ক্ষেত্র-১
যদি আপনি ICQ Messenger এ চ্যাট করেন আর সেখানের কারও অবস্থান জানতে চান তাহলে এ পদ্ধতিটি কাজে লাগান। ICQ Messenger এর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি->আপনার বন্ধু->আপনি) এইভাবে। তাই কারও আইপি সংগ্রহ করা এক্ষেত্রে খুব সহজ কাজ। মনে করুন আপনি কারও আইপি জানতে চাচ্ছেন তাহলে তাকে হিট করুন কিন্তু চ্যাটিং শুরু করবেন না। এবার Start->Run->cmd->netstat -n এন্টার দিন। যে আইপিগুলো আসবে তা কোন রাফ কাগজে লিখে রাখুন। এবার আপনি তার সাথে চ্যাটিং আরম্ভ করুন। আবার Start->Run->cmd->netstat -n এন্টার দিন। এবার আপনি সেখানে নতুন একটি আইপি দেখতে পাবেন। আর এই ব্যাক্তির সাথেই আপনি এখন চ্যাটিং এ ব্যাস্ত। এবার কিভাবে তার অবস্থান বের করবেন তা নিশ্চয়ই আর বলে দিতে হবে না।
ক্ষেত্র-২
.::: Yahoo Messenger, MSN Messenger, GTalk Messenger এর ক্ষেত্রে :::. উপরোক্ত মেসেন্জারগুলোর কাজ করার ধরন হচ্ছে (আপনি-মেসেন্জারের সার্ভার-আপনার বন্ধু) এইভাবে। এখানে যদি আপনি ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি কাজে লাগান তাহলে আপনি মেসেন্জারের আইপি পাবেন, ব্যাক্তির না। এইক্ষেত্রে আপনি চালাতে পারেন সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। যদিও এটা নিয়ে পরবর্তী অধ্যায়ে আলোচনা হবে তথাপি এখানে কিছু পরিচিতি দেয়া হচ্ছে। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং হচ্ছে কাউকে বোকা বানিয়ে তাকে হ্যাকিং করা। আর এই মেসেন্জারের ক্ষেত্রে (মনে রাখবেন অধিকাংশ মেসেন্জারই এই কাজটি করে থাকে) আপনি আপনার সাথে চ্যাটিংকৃত ব্যাক্তিটিকে বলুন আপনার কাছে কোন ফাইল পাঠাতে বা তাকে আপনি কিছু পাঠাতে পারেন, সেটা হতে পারে কোন ছবি বা আপনার ছবি। যদি সে রাজি হয় তাহলে ক্ষেত্র-১ এর পদ্ধতি চালিয়ে যান। যখন আপনি তার সাথে চ্যাটিং করবেন তখন আপনি অতিরিক্ত যে আইপি এড্রেসটি দেখতে পাবেন সেটি হচ্ছে মেসেন্জারের আইপি আর যখন সে আপনার কাছে কোন কিছু পাঠাবে তখন আরেকটি নতুন আইপি দেখতে পাবেন, সেটি হচ্ছে তার আইপি। এছাড়াও আরও একটি উপায় আছে তা হল, আপনি তাকে আপনার কাছে একটি মেইল পাঠাতে বলতে পারেন। যখনই সে মেইল পাঠাবে আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালিয়ে যান যা আগে বলা হয়েছে। কোন প্রশ্ন?
ক্ষেত্র-৩
.::: Meebo, Gigsby, Trillion ইত্যাদি মাল্টি চ্যাটিং ইন্জিনের ক্ষেত্রে :::. এক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি নেই। শুধু এতটুকুই করা যায় তা হল আপনি বলতে পারেন আপনাকে মেইল করতে আর আপনি রিডনোটিফাই পদ্ধতি চালাতে পারেন। আসলে কারও আইপি পাওয়া তেমন কঠিন কাজ নয় আর এটা তেমন বড় ধরনের কাজও নয়। আইপি এড্রেসের ব্যাপারে বলতে গেলে অনেক কথা বলতে হয়। আইপি এড্রেস রয়েছে বিভিন্ন ধরনের। আবার সেখানে সাবনেট আইডি এবং হোস্ট আইডি নামক ব্যাপার রয়েছে। এছাড়াও আপনি একটি ওয়েবসাইট শুধু আইপি এড্রেস লিখেই প্রবেশ করতে পারেন যদিও সেখানে হেক্সা ট্রান্সফার এবং কোস্ট্রা ট্রান্সফার নামক ব্যাপার থেকেই যায়। কিন্তু বিশ্বাস করুন এতকিছু এখন আর আপনার করা লাগবে না। আপনি শুধুমাত্র একটি কমান্ডের সাহায্যেই আপনার আইপির নারিনক্ষত্র বের করতে পারবেন। পদ্ধতিটি অনুসরন করুন। Start->Run->cmd->ipconfig/all এন্টার চাপুন। সকল তথ্য এখন আপনার সামনে চলে আসবে। এছাড়াও inconfig/series কমান্ডটিও ব্যবহার করা যায় তবে netstat -n এটিই প্রসিদ্ধ। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং শুধুমাত্র ইন্টারনেট জগতের সাথেই যুক্ত নয় বরং তা আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার সাথেও জড়িত।আপনি কোন মেয়ের সাথে দু-নম্বরি (সহজ বাংলা ব্যবহার করলাম-কিছু মনে করবেন না) করলে সেটা হবে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। নিজের কাযোর্দ্ধারের জন্য অপরের কাছে মিথ্যা বললে সেটাও হবে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। মূলত নিজের কাযোর্দ্ধারের জন্য অপরের কোনরূপ ক্ষতিসাধন করাকেই বলে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। আপনার বন্ধুর অর্কুট একাউন্ট হ্যাকিং করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক করেই সাধারন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরদিয়েই আপনি হ্যাক করতে পারেন। কারন মানুষ ঐসকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয়, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারন তো আছেই এমনকি অনেক গোপন তথ্যও জানেন, তাই নয় কী? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যখন টেলিফোন প্রথম আবিষ্কৃত হল তখন বিশ্বের প্রথম হ্যাকার টেলিফোনের ব্যবহারবিধি খুব ভালোভাবে পযবের্ক্ষন করল। সে দেখল যে যখন আমরা কাউকে কল দেই তখন এই কলটি প্রথমে টেলিফোন অফিসে যায় পরে কাঙ্খিত ব্যাক্তিটির কাছে যায়। তখন হ্যাকার কিছু চকলেট তৈরী করে তার পকেটে রাখল সাথে রাখল একটি বাশি। সে এই বলল যে, চকলেটের সাথে এটা একটি গিফ্ট। এবার মানুষেরা এবং তাদের বাচ্চারা বাশিগুলো দ্বারা সুর তুলতে লাগল যার ফলে সৃষ্টি হল একধরনের তরঙ্গ, যা টেলিফোন সার্ভারের তরঙ্গের মত। এটাই পরবর্তীতে হ্যাকারদের সারাবিশ্বে বিনামূল্যে কল করতে সাহায্য করল। সম্পূর্ণ প্রকৃয়াটি লক্ষ করুন। সে শুধু নিজের চিন্তা কাজে লাগাল এবং একটি ছোট বাশি তৈরী করল। তাহলে দেখুন সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং খুবই গুরুত্বপূর্ন। আপনি কোন কিছুকে বড় করতে হলে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং এর সাহায্য ব্যাতিত সম্ভব নয়। আপনার বন্ধুর অর্কুট একাউন্ট হ্যাকিং করতে চাইলে Forget password এ ক্লিক করেই সাধারন কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরদিয়েই আপনি হ্যাক করতে পারেন। কারন মানুষ ঐসকল জায়গায় কিছু সাধারন প্রশ্নই বেছে নেয়, আর আপনি আপনার বন্ধুর সাধারন তো আছেই এমনকি অনেক গোপন তথ্যও জানেন, তাই নয় কী? তাহলে দেখা যাচ্ছে এখানে সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের শক্তিশালী সংজ্ঞা
মানুষ কতৃক ভার্চুয়াল জগতে অযাচিত কাজ যেমন কোন কর্পোরেট অফিসের নেটওয়ার্কে প্রবেশ, তাদের অনলাইন সিকিউরিটি, ফায়ারওয়াল, একাউন্ট ইত্যাদি নিবিড়ভাবে পযবের্ক্ষন করে তাতে আক্রমন করা। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যারের সাহায্য নেয়া যায় বা নিজের বানানো কোন হার্ডওয়্যার বা কোডিংও কাজে লাগানো যায়। মনে করুন আপনার ইমেইলে এল এরকম একটি বার্তা যে, Congrats! You have got 100000 free visitor, CLICK HERE for withdraw. এভাবে প্রতিদিন সমগ্র বিশ্বে হাজার হাজার মানুষ তাদের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনলাইনে জমা দিচ্ছে আর হ্যাকিংয়ের শিকার হচ্ছে। সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং নিম্নোক্ত কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। –>impersonation —>posing as imp. user —>3rd person approach —>technical support
কম্পিউটার ভিত্তিক সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং
নিচের কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। –>mail/im attachments –>pop up windows —>sweepstakes —>spam mail এই অধ্যায়ের এখানেই সমাপ্তি। মনে রাখবেন কোন কাজ করার আগে এর সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিংয়ের ব্যপারটি খুব ভালোভাবে অনুধাবন করা উচিত। যখন আমরা কারও ইমেইলে কোন কিছু পাঠাই এবং সে যদি কিছু পাঠায় সেটাই সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং। আর এভাবেই আমরা সোস্যাল ইন্জিনিয়ারিং কাউকে ট্রোজান বা কী-লগার পাঠাতে ব্যবহার করব। আপনারা বোধহয় ভাবছেন হ্যাকিংয়ের সাথে আবার এসইও’র সম্পর্ক কী? এসলে এসইও’র সাথে এসইওর রয়েছে এক গভীর সম্পর্ক। সম্পূর্ণ টিউনে আমি তা বলার চেষ্টা করব। এসইও আপনাকে ঠিক ঐ তথ্যটিই দিবে যা মূলত আপনি গুগল থেকে জানতে চেয়েছিলেন। মনে করুন আপনি গুগল থেকে একটি তথ্য জানতে চান কিন্তু গুগল আপনাকে ঐ টপিকটির উপরই ১০০০০ এর অধিক তথ্য উপস্থাপন করবে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে সঠিক তথ্যটি খুজে পাওয়া খুব কঠিন তাই না? এসইও আপনাকে এই কাজটিই সঠিকভাবে করে দেবে। তাহলে শুরু করা যাক। আমি একটি সাইটের লিংক দিচ্ছি। http://www.mahedi.info উপরোক্ত লাইনটিতে ক্লিক করলে আপনি একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। সেই ওয়েবসাইটটির শিরোনাম হচ্ছে .:: The Official Site of Mahedi Hasan ::. নীল রংয়ের যে লাইনটি উপরে দেখতে পাচ্ছেন সেটিকে বলা হয় (URL = Uniform Resource Locator)আর ওয়েবসাইটটির ভেতর যত তথ্য বা উপাত্ত আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেগুলো হচ্ছে ‘TEXT’. এখন মনে করুন আপনি গুগলে কিছু সার্চ করবেন বা খুজবেন। ধরি আপনি কোন ফোরাম খুজবেন। সেটা হতে পারে হ্যাকিং ফোরাম। তাহলে গুগলের সার্চ বক্সে লিখুন inurl:forum অর্থাৎ আপনার টপিক যা ই হোক না কেন আপনি সেটাই লিখে সার্চ দিতে পারেন। inurl:আপনার কাঙ্খিত বিষয়বস্তু আপনি যদি text বা কোন লেখা বা কোন শব্দকে টপিক হিসেবে ধরে সার্চ দিতে চান তাহলে লিখুন Intext:আপনার কাঙ্খিত বিষয়বস্তু আমি জানি আপনারা অনেকেই এসব বিষয়ে একেবারে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু আমি লিখছি আমার মত নতুনদের জন্য। আর একটা জিনিস তা হচ্ছে, আপনাকে এসইও বুঝতে হবে, তা না হলে কোন ওয়েবসাইট হ্যাকিংয়ের সময় এসকিউএল ইন্জেকশন এর ক্ষেত্রে, ইন্টারনেটে ক্রাক ইত্যাদি খোঁজার ক্ষেত্রে আপনাকে অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে। আশা করি বুঝতে পারছেন এসইও কেন গুরুত্বপূর্ণ। এখন নিচে আমি যা লিখছি সেগুলো একটু অধ্যায়ন করুন। অবশ্যই ইন্টারনেটে। মনে করুন আপনি Hacking Technique এই বিষয়ে কিছু খুঁজতে চান। তাহলে গুগলে লিখুন intitle:hacking technique যদি আপনি কোন ওয়েবসাইটের লগইন পেস খুঁজতে চান তাহলে লিখুন intext:login inurl:website address এখন যদি আপনি কোন নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের কোন তথ্য খুঁজতে চান তাহলে লিখুন site:ওয়েবসাইটের সম্পূর্ন URL এবং আপনি যে তথ্যটি চান তা লিখুন এখন যদি আপনি কোন pdf ফাইল খুজেঁ দেখতে চান তাহলে লিখুন Filetype:pdf আপনার ফাইলের বিষয় উপরে pdf এর জায়গায় আপনি doc, xls, csv ইত্যাদিও লিখতে পারেন।
No comments:
Post a Comment