কেউ পুরা পোস্ট না পইরা কোন প্রকার লাইক কমেন্ট না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
হকার সুদি শালা
আজকের টপিক
আমি মেবি ২ দিন আগে একটা পোস্ট দিসি হকার সুদি শালা।এরপর বিভিন্ন জনের ডিফেস এ গিয়েও লিখেছি।এই একি।কথা নিজের বায়োতে দিয়েছি,সাথে টাইমলাইন মেসেজ সব জায়গাতেই।
নানান জন নান রকম মন্তব্য করেছে এটা সেটা বলেছে এই সেই অনেক কিছু।
তা আজ সব ফ্লাস করছি
কেনো এই টা বললাম।
আচ্ছা হ্যাকিং আর সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কি এক জিনিশ, আমার কাছে এক না।
যেখানেই যতবার কথাটা বলেছি হকার বলেছি একটিবার ও হ্যাকার বলিনি।
কেনো বলেন তো??
কারন আমি নিজেই হ্যাকার দের রেস্পেক্ট করি এইজন্য।
যাইহোক এখন কথা হচ্ছে মূল উদ্দ্যেশ্য টা কি এই কথা বলার।
আজ কাল একটা ভেন্ডেড মাস পরে প্রোফাইলে পিক দিয়ে সে হ্যাকার হয়ে যায়।
২ ৪ টা গ্রুপ খেয়ে সে হ্যাকার।আইমিন তাদের কাছে হ্যাকিং জিনিশ টা এই ৪২ কিলোবাইটের ফেসবুক ওয়ালের মাঝেই সিমাবদ্ধ, এবং তাদের জ্ঞ্যান এই অতটুকুই।
আমার পারসোনাল্লি অবশ্য এ বিষয়ে কোন জ্ঞ্যান নেই ধারনাও নেই।
কিছু কিছু মানুষ দের আবার দেখি তারা আইডি হ্যাক।করে নিজেদের হ্যাকার দ্বাবি করে।
আচ্ছা আইডি টা যে হ্যাক।করা হয় সেটাত সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং করে হ্যাক করে অরজিনাল্লি হ্যাক।করে না।
আচ্ছা আমার যতটুকু যানা আছে তাই শেয়ার করছি আইডি হ্যাক এর বেপারে।
১ম এ টার্গেট আইডি থেকে তারা যাস্ট ডেট অফ বার্থ টা জানার চেস্টা করে এনি হাউ।
এরপর।কি করে?
এইবার সোস্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর আসল কাজ।
এইবার অই আইডির নামে একটা কার্ড বানাবে।
এরপর যদি অই আইডিতে মেইল সেট করা না থাকে তবে তো ফেসবুক হ্যাকড লিংক কে যেয়ে অথবা পাস রিসেট এ যেয়ে নিউ মেইল।বসিয়ে সাবমিট করে এরপর ফেসবুক থেকে তাদের মেইল।করা হয় এই আইডির ইউজার হিসেবে একটা প্রুভ দিতে,তখন সেই কার্ড সাবমিট দেয়।কার্ড এপ্রুভ হলে ফেসবুক আইডির পাস রিসেট এর জন্য একটা লিনক দেয় যা ৭ দিন মেয়েদ থাকে এর ভিতরে অই লিংকে যেয়ে পাস চেঞ্জ করতে হবে।
এই একটা পদ্ধতি
২য় পদ্ধতি হচ্ছে সব কাজি সেম কিন্তু এখানে মেইল এড করা থাকলে তখন নিউ মেইল বসানোর সুযোগ পায় না তখন ফেসবুকের কিছু সিকিউরিটি ইমেইল।রয়েছে যেখানে মেইল।করে আইডিটি একসেস নেওয়া হয়।
এটাকেই বলা হয় ফেসবুক।হ্যাকিং যা সম্পূর্ন রূপে ভূল ধারনা।
ফেসবুকের কি কি সিকিউরিটি মেইল এড্রেস আছে তার নাম বলছি
pretending mail
violence maile
photolock mail
access mail etc
এ কটাই।আমার জানা আছে।
আচ্ছা ধরেন আমি ফেসবুকের মেইন আপনি একটা আইডির একসেস চেয়ে রিকুয়েস্ট পাঠাইসেন আমি প্রুভ চাইসি আপনি দিসেন এরপর আমি প্রুভ পেয়ে আপনাকে একসেস দিলাম কারন আমি একটা সিস্টেম আর আমাকে এভাবেই বানানো।হয়েছে ১০০% যাচাই বাছাই করার সুযোগ দেয়া হয়নি।
তাই আমি যাছাইয়ে অক্ষম।
এইবার বলেন হ্যাকিং কি হলো?? এখানে??
সবি তো আমার কাছে চাইলো আর আমি দিলাম এরপর আমাকে দিয়ে দিল।
এইটা যদি হ্যাকিং হয় তাইলে আমি যে হ্যাকিং জানি এটা কি ভুল জানলাম।
ওকে ফাইন।
আমি ভুল।আপনি।রাইট।
এইবার আসুন আরেক কথায় কিছু কিছু মানুষ দের দেখতে পাওয়া যায় যাদের এখানে ওখানে ঘুরে হ্যাকিং এর এক্কটু আধটু শিখে এরপর অন্যকেই জ্ঞ্যান দেয়া শুরু করে।কিন্তু তাকে দিফেস দিতে বলেন সে বলবে আমি দিফেস দেই না আমার ভালো লাগে না।
নয়ত বলবে ভাই হ্যাকিং পারিনা।কিন্তু জ্ঞ্যান প্রদানের সময় এরা বিরাট লিট হ্যাকার বলে যায়।
আবার অনেকেই বলেন শুনি লিট হ্যাকার।
আচ্ছা লিট হ্যাকার বলতে নরমাল্লি সবাই।যেটা যানে সেটা হচ্ছে যে হ্যাকিং এর সব দিক থেকে সব কিছু যানে।ভালো।মানের হ্যাকিং জানে।এটাই আর কিছুই না।
আদো লিট মুলত একটা সাংকেতিক ভাষা।
আর হ্যা হ্যাকিং এর লিট তাকেই বলা হয় যে ওয়েবসাইট হ্যাক থেকে শুরু করে পোগ্রামিং হ্যাক,সফটওয়ার হ্যাক,এনি টাইপ অফ সিস্টেম হ্যাক করতে পারে বা যানে তাকেই লিট হ্যাকার বলে।
আর হুম শো অফ করা নিয়েও কিছু বলি যারা ২ ৪ ৫ টা সাইটে ডিফেস মেরেই নিজেকে হ্যাকার বলে তারা মূলত সো অফি।করে আর অগুলো হ্যাকার না।হকার কিভাবে আরে ভাই ফেবু হচ্ছে শো অফের জায়গা তাই তোমার স্কিল আছে ভালো তুমি জোনে র্যাংকিং করো এমন কিছু করো যেটায় তোমাকে হ্যাকার মানতে বাধ্য হবে।
আমি এমনো ইন্টারন্যাশনাল টিম দেখেছি যাদের ফেসবুক আইডিতে কোন হ্যাকিং ডিফসস এর পোস্ট নাই কিন্তু তাদের টিমের নাম লিখলে জোনে এক একটা মেম্বারের মিনিমাম ১০০০ ডিফেস পাওয়া যায় টিম মেম্বার ১০ জন্য কিন্তু বিডির যে কোন টিম থেকে ডিফেস বেশি।
বেশিরভাগ দেখি ডোমেই ধরে খায়।এরা হচ্ছে হ্যাকার।
আচ্ছা কেউ কি বলতে পারেন ডিফেসিংই কি হ্যাকিং??😑😑😑
না ভাই ডিফেসিং হ্যাকিং এর অংশ মাত্র এরপরেও হ্যাকিং এর জন্য পুরো দুনিয়া পড়ে আছে।
আমাদের সামনে হ্যাকার যা পাই তা সব ডিফেসার পাই।
কই সিস্টেম হ্যাকার আজ পর্যন্ত একটাও পেলাম না।
একজন পোস্ট দিসে কবে যে নাসা হ্যাক করমু😂😂😂
হ্যা ভাই নাসার সাইট হ্যাক করা আর নাসার সিস্টেম হ্যাক করা এক না।
নাসার সিস্টেম হ্যাক করা মানে গোটা নাসাকে হাতে পাওয়া।
আর সাইট হ্যাক করা মানে শুধুমাত্র সাইটের কিছু লিমিটেড ডাটা পাওয়া।
এই সবের সাথে হকার সুদি শালা এর সম্পর্ক কি??
হ্যা ভাই আছে ১ম হচ্ছে অইযে সাইবার স্পেস ফেসবুক টাকে ভাবা আর শুধুমাত্র ফেবু আইডি গ্রুপ পেজ এগুলার একসেস নিয়া নিজেকে হ্যাকার দ্বাবি করা।
২য় ভেন্ডেড মাস্ক লাগিয়ে নিজেকে হ্যাকার ভাবা।
৩য় ২ ৪ টা সাইট ডিফেস দিয়ে নিজেকে ফুল্লি লিট হ্যাকার ভাবা।
৪র্থ ১০ জায়গা থেকে কোন কিছু জেনে সেটাকে উপর্যুপরি ধর্ষন করে পাব্লিক কে জ্ঞ্যান দেয়া
৫ম শুধুমাত্র ওয়েবসাইট হ্যাক টাকেই হ্যাকিং এ ভাবা।
আমার জানা মতে বিডির ৭০% হ্যাকার এর কাছে মেইন হ্যাকিং হলো শুধুমাত্র ডিফেসিং।
আর ফেসবুক ইউজার এর মাঝে ৪৫% এর কাছে মেইন হ্যাকিং হলো আইডি হ্যাক গ্রুপ হ্যাক।
আরো আছে এখানেই শেষ না।
ফেসবুক স্পামিং এ বলি যারা স্পামিং করেন তারা প্লিজ মাইন্ড করবেন না আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
আচ্ছা আপনারা আপনাদের মেইল বক্স এ কি স্পাম বক্স দেখেছেন?
ওটা কেন দেয়া বলতে পারবেন?🐸🐸
আচ্ছা আমি যা জানি সেটাই বলছি।
স্পামিং বা স্পাম বক্স টা দেয়া কোন বিরক্তিকর অপ্রয়োজনীয় জিনিশ ফেলে দেয়ার জন্য।
আরো আছে কাউকে ধোকা দেয়া।
কপি করা।
বোকা বানানো এসব ও বুঝায়।
অনেকেই মেইল স্পুফিং কি সেটা জানেন।
সেটা হচ্ছে কাউকে বোকা বানানোর জন্য তার মেইলেই বা নামিদামি কোন নাম ইউজ করে মেইল দেয়া।
যাইহোক কোন কিছুই ক্ষতিকর দিক টা কে সামনে রেখে পিছনে থেকে কাজ করাটাই মুলত স্পামিং।
কিন্তু ফেবুতে যার আইডি খাচ্ছে বা গ্রুপ খাচ্ছে এটা কি স্পামিং?
একদিকে স্পামিং আবার হ্যাকিং এর ভাষায় না।
যাইহোক মুলত হকার সুদি শালার মুল উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে এটা অই সকল হকার দের জন্য যারা ফেসবুক টাকেই হ্যাকিং মনে করে শো অফ করে ফেবু রিপোর্টিং কে স্পামিং বলে, ফেবু হ্যাক কেই হ্যাকিং ধরে ২,৪ টা ডিফেস মেরেই লিট হ্যাকার হয়,অল্প মুখস্ত বিদ্যা নিয়েই হ্যাকিং গড সাজে,পাব্লিকরে আলগা ফাপড়ে রাখে এগুলার জন্যই হকার সুদি শালা
যাইহোক ভালো থাকবেন সল্প জ্ঞ্যানে লিখা ভূল হতেই পারে কারন আমি মানুষ।
আর হ্যা কোন ঝগড়া বিবাদে যাবেন না এই পোস্ট নিয়ে।
আমার আইডিও খাওয়ার দরকার নেই কারন আমি সাধারন আমজনতা।
নিচে কিছু স্ক্রিনশট দিবো সেগুলো দেখলে কিছুটা বিনুদুন পাবেন মানুষের চিন্তা ধারা হ্যাকিং নিয়ে কোথায় গেসে।
আর ভাই আরেকটা কথা আমি সত্যি বলতে আসছি ফেমাসিটি সেক করতে আসিনি।
আর সম্মান যার দেয়ার সে নিজেই দিবে সম্মান কখনো চেয়ে পাওয়া যায় না।আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে সম্মান দিবেন নাইলে গালি দিবেন
এতে আমার কিছুই আসে যায় না।
আরেকটা কথা ভাই এনোনিমাস হ্যাকার এরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করে পুলিশের ভয়ে অন্য দেশে ডিফেসিং করে না।আরেকটা কথা হতে পারি আমি বড় বা ছোট কিন্তু আমি সবার সাথে হাসিখুশি ফ্রেন্ডলি রিলেশনশিপ রাখতে চাই কোন ভাবওয়ালা সিনিয়র হতে চাইনা আবার নাছোরবান্দা জুনিয়ার ও না।
যাইহোক আজকের মত বাই
আল্লাহ হাফিজ