ও অধিকতর নমনীয় ডেক্সটোরাস রোবট বট, ডেক্সটার বট, বেক্সটার এবং খইজ ররধি ইত্যাদিকে ডিজাইন করা হয়েছে সহজে প্রোগ্রামযোগ্য এবং ম্যানুফেকচারিংয়ের কাজ হ্যান্ডেল করার জন্য, যেগুলো মানুষের জন্য শ্রমসাধ্য ও অসুবিধাজনক।
প্রকৃতপক্ষে রোবটগুলো কিছু কাজের জন্য আদর্শ, যেগুলো খুব বেশি পুনরাবৃত্তিমূলক বা মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং মানবকর্মীদের চেয়ে কম খরচে দিনে ২৪ ঘণ্টাই কাজ করতে পারে। বাস্তবতা হলো, নতুন প্রজন্মের রোবটিক্স মেশিন মানুষের সহযোগী হিসেবে কাজ করবে এগুলোকে প্রতিস্থাপন না করে।
রোবটের ক্রমবর্ধমান সম্প্রসারণের আরেকটি উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি হলো মানবকর্মীদের কর্মক্ষেত্র দখল করে নেয়া। যদিও অটোমেশনের আগের জেনারেশনের প্রোডাক্টিভিটি ও ক্রমোবৃদ্ধি ছিল লাভজনক। এক যুগের পুরনো ভীতি ছিল নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত রোবট নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের রোবেরাটিক্স লিঙ্ক ওয়েবে থাকবে। যেহেতু সাধারণ মানুষ গৃহস্থালি কাজে রোবটকে বেশি বেশি করে কাজে লাগাবে। তাই রোবট সম্পর্কিত ভয়ভীতি কমিয়ে রোবটের ভক্ত হয়ে পড়বে সবাই। সামাজিক রোবটের ওপর নতুন গবেষণায় জানা যায়- এরা জানে মানুষের সাথে সহযোগীরূপে কাজ করা যায় এবং মানুষের সাথে মিত্র হওয়া যায়। এর অর্থ হচ্ছে ভবিষ্যতে মানুষ ও রোবট একসাথে কাজ করবে এবং প্রত্যেকে তাদের সেরা কাজটি করবে। তবে যাই হোক, পরবর্তী প্রজন্মের রোবটিক্স এক অভিনব প্রশ্নের জন্ম দেবে যে মানুষের সাথে মেশিনের সম্পর্কের।
বিকাশমান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কী ঘটবে যখন কমপিউটার কাজ জানতে পারবে?
আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিষয়টি আইসিটি জগতে বহুল আলোচিত ও চর্চিত এক বিষয়। সাধারণ মানুষ যেমন সব কাজ নিজের সহজাত বুদ্ধি খাটিয়ে করে থাকে, সেসব কাজ কমপিউটারের মাধ্যমে করার বিজ্ঞানকে সাধারণত আর্টিফিয়াল ইন্টেলিজেন্স বলা হয়। গত কয়েক বছর ধরে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সে। আধুনিক তরুণ প্রজন্মের বেশিরভাগই স্মার্টফোন ব্যবহার করে। এগুলো মানুষের বলা কথা চিনতে পারে বা ইমেজ রিকগনিশন টেকনোলজি ব্যবহার করে এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন কিউই কাজে ব্যবহার হয়। নিজে নিজে চালিত গাড়ি এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ে চলা ড্রোন এখন ব্যাপক বিস্তৃতভাবে ব্যবহারের আগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি পরীক্ষামূলকভাবে বেশ কিছু লার্নিং ও মেমরি টাস্ক সম্পন্ন হয়, যেখানে যন্ত্র মানুষের চেয়ে ভালো কাজ করছে। ওয়াটসন একটি আর্টিফিসিয়ালি ইন্টেলিজেন্ট কমপিউটার সিস্টেম। এটি সম্প্রতি এক ক্যুইজ গেম জিওপারডিতে (Jeopardy) সেরা মানব প্রার্থীকে হারিয়ে দেয়।
স্বাভাবিক হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের তুলনায় আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স একটি যন্ত্রকে বেশি করে সক্ষম করে তোলে পরিবর্তিত পরিবেশ বোঝা ও সে অনুযায়ী সাড়া দেয়ার ব্যাপারে। এআই ধাপকে আরও এগিয়ে নেয় যন্ত্র থেকে সৃষ্টি হওয়া অগ্রগতির সাথে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেখে বিপুল পরিমাণের তথ্য অঙ্গীভূত করে। এর একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো নেভার এন্ডিং ল্যাঙ্গুয়েজ লার্নিং (এনইএলএল) প্রজেক্ট। এটি কার্নেগি মেলন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রকল্প। মূলত একটি কমপিউটার সিস্টেম, যা শুধু লাখ লাখ ওয়েব পেজ থেকে তথ্য পাঠ করে না, বরং ভবিষ্যতে প্রসেসে আরও ভালো পারফরম্যান্সের জন্য পাঠ ও বোঝার সক্ষমতা উন্নত করতে চেষ্টা করে।
পরবর্তী প্রজন্মের রোবটিক্সের মতো উন্নত করা আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রোডাক্টিভিটিকে উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এগিয়ে নেবে, যেহেতু যন্ত্র দায়িত্বভার নেয় বিশেষ কিছু কাজ মানুষের চেয়ে নিখুঁতভাবে করার। সড়ক পরিবহনে স্ব-চালিত গাড়ি দুর্ঘটনা কমিয়ে দেবে। এর ফলে নিহত ও আহতের হার অনেক কমে যাবে। বাস্তবে এমন নজির প্রচুর আছে। কেননা, যন্ত্রে অন্যান্য সমস্যার মতো হিউম্যান এররের সম্ভাবনা নেই। মনোযোগে বিচ্যুতি নেই, নেই দৃষ্টিভ্রমের মতো সমস্যা। ইন্টেলিজেন্স যন্ত্র বিশাল তথ্যের ভা-ারে অনেক দ্রুত ঢুকে যেতে পারে এবং মানুষের আবেগপ্রসূত পক্ষপাতপূর্ণ আসক্তি ছাড়াই সাড়া দিতে সক্ষম হবে। অসুখ-বিসুখ চিহ্নিত করতে চিকিৎসক পেশাজীবীদের চেয়ে ভালো কাজ করতে পারবে। ওয়াটসন সিস্টেম বর্তমানে অনকোলজিতে বিস্তৃত হয়েছে যাতে ক্যান্সার রোগীদের রোগের লক্ষণ ও রোগ চিহ্নিত করাসহ চিকিৎসা সহায়তা দিতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির রয়েছে সুস্পষ্ট কিছু ঝুঁকি। কেননা, এই সুপার ইন্টেলিজেন্ট মেশিন এক সময় মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে, মানবজাতিকে পরিণত করবে ক্রীতদাসে। অবশ্য এমন ঝুঁকি এখনও কল্পিত এবং বাস্তবতার চেয়ে অনেক দূরে হলেও বিশেষজ্ঞেরা এখন থেকে তা গুরুত্বের সাথে নিতে শুরু করেছেন। অধিকতর বাস্তববতা হলো এআই অর্থনীতির পরিবর্তনকে ত্বরান্বিত করে। ইন্টেলিজেন্স কমপিউটার দিয়ে মানবকর্মীদেরকে প্রতিস্থাপন করার মাধ্যমে সৃষ্টি করে সামাজিক অসমতা এবং বিদ্যমান পেশার জন্য এক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। স্বয়ংক্রিয় ড্রোন জায়গা দখল করতে পারে বেশিরভাগ মানব চালককে এবং সেলফ ড্রাইভেন শর্ট-হায়ার স্বল্প সময়ের জন্য ভাড়া করা নিজে চালিত গাড়ি ধীরে ধীরে প্রচলিত ট্যাক্সিকেও প্রয়োজনাতিরিক্ত করে ফেলবে।
সেন্স অ্যান্ড এভয়ড ড্রোন
উড়ন্ত রোবট চেক করবে পাওয়ারলাইন বা সরবরাহ করবে জরুরি সহায়তা
চালকবিহীন অ্যারিয়েল ভেহিকল বা ড্রোন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মিলিটারি ক্যাপাসিটিতে হয়ে উঠেছে এক গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত অংশ। এগুলো বর্তমানে কৃষিতেও ব্যবহার হয় ফিল্মিং এবং অন্যান্য বহুবিধ অ্যাপ্লিকেশনে, যা দরকার হয় সস্তা এবং বিস্তৃত অ্যারিয়েল সার্ভিলেন্সে। তবে যতটুকু সম্ভব এসব ড্রোনে থাকে মানব পাইলট বা চালক, তবে পার্থক্য হলো এসব ক্ষেত্রের পাইলট বা চালক থাকেন ভূমিতে এবং তাদের বিমান চালনা করেন দূর থেকে।
ড্রোন টেকনোলজির পরবর্তী ধাপ হলো এমন মেশিন ডেভেলপ করা, যা নিজে নিজেই উড়তে পারবে, আরও ব্যাপক-বিস্তৃত রেঞ্জের অ্যাপ্লিকেশনে যাবে। এ কাজগুলো যেন সম্পন্ন হয়, সেজন্য ড্রোনকে অবশ্যই স্থানীয় পরিবেশ বোঝার এবং সাড়া দেয়ার সক্ষমতা বা সেন্স থাকতে হবে। তাদের চলার পথে অন্যান্য বস্ত্তর সাথে সব ধরনের সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য উচ্চতা এবং ফ্লাইং ট্রেজেক্টরি পরিবর্তনের সক্ষম হবে। প্রকৃতিতে পাখি, মাছ এবং কীটপতঙ্গ সব একত্রে জড়ো হতে পারে, প্রতিটি প্রাণী প্রতিবেশীদের সাড়া দিতে পারে মুহূর্তের মধ্যে, যাতে কীটপতঙ্গের বা মাছের ঝাঁক একটি সিঙ্গেল ইউনিটে উড়তে বা সাঁতার কাটতে পারে। ড্রোন এ বৈশিষ্ট্যকে ছাপিয়ে যেতে চেষ্টা করছে।
বিশ্বস্ত স্বায়ত্তশাসন এবং সংঘর্ষ এড়িয়ে চলার সক্ষমতার কারণে বিপদসঙ্কুল বা প্রত্যন্ত অঞ্চলের তথ্য সংগ্রহ করা, ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার লাইন চেক করা, জরুরি অবস্থায় মেডিক্যাল সাপ্লাই সরবরাহের মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করতে ড্রোন খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। ড্রোন ডেলিভারি মেশিন তাদের কাঙিক্ষত গন্তব্যের পথ খুব সহজে খুঁজে বের করতে পারে, যা অন্যান্য ফ্লাইং ভেহিকল বা উড়ন্ত যান এবং অন্যান্য প্রতিবন্ধকতায় বেশ গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেয়া হয়। কৃষি ক্ষেত্রে অটোনোমাস তথা স্বায়ত্তশাসিত ড্রোন আকাশ থেকে বিপুল পরিমাণের জমির ভিজ্যুয়াল ডাটা সংগ্রহ করে প্রসেস করে যথাযথ এবং কার্যকরভাবে সার ও কৃষিকাজে ব্যবহার করার জন্য।
ইন্টেল ও অ্যাসেন্ডিং টেকনোলজি ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে প্রদর্শন করে এক প্রোটোটাইপ মাল্টি-কপ্টার ড্রোন, যা নেভিগেট করতে পারে বাধাসমূহ এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে জনগণকে এড়িয়ে যেতে পারে। এ মেশিনে ব্যবহার হয় ইন্টেলের তৈরি রিয়েলসেন্স ক্যামেরা মডিউল, যার ওজন মাত্র ৪ গ্রাম এবং পুরুত্ব ৪ মিমির চেয়ে কম। ড্রোন অপরিহার্যভাবে টু ডাইমেনশনের পরিবর্তে থ্রি ডাইমেনশন অপারেটিং রোবট। রোবটিক্সের এ অগ্রযাত্রার প্রবণতা পরবর্তী প্রজন্মের রোবটিক্সের আগমনকে ত্বরান্বিত করবে।
লক্ষণীয়, উড়ন্ত যান কখনই ঝুঁকিমুক্ত হতে পারে না, হোক না সেগুলো মানুষ বা ইন্টেলিজেন্ট মেশিনের মাধ্যমে পরিচালিত। ড্রোনকে অবশ্যই সবচেয়ে জটিল পরিস্থিতিতে অপারেট করতে হবে বিশ্বস্ততার সাথে।
ডিজিটাল জেনম
যুগের স্বাস্থ্যসেবা, যখন জেনেটিক কোড আপনার ইউএসবি স্টিকে থাকবে
৩২০ কোটি ডিএনএ’র বেজ পেয়ারের প্রথম অনুবর্তিতা মানব জেনম তৈরি করতে কয়েক বছর সময় নয় এবং খরচ হয় ১০০ কোটি ডলার। এখন আপনার জেনম অনুবর্তিত ও ডিজিটাইজ হতে পারে মিনিটে এবং তা মাত্র কয়েক ডলার খরচে। এ ফলাফলকে আপনার ল্যাপটপে ইউএবি স্টিকে ডেলিভার করা যাবে এবং খুব সহজে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার করা যাবে। এ সক্ষমতা দ্রুততার সাথে এবং সস্তায় নির্দিষ্ট করতে পারে আমাদের স্বতন্ত্র ইউনিক জেনেটিক গঠন, প্রতিশ্রম্নতি দেয় অধিকতর পার্সোনালাইজ ও কার্যকর হেলথ কেয়ার।
আমাদের মধ্যে অনেকেরই রয়েছে একগুঁয়ে জেনেটিক কম্পোনেন্ট হৃদরোগ থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হেলথ চ্যালেঞ্জে। প্রকৃতপক্ষে ক্যান্সার হলো সেরা জেনম ডিজিজের উদাহরণ। ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে ডাক্তার রোগীর ক্যান্সার চিকিৎসার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন টিউমারের জেনেটিক গঠনের তথ্যের মাধ্যমে। এই নতুন জ্ঞান অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে চিকিৎসা খাতের উন্নয়নের লক্ষণ বহন করে, বিশেষ করে রোগীদের ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা দেয়। সব পার্সোনাল তথ্যের মতো, এক ব্যক্তির ডিজিটাল জেনমের সেইফগার্ড দরকার প্রাইভেসির কারণে
রিসাইকেলযোগ্য থার্মোসেট প্লাস্টিক
ল্যান্ডফিল ওয়েস্ট কমানোর জন্য নতুন ধরনের প্লাস্টিক
প্লাস্টিক সাধারণত থার্মোপ্লাস্টিক ও থার্মোসেট প্লাস্টিক- এই দুই শ্রেণীর। থার্মোপ্লাস্টিককে গরম করা যায় ও নানা আকার দেয়া যায় এবং আধুনিক বিশ্বে এটি সর্বব্যাপী হয়ে উঠেছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে বাচ্চাদের খেলনা থেকে শুরু করে গোসলখানা পর্যন্ত সবকিছুই। কেননা, এগুলো গলিয়ে নতুন আকার দেয়া যায়। অর্থাৎ থার্মোপ্লাস্টিক রিসাইকেলযোগ্য। পক্ষান্তরে থার্মোসেট প্লাস্টিক শুধু গরম করা যায় এবং একবারই নতুন আকার দেয়া যায়। এরপর মলিক্যুলারের পরিবর্তন বলতে বোঝায়, এগুলো তাদের আকার ধরে রাখে। থার্মোসেট প্লাস্টিক তাদের আকার ও শক্তি ধরে রাখে, এমনকি প্রচ- তাপে ও চাপে।
এই স্থায়িত্বে থার্মোসেট প্লাস্টিক আধুনিক বিশ্বের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং এটি মোবাইল ফোন, সার্কিট বোর্ড থেকে শুরু করে উড়োজাহাজ ইত্যাদি সবকিছুতে ব্যবহার হয়। থার্মোসেট প্লাস্টিকের এই বৈশিষ্ট্যই আধুনিক ম্যানুফেকচারিংয়ে এগুলোকে অপরিহার্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং সেই সাথে এগুলোকে রিসাইকেল করাও অসম্ভব করে ফেলেছে। এর ফলে বেশিরভাগ থার্মোসেট পলিমার প্রতিকূল অবস্থায়ও ল্যান্ডফিল হিসেবে টিকে থাকে।
এ ক্ষেত্রে ২০১৪ সালে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি পরিলক্ষেত হয়। নতুন শ্রেণীর থার্মোসেটিং পলিমার আবিষ্কারের ঘোষণা প্রথম প্রকাশিত হয় ‘সায়েন্স’ জার্নালে, যা রিসাইকেলযোগ্য। পলি হেক্সাহাইড্রোট্রায়োজিন বা পিএইচটি শক্তিশালী অ্যাসিডে দ্রবীভূত হয়, পলিমার চেইনকে ভেঙে মনোমার কম্পোনেন্টে পরিণত করে, যা একত্রিত করতে পারে নতুন পণ্যে। সম্ভাব্য একই অ্যাপ্লিকেশনে এদের অগ্রদূত আনরিসাইকেলে যেতে গতানুগতিক আনরিসাইকেলেবেল থার্মোসেটে এই নতুন স্ট্রাকচার কঠোর তাপ প্রতিরোধক ও কঠিন। যদিও কোনো রিসাইকেলই শতভাগ দক্ষ নয়। এই উদ্ভাবন যদি ব্যাপকভাবে বিস্তার ঘটে, তাহলে?
ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিং
ভবিষ্যতের কারখানা হবে অনলাইনভিত্তিক ও থাকবে মানুষের দোরগোড়ায়
আমরা যেভাবে পণ্য তৈরি ও পরিবেশন করি ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিং সেদিকে দ্রুতবেগে ধাবিত হবে। গতানুগতিক বৃহদাকার উৎপাদনে অরূপান্তরিত উপাদানকে একত্রে আনা হয়, কেন্দ্রীভূত কারখানাতে সংযোজিত ও সজ্জিত করা হয় এবং একটি একই ধরনের পণ্যে পরিণত করা হয়। এরপর সেগুলোকে গ্রাহকের কাছে পরিবেশন করা হয়। ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে অরূপান্তরিত উপাদান এবং ফেব্রিকেশনের প্রক্রিয়া বিকেন্দ্রীকরণ করা হয় এবং চূড়ান্ত পণ্য প্রস্ত্তত হয়, যা চূড়ান্ত গ্রাহকের খুব কাছাকাছি।
ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের বর্তমান ব্যবহার ব্যাপকভাবে নির্ভর করে উওণ ‘সধশবৎ সড়াবসবহঃ’-এর ওপর, যেখানে আগ্রহীরা ব্যবহার করেন তাদের নিজস্ব লোকাল থ্রিডি প্রিন্টার ও স্থানীয় উপাদান থেকে তৈরি পণ্য। ওপেন সোর্স চিন্তাভাবনায় এ ধরনের কিছু উপাদান আছে যেখানে ভোক্তাসাধারণ তাদের প্রয়োজন এবং পছন্দানুযায়ী পণ্যগুলোকে কাস্টোমাইজ করতে পারবে। এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করার পরিবর্তে সৃজনশীল ডিজাইনের উপাদান অধিকতর ক্রাউডসোর্স করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে পণ্য হতে পারে অধিকতর বিবর্তনমূলক বৈশিষ্ট্যের, যেহেতু ভিজ্যুয়ালাইজেশনে প্রচুর লোক নিয়োজিত এবং সেগুলো তৈরি করছে।
ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিং প্রত্যাশা করছে রিসোর্সের ব্যবহার অধিকতর কার্যকরভাবে সক্রিয় হবে, সেন্ট্রালাইজ ফ্যাক্টরিতে ওয়েস্টেড ক্যাপাসিটি কম হবে। প্রথম প্রটোটাইপ এবং পণ্য তৈরি করতে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়, তা কমিয়ে দেয়ার মাধ্যমে মার্কেট এন্ট্রিতে ব্যাটারির খরচ কমিয়ে দেয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে পরিবেশের ওপর সার্বিকভাবে প্রভাব কম পড়ে। ডিজিটাল তথ্য, ফিজিক্যাল পণ্যের মতো স্থল, নৌ বা আকাশপথে সরবরাহ না হয়ে ওয়েবের মাধ্যমে শিপ হয় এবং মধ্যবর্তী উপাদান স্থানীয়ভাবে সোর্স করা হয়। এর ফলে পরিবহনের প্রয়োজনীয় জ্বালানি বা শক্তির ব্যবহার কম হবে।
যদি এটি ব্যাপকভাবে বিস্তৃতি লাভ করে, তাহলে ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিং চূর্ণ-বিচূর্ণ করবে গতানুগতিক শ্রমবাজার এবং অর্থনীতিকে। এতে যথেষ্ট ঝুঁকি আছে। এটি হয়তো দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন। যেমন, মেডিক্যাল ডিভাইস। পক্ষান্তরে অস্ত্রের মতো পণ্য হতে পারে অবৈধ ও মারাত্মক। সুতরাং, ডিস্ট্রিবিউটেড ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের মাধ্যমে সবকিছুই তৈরি করা যাবে না এবং গতানুগতিক ম্যানুফ্যাকচারিং ও সাপ্লাই চেইন এখনও কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল কনজ্যুমার পণ্যের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
নিউরোমরফিক টেকনোলজি
কমপিউটার চিপ, যা হিউম্যান ব্রেনের মতো আচরণ করে
বলা হয়, বিশ্বের যেকোনো ধরনের জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান পাওয়া যায় আধুনিক সুপার কমপিউটারে। এ সুপার কমপিউটারও উন্মোচন করতে পারে না মানব মসিত্মষ্কের জটিল রহস্য। অর্জন করতে পারেনি হিউম্যান ব্রেনের সোফিস্টিকেশন। কমপিউটার হলো লিনিয়ার, ডাটা মেমরি চিপ এবং সেন্ট্রাল প্রসেসের মাঝে হাইস্পিড ব্যাকবোনে সামনে-পেছনে মুভ করে। পক্ষান্তরে ব্রেন সম্পূর্ণরূপে ইন্টারকানেকটেড থাকে কোটি কোটি গুণ বেশি নিবিড়ভাবে লজিক এবং অভ্যন্তরীণভাবে মেমরি ক্রস লিঙ্ক দিয়ে। এর ফলে আধুনিক এ কমপিউটারে পাওয়া যায় ডাইভারসিটি বা ভিন্নতা। নিউরোমরফিক চিপের লক্ষ গতানুগতিক হার্ডওয়্যার থেকে মৌলিকভাবে একটি ভিন্ন উপায়ে তথ্য প্রসেস করা, ব্রেনের আর্কিটেকচারের মতো অনুকরণ করে যাতে ডেলিভার করতে পারে কমপিউটারের চিন্তা ও সাড়া দেয়ার ক্ষমতার।
বছরের পর বছর ধরে গতানুগতিক কমপিউটিং ক্ষমতা ক্ষুদ্রকায় ডেলিভার করছে অনেক বেশি। তবে এ ক্ষেত্রে অচলাবস্থা হলো অবিরতভাবে স্টোর করা মেমরি এবং সেন্ট্রাল প্রসেসরের মাঝে ডাটা শিফটিংয়ের মাঝে। কেননা, প্রসেসর ব্যবহার করে প্রচুর জ্বালানি। সৃষ্টি করে অনাকাঙিক্ষত তাপ, যা উন্নয়নকে আরও সীমিত করে। পক্ষান্তরে, নিউরোমরফিক চিপ হতে পারে আরও অনেক বেশি জ্বালানিসাশ্রয়ী ও শক্তিশালী। এখানে ডাটা স্টোরেজ ও ডাটা প্রসেসিং কম্পোনেন্টকে কম্বাইন তথা যুক্ত করা হয়েছে একই ইন্টারকানেক্টেড মডিউলের ভেতরে। এই বোধশক্তিতে সিস্টেম কপি করে নেটওয়ার্ক করা নিউরন যাদের কোটি কোটি সংগ্রহই মানব মসিত্মষ্ক।
নিউরোমরফিক টেকনোলজি হবে পরবর্তী শক্তিশালী কমপিউটিং ধাপ, যা আরও অনেক দ্রুতগতিতে ডাটা প্রসেসিংকে কার্যকর করবে এবং মেশিন লার্নিং ক্যাপাসিটি বাড়াবে। আইবিএমের মিলিয়ন-নিউরন ট্রুনর্থ (TrueNorth) চিপ আগস্ট ২০১৪-এ আদিরূপে তথা প্রোটোটাইপে উন্মোচিত হয়। এর রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কাজে পাওয়ার ইফেসিয়েন্সি, যা গতানুগতিক সিপিইউ পাওয়ারের চেয়ে শতগুণ ভালো এবং প্রথমবারের মতো হিউম্যান করটেক্সের সাথে অনেক বেশি তুলনা করার যোগ্য। নিউরোমরফিক চিপ অনুমোদন করে অধিকতর ইন্টেলিজেন্ট স্মল-স্কেল মেশিন, যা চালনা করবে পরবর্তী ধাপের ছোট আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স। এটি হবে অনেক কম বিদ্যুৎশক্তি ও ভলিউমের অধিকতর কমপিউট ক্ষমতার মেশিন।