েব সার্ভারে অবস্থিত ওয়েবসাইট এ অনধিকার প্রবেশ করে সেই ব্যবস্থার নিরাপত্তা ছিদ্র সাইটের মালিকের দৃষ্টিগোচর করার জন্য সাইটে তার নিজের যে পেজ সাইটের মূল পেজের সাথে পরিবর্তন করে,তাকেই ডিফেসিং বলে(এই সম্পূর্ণ পদ্ধতিকে)
যে পেজটি আপলোড করে,তাকে ডিফেস পেজ বলে।
তো,হ্যাকিং করে যেমন ডিফেসিং করা সম্ভব,তেমনি হ্যাকিং না করেও ডিফেসিং করা সম্ভব।
একজন হ্যাকার যদি সাইটের সকল ফাইলের পরিবর্তন,মুছে ফেলার অধিকার পায়,তবে তা হ্যাকিং এর পর্যায়ে পড়ে।
আর,এমনও কিছু পদ্ধতি আছে যার সাহায্যে যে কেউ ওয়েবসাইট এর একটি নির্দিষ্ট ডাইরেক্টরিতে ফাইল আপলোড করতে পারে।সেই সব ক্ষেত্রে তাকে শুধু ডিফেসিং বলা হবে।
এখন,ফাইল আপলোডের জায়গায় যদি সে শেল(শেল হচ্ছে এক বিশেষ কোডিং যা একজন হ্যাকারকে ওয়েবসাইট এর মূল কন্ট্রোল প্যানেলের মতো সুযোগ সুবিধা দেয়।এর সাহায্যে হ্যাকার সাইটের সবকিছু পরিবর্তন করতে পারেন।) আপলোড করা হয় এবং তা কার্যকরী হয়,তবে তা হ্যাকিং এর পর্যায়ে পড়বে।
শুধু ডিফেস পেজ আপলোড করাকে ডিফেসিং এবং শেল আপলোড করে ডিফেস করাকে হ্যাকিং+ডিফেসিং বলে।
ডিফেস পেজ html,asp,php,text,jpg,gif ইত্যাদি ফরম্যাটে হতে পারে।
তো,আশা করছি যে,এই পোষ্টটি যারা পড়েছেন তাদের এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেছে।
লিখাঃ ওয়াক্স ভ্যাম্পায়ার
যে পেজটি আপলোড করে,তাকে ডিফেস পেজ বলে।
তো,হ্যাকিং করে যেমন ডিফেসিং করা সম্ভব,তেমনি হ্যাকিং না করেও ডিফেসিং করা সম্ভব।
একজন হ্যাকার যদি সাইটের সকল ফাইলের পরিবর্তন,মুছে ফেলার অধিকার পায়,তবে তা হ্যাকিং এর পর্যায়ে পড়ে।
আর,এমনও কিছু পদ্ধতি আছে যার সাহায্যে যে কেউ ওয়েবসাইট এর একটি নির্দিষ্ট ডাইরেক্টরিতে ফাইল আপলোড করতে পারে।সেই সব ক্ষেত্রে তাকে শুধু ডিফেসিং বলা হবে।
এখন,ফাইল আপলোডের জায়গায় যদি সে শেল(শেল হচ্ছে এক বিশেষ কোডিং যা একজন হ্যাকারকে ওয়েবসাইট এর মূল কন্ট্রোল প্যানেলের মতো সুযোগ সুবিধা দেয়।এর সাহায্যে হ্যাকার সাইটের সবকিছু পরিবর্তন করতে পারেন।) আপলোড করা হয় এবং তা কার্যকরী হয়,তবে তা হ্যাকিং এর পর্যায়ে পড়বে।
শুধু ডিফেস পেজ আপলোড করাকে ডিফেসিং এবং শেল আপলোড করে ডিফেস করাকে হ্যাকিং+ডিফেসিং বলে।
ডিফেস পেজ html,asp,php,text,jpg,gif ইত্যাদি ফরম্যাটে হতে পারে।
তো,আশা করছি যে,এই পোষ্টটি যারা পড়েছেন তাদের এই বিষয়গুলো সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেছে।
লিখাঃ ওয়াক্স ভ্যাম্পায়ার
No comments:
Post a Comment