Facebook massage

Saturday, October 21, 2017

Friday, August 4, 2017

শতাধিক প্রাণ কেেড়ে নয়া এক অনলাইন গেমস এর নাম "ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম" !

দিন যত এগুচ্ছে পৃথিবী তত ডিজিটাল হচ্ছে। আর তারসাথে পাল্লা দিয়ে উন্নত হচ্ছে প্রযুক্তি।

আগে যেখানে ছেলেমেয়েরা সময় কাটানোর জন্য বাড়ির মানুষের সাথে বসে আড্ডা দিতো অথবা খেলার মাঠে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতো এখন সেরকম দৃশ্য খুবই বিরল।

কারন এখন সবাই সময় কাটানোর জন্য বেছে নিয়েছে অনলাইন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো।

আর কেউ কেউ মাঠে খেলার বদলে বেছে নিয়েছে অনলাইনই  গেমস্।

জ্বি আজ আমরা সেই রকমই একটি গেমস্ নিয়ে কথা বলবো। শুরুতেই বলে নিই গেমস্ টির নাম " ব্লু হোয়েল " (Blue Whale) বা অনেকে বলে থাকেন "ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেমস্"  (Blue Whale Suicide Game)।

Blue Whale Suicide Game


প্রথমে জেনে নিই গেমস্ টির নামকরন সম্পর্কে।

ব্লু হোয়েল গেমস্ এর "ব্লু হোয়েল" অংশটি নামকরন করা হয় সমুদ্রের নীল তিমির নাম অনুযায়ী (blue whale এর বাংলা নীল তিমি)।
যেহেতু নীল তিমি হচ্ছে আত্তহত্যার প্রতীক এবং গেমস্ টির গেমারদেরও সর্বোশেষ পরিনতি অাত্তহত্যা তাই এর গেমস্ টির নাম "ব্লু হোয়েল বা ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেমস্"।

ব্লু হোয়েল
  গেমসটি তৈরি হয় রাশিয়াতে এবং বর্তমানে তা অনেকগুলো দেশে ছড়িয়ে গেছে!

গেমস্ টি কিভাবে খেলে?

ব্লু হোয়েল গেমস্ টিতে রয়েছে ৫০ টি লেভেল যা গেমার্সকে ৫০ দিনে খেলতে হবে।
তবে শুনতে সহজ হলেও কাজে ততটা সহজ নয়। আর এর লেভেলগুলো এতটাই কস্টকর যে সবাই এগুলোকে আত্তনির্যাতনমূলক লেভেল বলে।
আর বলবেইনা কেন? কিছু লেভেলে গেমার্সকে এমনই সব কাজ করতে হবে যা সত্যিই ভয়ংকর এবং শরীর শিউরে উঠার মত। যেমন : শরীরে ৫০ টি সুই ঠুকিয়ে দেয়া, হাত কেটে ক্ষতবিক্ষত করে ফেলা ইত্যাদি। এবং সর্বশেষ (৫০ তম)  লেভেল হচাছেআত্তহনন বা আত্তহত্যা।


নীল তিমির আকারে হাত কেটে  গেম পেজে পোস্ট দেয়া একটি ছবি


এখন আপনার মনে সহজেই প্রশ্ন উঠতে পারে কোন মানুষ কেন এমন পাগলামি করবে? কেনইবা নিজের শরীর নিজে ক্ষতবিক্ষত করবে?

শরীরে নিডল ঢুকিয়ে গেম পেজে পোস্ট করা ছবি


তাহলে আপনার প্রশ্নের উত্তর শুনুন। গেমস্ টার প্রথম কয়েকটি লেভেল হবে অনেক মজাদার, যেমন আপনাকে ভোর ৪ টায় উঠে পড়তে বসতে হবে, রাত ২:৩০ এ উঠে ভূতের Horror Movi দেখতে হবে,  গভীর রাতে একা একা হাটতে হবে ইত্যাদি। যার ফলে একজন গেমার সহজেই আকৃষ্ট হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে লেভেলগুলোও কঠিন হতে থাকে।
 এবং গেমস্ টির বিশেষ একটি নিয়ম হচ্ছে প্রতিটা লেভেল শেষ করে সেই লেভেলে করা কাজগুলো গেমের নির্দিষ্ট পেজে পোস্ট দিতে হবে এবং আপনি লেভেলটি জয়ী হলে আপনাকে পরবর্তী লেভেলের কাজ দেয়া হবে।

আপনিও গেমসটাকে দেখে নিবেন?

উপরের সবকিছু পড়ে অনেকের মনেই একটা জিনিস ঘুরছে আর সেটা হচ্ছে আমিও খেলবো দেখি কি করতে পারে আমাকে ?
স্বাভাবিক ভাবেই এ প্রশ্ন সবার মনেই আসবে। কিন্তু আসলেইকি আপনি তেমনটা করতে পারবেন?  উত্তর হচ্ছে না।
কারন, আপনি যদি একবার গেমস্ টা ইনস্টল ( install ) করে ফেলে তবে সেটা আপনাকে খেলতেই হবে!
কেন জানেন?  কারন গেমস্ টা একবার ইনস্টল (install) দিলে সেটা আর সহজে  মুছে ফেলা বা আন ইনস্টল (Uninstall) কার যায় না। জ্বি এমনটাই জানিয়েছে বিশ্লেষকরা।

ব্লু হোয়েলের একটি দৃশ্য


তার উপর গেমস্ টা একবার installe দেয়ার পর আপনাকে হাজার হাজার নোটিফিকেশন দিবে যার ফলে একটা সময় আপনাকে বাধ্য হয়ে গেমস্ টাতে ঢুকতেই হবে। আর একবার ঢুকা মানে আকৃষ্ট হয়ে পড়া এবং আকৃষ্ট হওয়া মানে নিশ্চিত আত্তহত্যা।

গেমটির জন্য যত মৃত্য! 

সাম্প্রতিককালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে একাধিক দুর্ঘটনা এবং আত্মহত্যার ঘটনায় নাম জড়িয়েছে ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’ নামের এই সোশ্যাল গেমিং-এর। এক পরিসংখ্যানগত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, গত তিন মাসে রাশিয়া এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোট ১৬ জন তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। এতো কম সময়ের মধ্যে এত জন অল্পবয়সী মেয়ের আত্মহত্যার ঘটনা বিস্মিত করেছিল পুলিশকেও। এদের মধ্যে সাইবেরিয়ার দুই স্কুলছাত্রী য়ুলিয়া কনস্তান্তিনোভা (১৫) এবং ভেরোনিকা ভলকোভা (১৪) একটি বহুতলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে বলে পুলিশ রিপোর্ট থেকে জানা যায়। তদন্তকারী অফিসারদের তখন মনে হয়েছিল, এই সমস্ত আত্মহনন হয়তো বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়, হয়তো কোনও গোপন যোগসূত্র রয়েছে এদের মধ্যে। মৃত্যুর পূর্বে য়ুলিয়া তার সোশ্যাল পেইজে একটি তিমির ছবি
পোস্ট করে লিখে যায় ‘সমাপ্ত’। তদন্তে নেমে পুলিশের নজরে আসে এই ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’। পুলিশ আরো ধারণা করতে থাকে সারা বিশ্বে অন্তত ১৩০ জন মানুষের আত্মহননের জন্য পরোক্ষে দায়ী এই অনলাইন গেইম।

 শুধু এটাই নয়, গত কয়েকদিন আগেও  ভারতের এক কিশোর পাঁচ তলা থেকে ঝাপ দিয়ে আত্তহত্যা করে । এই ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেমের কারনে। 

পুলিশের ধারণা, ইদানিংকালে আত্মঘাতী ১৬ জন তরুণীই এই গেমের ৫০তম টাস্কের শর্ত অনুযায়ী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছে। রাশিয়া পুলিশের আশঙ্কা, সাম্প্রতিককালে গোটা বিশ্বে আত্মঘাতী হওয়া অন্তত ১৩০ জনের আত্মহননের পেছনে রয়েছে এই ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’।

আন্তর্জাতিক মিডিয়াকে রাশিয়ার পুলিশ জানায়, য়ুলিয়া এবং ভেরোনিকাসহ আত্মহত ১৬ তরুণীই সুইসাইড গেম-এ আসক্ত ছিল। তারা একেকজন ছিল নিষ্ঠাবান খেলোয়াড়। প্রায় উন্মাদনার পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল তাদের জীবনে এই খেলা। খেলায় নিজেকে জয়ী দেখতে চাওয়ার নেশায় তারা নিজেকে শেষ করে ফেলতেও দ্বিধাবোধ করেনি। প্রত্যেকে প্রতিযোগীই খেলার ৫০তম লেভেল পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন। এই ৫০তম লেভেলেই প্রতিযোগীকে আত্মহত্যা করতে হয়। আর এভাবেই এসব তরুণী আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।

হাত কেটে হোমপেজে পোস্ট দেয়া একটি ছবি


তদন্তে নেমে পুলিশ হন্যে হয়ে খুজতে থাকে ব্লু হোয়েল গেমের পেজটির এডমিনকে। পরিবর্তীতে জানা যায় সেই পেজের প্রধান এডমিন এবং গেমটির আবিষ্কারকের নাম  "ফিলিপ"। এরপর পুলিশ হন্য হয়ে খুজতে থাকে এই ফিলিপকে।

 কিন্তু সকলের প্রশ্ন জাগে কিন্তু কে এই ফিলিপ ? কেনই বা তার জন্য নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন তরুণ-তরুণীরা?

রাশিয়ার পুলিশ প্রাপ্ত সূত্র হতে জানা যায়, ২১ বছর বয়সী ফিলিপ ছিল রাশিয়ারই একজন বাসিন্দা। সে ভিকোন্তাক্তে নামক সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’ নামের এই সোশ্যাল গেমিংটির পেজের অ্যাডমিন ছিল। স্বভাবতই, পুলিশের সন্দেহ গিয়ে পরে তার উপর। শেষমেশ বেশ কিছুদিন তদন্ত চালিয়ে ফিলিপ-কে গ্রেফতার করে পুলিশ।

উনিই সেই ফিলিপ


পুলিশের তীব্র জেরায় এই গেম চালানোর কথা স্বীকারও করে নেয় ফিলিপ। কিন্তু সে এইসব মৃত্যুর দায় নিতে অস্বীকার করে। সে কোনোভাবেই তার এই অনলাইন গেমকে অপরাধ বলে মানতে রাজি নন।

তার বক্তব্য, সে তার খেলার মধ্য দিয়ে সমাজের ‘শুদ্ধিকরণ’ করছে। সে গর্বের সাথে বলতে থাকে, সমাজে যাদের বেঁচে থাকা উচিত নয়, তাদেরকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়াই ছিল তার লক্ষ্য।

ফিলিপের মুখে এই সমস্ত কথা শুনে তার মানসিক সুস্থতা নিয়েই সন্দেহ জাগে পুলিশের মনে। ফিলিপ বর্তমানে সেন্ট পিটার্সবার্গের ক্রিস্টি জেলে বন্দী।

কিন্তু কথা হচ্ছে, এডমিন গ্রেফতার হলেই সোশ্যাল মিডিয়ার একটি পেজ বন্ধ হয়ে যায় না। ফিলিপকে বন্দী করা গেলেও তার পেজের কার্যক্রম থেমে থাকেনি এবং পেজটি বন্ধও হয়নি। ফলে পেজটি নিয়ে পুলিশের মনে চিন্তার রেখা থেকেই যাচ্ছে। বর্তমানে ‘ব্লু হোয়েল সুইসাইড গেম’টি রাশিয়ার সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ-তরুণীদের মধ্যেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর ফলে চিন্তা বাড়ছে ইউরোপের একাধিক মনোবিজ্ঞানী এবং সমাজবিজ্ঞানীদের। স্কুল কলেজ থেকে প্রচারণা চালানো হচ্ছে এবং অভিভাবকদের সর্তক করে দেয়া হচ্ছে যেন তারা তাদের সন্তানদের এই গেম থেকে দূরে রাখে। তাই সুইসাইড গেমের এই পেজটিকে নিষিদ্ধ করার কথাই ভাবছে পুলিশ-প্রশাসন।


সবকিছুই কেমন অদ্ভুত মনে হয় না? একটা সাধারণ গেম কীভাবে উচ্ছল কিশোরীর জীবন কেড়ে নিচ্ছে! মনোবিশেষজ্ঞরাও বিষয়টি নিয়ে বেশ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। কেন একটা গেমের কারণে এতগুলো ছেলে মেয়ে আত্মহত্যা করছে তা খুবই উদ্বেগজনক । বিষয়টির গভীরে অনুসন্ধানের জন্য রাজনীতিবিদদের তারা বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।
জীবনের ব্যস্ততায় আমরা কমবেশি সকলেই একটু একটু করে মনোবেদনায় আক্রান্ত হচ্ছি, তা না হলে আমাদের মধ্যকার সোশ্যাল ভেল্যুগুলো কেন দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে? কেন আমরা আর সুখে, দুঃখে, আনন্দ, বেদনায় নিজেকে আর আন্দোলিত করতে পারি না? পরিবারের বা সমাজের সকলের মাঝের বন্ধন কেন আস্তে আস্তে ফিকে হয়ে যাচ্ছে? এসবই কি প্ররোচনা যোগাচ্ছে এমন গেম খেলতে? এবার হয়তো সবার ভাবার সময় এসেছে।

ওয়েবসাইট হ্যাকিং এর ভিডিও টিউটোরিয়াল


CHOYON AHMED·
অনেকের কাছে হ্যাকিং এর বেসিক শিখে নেওয়ার পর মনে হতে পারে, এবার তাহলে কিছু টিউটোরিয়াল বা হ্যাক করার সিস্টেম দেখিয়ে দিলে আমি হয়তো হ্যাকার হয়ে যেতে পারবো। তাদের জন্যই আমার এই নোটটি তৈরি করে দিলাম।
এবার দেখুন তো, আপনি আসলেও পারছেন কিনা!
আপনার যা আগে থেকেই থাকা লাগবেঃ
১. শেল
২. ইন্টারনেট কানেকশন (খারাপ স্পিড = মন খারাপ)
৩. বেসিক হ্যাকিং এর জ্ঞান
৪. ডিফেস পেজ (আপনি HTML না জানলে আপনার বেসিক এখনো শিখা শেষ হয় নি)
৫. Dorking স্কিল (Advanced Google Searching স্কিল, গুগল থেকেই শিখে নিতে হবে আপনাকে এবং এর উপর নির্ভর করে আপনি হ্যাকিং এ সফল হবেন কি হবেন না এবং এটি আপনাকে কেউ শিখিয়ে দিবে না এমনকি আমিও না।)
আসি ভিডিওগুলোতেঃ
অনেক আছে youtube.com এ যান, “Hack website easily” বা “How to Hack wordpress website” বা “How to hack Joomla website” লিখে সার্চ দেন। ভিডিও সব দেখতে থাকেন। যা ভালো লাগে, ফলো করে দেখেন। কাজে না আসলে অন্যটা চেষ্টা করে দেখুন
কোন ভিডিও ভালো না লাগলে অন্যটা দেখুন। যারা বলে ইউটিউবে সব ভুল, তাদের পরিহার করুন।
যদি আপনি মনে করেন আপনার বেসিক জ্ঞান আছে এবং আপনি ভালো ইন্টারনেট চালাতে পারেন, আপনার জন্য গুগল আছে যে কোন টিউটোরিয়ালের জন্য। যখনি কিছুর অভাব বোধ হবে, গুগল করতে ভুলবেন না।
এখন, আপনার যদি আরো নতুন এক্সপ্লোয়েট দরকার হয়, তবে www.exploit-db.com সাইট দেখতে পারেন। এই সাইটের Security Research Papers গুলো অনেক কাজের। পড়ে দেখতে পারেন।
আরো এক্সপ্লোয়েট ডাটাবেজ সাইট আছে। এসব সাইটের লিখা বুঝতে আপনার অবশ্যই হ্যাকিং করে থাকার অভিজ্ঞতা থাকা লাগবে। না হলে, সাইটে গিয়ে মাথা গুলানোর দরকার নেই।
ধন্যবাদ।
ভিডিও ক্রেডিটঃ যাদের ইউটিউব চ্যানেল তাদের।

ওয়েবসাইট টার্গেটিং এবং বিস্তারিত


CHOYON AHMED·
টাইটেলই বলে দিচ্ছে আসলে কি নিয়ে এই নোট, তো চলে যাই মুল কাহিনীতে।
আজ আলোচনা করবো কিভাবে একটি টার্গেট সাইটে আক্রমন করা হয়ে থাকে।
তো, প্রথমে যে টার্গেট সাইটটি আছে, তার CMS (Content Management System) কি, সেটা বের করে নিতে হবে ভার্সন সহ। এখন, বিভিন্ন ধরনের CMS আছে, যেমন wordpress, joomla, drupal, majento, vbulletin, opencart ইত্যাদি। যখন আপনি জানতে পারলেন যে আপনার টার্গেট সাইটটি কোন একটা পরিচিত CMS ব্যবহার করছে, আপনি সে CMS এর উক্ত ভার্সনের কোন এক্সপ্লোয়েট ইন্টারনেটে আছে কিনা, সেটা দেখবেন। যদি থাকে, তবে তা ব্যবহার করে আপনি সাইটের এক্সেস নিয়ে নিতে পারবেন। এবার, যদি দেখা যায় যে সেই সাইটটি কাস্টম CMS এ তৈরি করা, আপনার জন্য কাজটা আরেকটু কঠিন হয়ে গেল। এবার আপনাকে ম্যানুয়ালভাবে সাইটের বিভিন্ন ফাইলে গিয়ে এক্সপ্লোয়েট করে দেখা লাগবে যে ঠিক কোন উপায় আপনাকে সাইটে এক্সেস দিচ্ছে। এবার, যখন দেখা গেল যে আপনার সেই কাঙ্ক্ষিত উপায় পেয়ে গেছেন, আপনি সাইটে এক্সেস পেয়ে যাবেন। এখন, কি ধরনের এক্সপ্লোয়েট টেস্ট করবেন? সেগুলো হতে পারে SQLi (SQL Injection) আছে কিনা বা CSRF (Cross Site Request Forgery), RFI (Remote File Inclusion), LFI (Local File Inclusion), RCE (Remote Code Execution), Unauthenticated & Unrestricted File Upload Vulnerability ইত্যাদি। আপনাকে এসবে দক্ষ হতে হবে! অন্যথায় টার্গেট সাইট হ্যাক করার চিন্তা করার আগে এগুলো শিখে নেওয়াটাই উত্তম।
এখন, দেখা গেল সাইটে এসবের কিছুই পান নি! একটা সাইট যে হ্যাক হবেই, এর নিশ্চয়তা কিন্তু নেই! তাই সেরা চেষ্টা করে যেতে হবে।
এবার আপনাকে কাজ করতে হবে একটু ঘুরিয়ে।
আপনি সাইটের রিয়াল আইপি এড্রেসটি নিন। এবার bing.com এ যেয়ে “IP: সাইটের আইপি এখানে” লিখে সার্চ দিন। টার্গেট সাইটের সেইম সার্ভারে থাকা সব সাইটের লিস্ট আসবে। সেগুলোতে সেইমভাবে হ্যাক করার চেষ্টা করুন। মনে করুন, আপনি হ্যাক করতে পারলেন। যেহেতু সেই সাইট এবং আপনার টার্গেট সাইট সেইম সার্ভারে, তাই সেখানের কোন এক ডাইরেক্টরিতে আপনি সেটা পেয়ে যাবেন এবং আপনি টার্গেট সাইট হ্যাক করতে সক্ষম হবেন। অনেক সময় এক্সেস পেতে আপনাকে সার্ভার রুট করতে হতে পারে। তবে, খুব নতুন কারো এটা চেষ্টা করা ঠিক না। অনেক সময় না পারার বা ধৈর্য হারিয়ে ফেলার ব্যাপারস্যাপার চলে আসে। তো, যাই হোক, আজকের মতো এইটুকুই।
অনেকে আবার সফটওয়্যার দিয়ে চেক করে থাকেন, তবে ম্যানুয়াল চেষ্টা করা ভাল।
ভালো থাকবেন।
আমি জানি নতুনদের কেউই কি বলেছি, কিছুই বুঝেন নি। আসলে না বুঝারই কথা। কারন, আপনাকে তো আগে বেসিকে দক্ষ হতে হবে! তা না হলে লিখা কিছু বুঝে আসার কথা নয়

প্রোগ্রামিং এবং হ্যাকিং এর যোগসুত্র নিয়ে খুটিনাটি


CHOYON AHMED·
সবাইকে সালাম জানিয়ে শুরু করছি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নোট। পুরোটা পড়া জরুরী যদি মনে করেন!
আজকের আলোচনার বিষয় তো দেখতেই পাচ্ছেন, বেশি কথা না বলে তাই সরাসরি মুল বিষয়ে চলে যাবো।
আমি চয়ন, আপনারা পড়ছেন আমার নোট!
তো, শুনেই থাকবেন যে হ্যাকিং এর প্রধান এবং অন্যতম হাতিয়ার হচ্ছে প্রোগ্রামিং এর জ্ঞান। ঠিক প্রোগ্রামার হয়ে গেলেই যে কেউ হ্যাকার হয়ে যাবে, এমন না ব্যাপারটা তবে প্রোগ্রামিং কিভাবে কাজে আসে হ্যাকিং এ, সেটাই আমরা দেখবো এবং এর পেছনের লজিকগুলো আমি দেখাতে চেষ্টা করবো।
যাই হোক, হ্যাকিং মানেই ওয়েবসাইট হ্যাকিং বা ফেসবুক আইডি হ্যাকিং না। হ্যাকিং একটি বিস্তর জিনিস এবং আমি মাত্র একটি জিনিসই দেখানোর চেষ্টা করবো। তবে, সব কিছুর পেছনেই কিন্তু একটি কম্পিউটার এক্সেস নেওয়াটাকেই টার্গেট করা হয়ে থাকে। এর মানে, সব ধরনের হ্যাকিং এর যোগসূত্র কিন্তু একই স্থানে! সেটা হল কম্পিউটার। তো, যাই করেন না কেন, আপনাকে অবশ্যই কম্পিউটার চালানো এবং এর খুটিনাটিতে সুদক্ষ হতে হবে। এছাড়া আপনাকে দিয়ে বেশি কিছু হবে না। আপনার এন্ড্রোয়েড আছে, আপনি এর বিশেষজ্ঞ হলেও হ্যাকিং এর খাতিরে আপনার কম্পিউটারের উপর বিশদ জ্ঞান থাকাটা অত্যন্ত জরুরী। তাই, সম্ভব হলে আগে এর উপর দক্ষতা অর্জন করুন। হ্যাকিং যে খুবই সহজ এবং কোন কোর্স করে হ্যাকার হয়ে যাওয়া যায়, এমন নয়! আপনাকে ধৈর্যের সাথে অনেক অনেক কিছু শিখার প্রয়োজন হবে। আর সবাইকে দিয়ে হ্যাকিং শিখা সম্ভব নয়। আপনি অনেক কিছুতে দক্ষ হতে পারেন, হ্যাকিং এর থেকে আলাদা। কারন, এতে শিখার কোন শেষ নেই। আপনাকে শিখে যেতেই হবে। ওয়েবসাইট ডিফেস করতে পারেন মানেই যে সব জেনে বসে আছেন, এমনও কিন্তু না। একটা কম্পিউটার এর সাথে অনেক কিছু জড়িত থাকে। আপনাকে এর সবই জেনে নিতে হবে। তাই, মাথায় কাপড় বেধে লেগে পড়তে পারেন যদি হ্যাকিং শিখার কোন অঢেল আগ্রহ আপনার মধ্যে থাকে। যদি লাভের কথা চিন্তা করেন, তবে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এ কিছু দিক দিয়ে লাভ আছে তবে আপনার মুল্যবান সময়টাও নষ্ট হবে। হোয়াইট হ্যাট হ্যাকিং এ ভালো লাভ আছে, কেননা এতে আপনি টাকাও বোনাস পাবেন! টাকার কথা শুনে আপনার আগ্রহ আরো বেড়ে যাবার কথা, তবে আমি হোয়াইট হ্যাট কিছুতে বিজ্ঞ নই। তাই, আমার কাছে আসলেও আপনার লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না। তো, ব্ল্যাক হ্যাট মানেই ক্ষতি করার চিন্তাভাবনা। আপনাকে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কি হতে চান। আমি দুঃখিত, আপনি ব্ল্যাক হ্যাট উপায়ে কিভাবে টাকা উপার্জন করতে পারবেন, সে বিষয়ে আমি কিছুই শেয়ার করবো না। কারন, টাকা উপার্জনের পথ দেখাতে আমি নোট লিখছি না।
যাই হোক, আবারো মূল বিষয়ে ফিরে আসি। আমাদের আলোচনার মূল ব্যাপারটি ছিল প্রোগ্রামিং কেন দরকারি।
আমরা যদি একটি সার্ভারের Back-End Configuration চিন্তা করি, তবে দেখা যায় যে একটা কম্পিউটারে (যাকে সার্ভার বলা হয়) কিছু প্রোগ্রাম সেট করা থাকে যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আপনার ব্রাউজারের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে। এখন, তথ্য তো ওয়েবসাইটে থাকে। অনেক সময় নতুন মানুষের রেজিস্টার করার দরকার হয়। এই কাজটা করতে যদি সাইটের মালিক সারাদিন বসে থাকে, তাহলে তো হবে না! দেখা গেল, আপনি একাউন্ট খুলতে চান, এখন এডমিনকে ফোন করে জানালেন, তিনি আপনার ডাটা উনার সার্ভারে এন্ট্রি করলেন এবং আপনি সাইটটি ব্যবহার করতে পারলেন। জটিল না ব্যাপারটা? তাই, ওয়েবসাইট হয় ২ প্রকার। স্ট্যাটিক(নিজে তথ্য বদলে নিতে হয়) এবং ডায়নামিক(তথ্য প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যায়)।
তো, ডায়নামিক যেসব ওয়েবসাইট আছে, সেগুলোই হ্যাক করার চেষ্টা করা যায়। কারন সাধারন HTML দিয়ে করা একটা পেজে তো আপনি কিছু করতেই পারবেন না! ভালো কথা, আপনি যদি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর উপর কোন জ্ঞান না নিয়ে থাকেন, ওয়েবসাইট হ্যাকিং শিখার জন্য আপনার অগ্রসর হওয়াটা ঠিক হবে না একদমই।
আর অনেকে বলে গুগলে নাকি কিছু পাওয়া যায় না! কি বলেন ভাই? এই যে আমি এতো কিছু লিখছি, আমাকে কোথাও না কোথাও তো তা জেনে নিতে হয়েছে, তাই না? কোথায় জেনেছি? সেই গুগলে। কারন, গুগলই একমাত্র জায়গা যা ছাড়া সবাই ইন্টারনেটে বেশি রিসোর্স পাবে না! আর তাই, গুগল থেকে আপনার জন্য ভালো শিক্ষক কেউ হতে পারে না। অনেকের অজুহাত থাকে যে সে ইংরেজি কম বুঝে। আমাকে অত্যন্ত দুঃখ নিয়ে বলতে হচ্ছে, হ্যাকিং জগতে আপনিই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত! কারন, ইন্টারনেটের ৯৫% তথ্যই আপনাকে গুগলে খুজতে হয় এবং এগুলো ইংরেজিতে।
আর হ্যা, অনেকে কিন্তু নিজেকে হ্যাকার হিসেবে জাহির করতে হ্যাকারদের বিভিন্ন প্রকারভেদ করে শেয়ার করে। এতো প্রকারভেদ শিখে লাভ নেই। এর থেকে প্রয়োজনীয় যা লাগে, তা শিখুন। মনে রাখবেন, এমন কিছু নেই যা আপনাকে ২-৩ মাসে হ্যাকার বানাই দিতে পারবে! এখানের লিখা সবকিছুই আমার নিজের মতামত। কারো সাথে বিপরীত হয়ে গেলে আমার সেটা দেখার বিষয় নয়। আমি যাই বলবো, এর পেছনের লজিকও দেখিয়ে দিবো। তাই, প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন! আমি উত্তর দিতে রাজী আছি।
আমি সবাইকে বেসিক শিখতে আগ্রহী করি। অনেকের কাছে বেসিক মানে প্রোগ্রামিং এর জ্ঞান আর আমার কাছে বেসিক মানে হ্যাকিং এ ব্যবহৃত বিভিন্ন টার্ম। প্রোগ্রামিং একটা এক্সট্রা সাহায্যকারী জিনিস মনে করে নিতে পারেন আবার আপনি যা ম্যানিপুলেট বা এক্সপ্লোয়েট (ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ সুযোগের সদ্ব্যবহার করা) করবেন তার মুলটাই প্রোগ্রামিং দিয়ে করা, সেই দিক দিয়ে Compulsory বলে ধরে নিতে পারেন। আপনি যাই করুন না কেন, টুকটাক প্রোগ্রামিং আপনার জানতেই হবে।
আর হ্যা, সবাই প্রোগ্রামিং বুঝে না আর দক্ষ হতে পারে না কিন্তু! আমি কিভাবে প্রোগ্রামিং শিখবো বলে আমাকে মেসেজ না করে গুগলে সেইম কথাটাই ইংরেজিতে লিখুন, উত্তর চলে আসবে। ব্রেনের ধারণক্ষমতার একটা ব্যাপার চলে আসে। যদি দেখেন আপনার ব্রেনে ধরছে না, না এগুনোই ভালো!
আসি, কেন জানা লাগবে। ডায়নামিক ওয়েবসাইটগুলো চালাতে দরকার হয় একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর। যেমন php, asp ইত্যাদি। আরো ওয়েব স্ক্রিপ্টিং language আছে, সেগুলোতে না গিয়ে যদি আমি শুধু php এর কথাই উদাহরন দেই, তবে দেখুনঃ
একটা ওয়েবসাইট তৈরি করতে দরকার হবে php এর। কারন আপনি সাইট ডায়নামিক বা প্রয়োজনমতো পরিবর্তনশীল করতে চান, তবে php তো লাগছেই। এখন, আপনাকে জানা লাগবে php ল্যাঙ্গুয়েজ এর ঠিক কোন কোন জিনিস ব্যবহার করা হলে আপনি একটি সাইটের দুর্বলতাকে কাজে লাগাতে পারবেন। হতে পারে, একটি সাইটের যেকোন একটি ফাইল যা আপনাকে নিউজের লিংক জোগাড় করে দেয় ডাটাবেজ থেকে। এখন, সেই ফাইল যদি হয় news.php এবং এতে news.php?id=1 দিলে প্রথম নিউজটি ডাটাবেজ থেকে সংগৃহীত হয় আবার আপনি কি করলেন, 1 কেটে দিয়ে সেখানে চেক করলেন যে php কোড দিলে সেটা run করে কিনা সার্ভার অথবা আপনি mysql query রান করে দেখলেন। (mysql হল ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ যা দিয়ে ডাটাবেজে তথ্য রাখা, মুছে দেওয়া এবং পরিবর্তন করা যায়) এখন, সাইটের সেই news.php ফাইলে এমন খারাপ কোড করা হয় যদি, যা কিনা সে সব query সার্ভারে রান করিয়ে ফেলে, তবেই সেটা সাইটের এক্সেস নিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট!
কাজেই, আপনাকে অন্তত টেস্ট করার জন্যও কিন্তু প্রোগ্রামিং জানতে হচ্ছে! এবার বুঝা গেল প্রোগ্রামিং কোথায় কাজে আসে? অনেক কিছু লিখার ছিল, তবে আসলে নোট লিখে এতো কিছু বুঝানো যাবে না।
কিছু খটকা দূর করি। প্রোগ্রামিং কেউ পারলেই হ্যাকার হয়ে যায় না। আবার ওয়েব ডেভেলপার হয়ে গেলেও কেউ হ্যাকার হয় না। কোন কোর্স করে কেউ হ্যাকার হতে পারে না। আবার ২-৩ মাসেও হ্যাকার হয়ে যাওয়া সম্ভব না। হ্যাকিং শিখান বলে আমাকে মেসেজ করা থেকে বিরত থাকুন কারন আমি কোথাও নিজেকে হ্যাকার বলে claim করছি না এবং আগ্রহও বোধ করছি না। তবে, এটুকু বিশ্বাস রাখুন, আমার এক্সপেরিয়েন্স লেভেল প্রোফেশনাল। মনগড়া কথা আমি লিখি না লজিকবিহীন কথা আমি বলি না। এতো কিছু জেনেও আমি ভাব দেখাই না। (Looks like a rap song, right? Just kidding)
আপনার অবান্তর প্রশ্নে আপনাকে সাহায্য করতেও আমি বাধ্য নই। তাই, এমন কোন প্রশ্ন করবেন যাতে সেটা উত্তর দেওয়ার যোগ্য হয় এবং গুগলে আপনি পাচ্ছেন না। বেসিক কই পাবেন নিয়ে যারা টেনশন করছেন, তারা চাইলে আমার “Hacktivism Reloaded” pdf বই পড়ে নিতে পারেন। সেখানে ওনেক রেফারেন্স দেওয়া আছে, কাজে দিবে। গুগলে বইয়ের নাম লিখলেই চলে আসবে। তাই লিংক পেতে আশা করি সমস্যা হবে না। আর তাতেও সন্তুষ্ট না হলে, আপনাকে নিজে গুগলে যা বুঝেন না, সার্চ করে রিসোর্স সংগ্রহ করে নিতে হবে।
ভালো থাকবেন, এবং ধন্যবাদ! যারা পুরোটা পড়েন নি, লস হয় নি আপনার

একজন হ্যাকার আসলে কি করার ক্ষমতা রাখে?

আজকের এই নোটে আলোচনা করব একজন হ্যাকার কতটা বিপদজনক হয়ে উঠতে পারে আপনার বাস্তবিক জীবনে। হ্যাকারদের “হকার হকার” বলে অপমান করার আগে সাবধান! কেন বলছি? জানতে পারবেন নিচেই।
আসুন দেখা যাক ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং কি।
মানুষের অন্যতম ভয় হল অন্ধকার। রাতের অন্ধকার সবারই ভয় লাগার কথা যদি আলোর কোন উৎস না থাকে। হয়তো এর সাথেই সম্পর্কিত হতে পারে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এর নামকরণ। তো, যাই হোক। হ্যাকিং কে ব্ল্যাক হ্যাট কখন বলা হবে? তখনি যখন সেটা জনজীবনের ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়ায়। কি ধরনের ক্ষতি? ক্ষতির ধরন অনেক রকমের হতে পারে। যেমন কোন হ্যাকার বাংলাদেশ সরকারের কোন সাইট হ্যাক করে সেখানে আপনার তথ্য দিয়ে কিছু একটা খারাপ লিখে দিয়ে চলে আসলো। সবার আগে বিপদে কে পড়বে? আপনি! চিন্তা করে দেখুন! কথাটা সত্য কিনা! আপনার তখন কোন কিছু করার পথ থাকবে না!
আবার হ্যাকার মনে করুন কোনভাবে আপনার ব্যাংক একাউন্টের কিছু পেয়ে গেল। সে সেটা দিয়ে আপনাকে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে। আবার এমন হতে পারে, আপনার প্রিয় ফেসবুক একাউন্ট। হ্যাকার সেটা হ্যাক করে আপনাকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিতে পারে! এ সময়ে এসে আপনি ভাবতে পারেন যে আইডি রিপোর্ট করে খাই দিলে কি হয়? কিছু না! এতে সে বিব্রতকর অবস্থায় পড়লো কি? বা তার আহামরি লস হল কি? হয়তো কিছু ছবি মিস করতে পারে সে, অনেকে আবার ছবির ব্যাক আপ রেখে দেয়, তাই লসে পড়ে না। আর এটা হ্যাকিং ও তো না! তাই, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং কি সেটা নিশ্চয়ই আচ করতে পারছেন কিছুটা। হ্যা, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং হল সেই ধরনের হ্যাকিং যা যে কোন কিছুর ক্ষতি করার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেটা হতে পারে যে কোন কিছু! ব্যাংক ব্যালেন্স , হ্যারাজমেন্ট ইত্যাদি।
তো, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এ কি কি আছে? ২ - ১ টা উদাহরণ তো দিয়েই দিয়েছি, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিচিত হল ব্যাংক ব্যালেন্স হাইজ্যাকিং! অনেকে হয়তো কার্ডিং এর নাম শুনে থাকবেন। যারা শুনেন নি, তাদের জানার জন্য, এটি হল কারো অনলাইন ব্যাংক ব্যালেন্স হতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি। কিভাবে করা হয়, সেটা তো জানি না তবে আপনার ইমেইল পাবার জন্য হ্যাকার আপনাকে নানাভাবে ট্র্যাপ করে থাকে। আপনি ফাদে পা দিলে সে আপনার ইমেইল জেনে যায় এবং সেখানে আপনাকে হাজারো ফেইক মেইল পাঠাতে থাকে যাকে বলা হয় ইমেইল স্পুফিং। এখন, ধরুন আপনার পেপ্যাল একাউন্ট আছে। আপনাকে পেপ্যাল থেকে ইমেইল করা হল যে আপনাকে একাউন্ট সিকুরিটি বাড়াতে একটা লিঙ্কে লগিন করতে হবে, আপনি সেটায় গেলেন। লগিন করলে আপনার তথ্য হ্যাকারের কাছে চলে যাবে। এছাড়া অনেক সময় ওয়েবসাইটের ডাটাবেজ থেকে এরকম তথ্য বের করে নিয়ে আসে হ্যাকারেরা। তো, হাজারো এরকম মেসেজ একসাথে পাঠানোকে স্পামিং বলা হয়। প্রায় অনেকগুলো মেইল প্রোভাইডাররাই এই স্পাম ইমেইল ধরতে পারে, তাই অনেক সময় বিপদ হতে অনেকে বেঁচে যায়।
আবার আপনাকে মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হল যে কোন একটি ওয়েবসাইট হতে আপনাকে ভিসা দেওয়া হবে। আপনি ভরসা রেখে তাদের টাকা দিলেন কিন্তু ফল আসলো না। আপনি টাকা লস খেলেন। এটাকে বলা হয় স্ক্যামিং। অর্থাৎ, ধোকা দেওয়ার আরেক নাম স্ক্যামিং। এসবই ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এর সাথে জড়িত।
তো, এসব থেকে বাচার উপায় কি? একটাই উপায়, সেটা হল সচেতন থাকা এবং নিরাপদ থাকা। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এর মধ্যে ওয়েবসাইট হ্যাকিং এবং ডিফেস করাও পড়ে। কেননা আপনি একটি সাইটের তথ্য বদলে দিয়েছেন মানেই সাইটের মালিকের লসের পরিমান বাড়িয়ে দিয়েছেন। আপনি মনে করতে পারেন যে আমি তো আলাদা পেজ লাগিয়েছি, কিন্তু যে সাইট হ্যাক করলেন, তা যদি SEO করা থাকে, তবে সেটাকে এই কাজ অনেকটা ক্ষতির কারন হয়ে দাঁড়াবে। আবার AdSense এর ব্যাপারস্যাপারও জড়িত আছে। তাই, ডিফেস করা এবং হ্যাকিং সম্পূর্ণই ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং। কেউ ডিফেস করে যদি নিজেকে হুয়াইট হ্যাট (ব্ল্যাক হ্যাট এর বিপরীত এবং একে বাগ হান্টিংও বলতে পারেন) হিসেবে দাবী করে, তবে তা যুক্তিসঙ্গত হবে না। আর কেউ বাগ হান্টার হয়ে থাকে যদি, সে কখনো সাইটে ডিফেস পেজ আপলোড করতে চাইবে না। সে শুধু সাইটের বাগ বের করতে চেষ্টা করবে এবং পেলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাবে। এর বেশি কিছু করতে চাইবে না।
আবার, আরেকটা ঘটনা চিন্তা করুন, মিডিয়ার দৌড় সারা দেশ থেকে ধরে বিশ্ব পর্যন্ত বিস্তৃত। এখন, পপুলার কোন নিউজ ওয়েবসাইট হ্যাক করে কোন হ্যাকার যদি আপনার ব্যাপারে কিছু লিখে দিয়ে চলে আসে এবং সেটা সবাই পড়ে দেখে এবং ধরুন সেটা যদি প্রশাসনের সাথে জড়িত হয়ে যায়, আপনার লাইফ তো এখানেই নষ্ট হয়ে যাবে! হ্যাকারেরা এটা সহজেই করতে পারে, তাদের জন্য অসম্ভব কিছু নেই। আপনি জেনে থাকবেন যে গুগল, মাইক্রোসফটও হ্যাক হয়েছিল। সেখানে যদি আপনার ঠিকানা দিয়ে দিতো কোন হ্যাকার, তবে পরের দিনই আপনাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হতো। কাজেই সাবধান সবাই অরডিনারি হলেও হ্যাকারেরা এক্সট্রা অরডিনারি জ্ঞানের অধিকারী। আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না যে আপনি বিপদে পড়ে গেছেন এমনকি সেটা আপনার অবগত নাও হতে পারে!
এককথায়, আইনের বিরুদ্ধে যে কোন কাজই খারাপ এবং এর সাথে হ্যাকিং যদি জড়িত হয়ে যায়, সেটাই ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং এর মধ্যে পড়বে।
তো এই ছিল ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং কি, এবং কেন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকিং আপনার ক্ষতির কারন হতে পারে।
এটা অনেকেরই প্রিয় একটা জিনিস এবং অনেকেই এই কাজের দিকে আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে।
ধন্যবাদ, সাথেই থাকবেন।

হ্যাকিং এবং আমাদের হ্যাকার সমাজ

আজকের নোটে আমি লিখবো যারা হ্যাকিং শিখতে চান, তারা কারো থেকে কি ধরনের গাইড পেয়ে থাকেন এবং সেটা আদৌ কার্যকর কিনা।(সাথে আমার লাইফের কিছু ঘটনা, কিভাবে শুরু ইত্যাদি!)
আপনি হ্যাকার হতে চাচ্ছেন, তাই গাইড হিসেবে আপনি হ্যাকারদেরই খুজবেন স্বাভাবিক। ফেসবুকে যাদের দেখেন, তারা প্রোফেশনাল হতেও পারে, আবার নাও পারে! আপনি কয়েকজনকে মেসেজ করলেন। তারা আপনাকে পাত্তাও দিল না। অনেকে আপনাকে বললো গুগল এবং ইউটিউবে খুঁজেন। এর থেকে ভাল বন্ধু এবং শিক্ষক আর কেউ হতে পারে না। কিন্তু তারা এটা বলে না যে আসলে কি খুজতে হবে! জিনিসটা গাড়ির চাকা অর্ধেক লাগিয়ে চালানোর কথা বলে ফেলার মতো। আপনি কাউকে গাইড করছেন ভালো, তবে সঠিক এবং সম্পূর্ণ গাইড করুন। আর না পারলে বাদ দিন! অন্যের মতো ভাব নিয়ে বসে থাকুন ভাব নিয়ে যারা বসে থাকে, একটা জিনিস দেখলাম, অন্যরা তাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে! আদৌ সে কি করে বা পারে, সেটা কারো জানার আগ্রহ নেই! খারাপ লাগে তখন, যখন নিজে তো হ্যাকার হতে পারেই না, অন্য কেউ হ্যাকার কিনা না জেনে হকার হকার বলে অপমান করে! আমি মনে করি, এদের হ্যাকিং শিখতে সাহায্য করাটাই উচিত না। কারন তারা হ্যাকার বলতে কুন্ঠিতবোধ করে বলেই অন্যকে হকার বলে থাকে! ছিঃ
আবার কিছু করে ফেলতে পারলেই এক ধাক্কায় লিজেন্ড বানিয়ে বসে থাকে লোকজন! আবারো ছিঃ
আসলেই আপনারা সাহায্য পাবার যোগ্যতা রাখেন না অন্যকে সম্মান এবং ভালবাসা দিতে শিখুন! না হলে আপনি অবহেলিত হবেনই। সবার ব্রেইন সমান না। আপনি একটা জিনিস পারেন, আরেকজন অন্য জিনিস পারে যা আপনি জানেনও না। তাই সবাইকে সম্মান দিতে শিখুন না হলে আপনি কারো সাহায্য পাচ্ছেন না, হিসাব বরাবরই আছে।
হ্যাকিং আসলেও সবার ধরা ছোয়ার জিনিস না। সবাই সব পারে না। আপনি যদি কারো গাইড শুনে গুগলে আর ইউটিউবে গিয়ে হ্যাকিং টিউটোরিয়াল শিখতে থাকেন, তবে ভাসাভাসা বুঝা ছাড়া আপনার কিছুই করার থাকবে না। কেননা, আপনি জানেনই না কি করা হচ্ছে! অন্যের থেকে হয়তো কিছু জিনিস সম্পর্কে জেনেছেন, তাই কিছু জিনিস আপনার পরিচিত। এতে করে কিন্তু আপনার আগ্রহ কমে যাবে!
আমি যদি নিজেকে সবকিছুতে অজ্ঞ হিসেবে চিন্তা করি, তবে আমাকে কেউ যদি বলে যে গুগল থেকে শিখতে, আমি গিয়ে গুগল করলাম “How to become a hacker”. সেখানে যেসব আর্টিকেল আসবে, তা আমার বোধগম্য হবার কথা নয়! তারা হয়তো ৮-১০ টা জিনিস শিখতে বলবে। সেগুলো শিখিও যদি, তবেই কি সব বুঝে যাবো? ইউটিউবে সার্চ দিলে হ্যাকিং টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়। তবে হ্যাকিং এর কমন জ্ঞান না থাকলে টিউটোরিয়াল কি আদৌ বুঝা যাবে? যাবে না। সুতরাং, আমাকে অনেক কিছু শিখা লাগবে অন্তত টিউটোরিয়ালে যা থাকে, তা বুঝার জন্য! তারপর টিউটোরিয়াল ফলো করার চিন্তা করা যেতে পারে! আমি যেখানে জানিই না যে টিউটোরিয়ালে কি করা হচ্ছে, আমি কেন আগে টিউটোরিয়াল ফলো করবো? এক এক জন হ্যাকার আসলে শুধু হ্যাকারই না, তারা আইটি গিকও। কাজেই, ফেসবুকই চালান কয়েক বছর ধরে, কিন্তু ইন্টারনেটের বিস্তর জ্ঞান নেই, তাদের জন্য হ্যাকিং নয়! হ্যাকিং জিনিসটা সেসব মানুষের জন্য যারা রাত দিন শুধু ইন্টারনেটে নতুন কিছু খুঁজে বেড়ায়, নিমেষেই যেকোন কম্পিউটার, মোবাইলের সমস্যার সমাধান বের করে নিতে পারে, নতুনত্ব খুঁজে বেড়ায়।
হ্যাকিং তাদের জন্য নয় যারা ইন্টারনেট বলতে শুধু ফেসবুককেই চিনে! তারা ফেসবুকের পোকা। তারা হ্যাকার হবে কি করে! নাহ, আমার আসলে ভালো লাগছে না। হ্যাকিং জিনিসটা সস্তা হয়ে যাচ্ছে দিন দিন! অনেকে হাজার সাধনা করে হ্যাকিং এ সফলতা পায়, আর কেউ অন্যকে মেসেজ দিয়ে “ট্রিক” জেনে ২ দিনে হ্যাকার হয়ে যেতে চায় যেখানে তার ইন্টারনেট চালানোর অভিজ্ঞতাও ২ মাস হয় নি!
আসলে আমি জানি না একটা গাইডের শুরু কিভাবে হতে পারে! কারন, আমার জীবনের Flash back এ যখন তাকাই, আর যারা হ্যাকিং এ আগ্রহ দেখায় তাদের Flash back অনুমান করি, আমার আসলে বলার কোন ভাষা থাকে না আসলে তাকে কোন জিনিসটা দিয়ে শুরু করতে বলবো!
আচ্ছা, আমার জীবনের Flash back এর কিছু জিনিস তুলে দেই, তখন আপনার সাথে compare করে নিয়েন, তাহলে মনে হয় আপনার ঘাটতি আছে কিনা সেটা বুঝতে পারবেন। তো শুরু করি।
আমার ছোটবেলা থেকেই টেকনোলোজিকে অনেক ঝোক। সাল ২০১০ এ আমার ফেসবুক আইডি খুলে দিতে বলি চাচাতো ভাই কে। তখন পড়তাম ক্লাস নাইনে। তিনি খুলে দিলেন। বন্ধুবান্ধব নিয়ে ছিল আইডি। হ্যাকিং(নামই শুনি নি) বা ইন্টারনেট ভালো বুঝতাম না তখন। ফেসবুকে মাঝে মাঝে ঢুকতাম কারো মোবাইল পেলে। নিজের ছিল না। ২০১২ তে কলেজে উঠলাম। আমাদের সাথের এক বন্ধু ছিল যার অনেক কিছুতে জ্ঞান ছিল। সে সময়ই স্কুলে থাকা অবস্থায় সে .net ডোমেইন কিনে একটা সাইট রান করে ফেলেছিল! লিনাক্স নিয়ে তার অঢেল জ্ঞান! এ ছাড়া আরো অনেক কিছু হয়তো জানে, আমি ঠিক বলতে পারছি না। কলেজে উঠার পর তাকে একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে হ্যাক করার জন্য কোন software আছে কিনা। সে তখন বলেছিল ব্যাকট্র্যাক এর কথা। হয়তো সে ব্যবহার করেছিল বলেও মনে হয়। ২০১২ এর ২২ সেপ্টেম্বরে মনে হয়েছিল, একটা সাইট খুলে দেখি কেমন লাগে সে সময়কার পপুলার ওয়াপকা তো সবার চিনার কথাই(ডট টিকে ডোমেইন লাগিয়ে নিয়েছিলাম, গরীব মানুষ)! চাচার মোবাইল দিয়ে খুলে ফেলেছিলাম। অনেক excited ছিলাম। আমার কলেজের অনেক বন্ধুবান্ধবকে সেটা ব্যবহার করতে বলেছিলাম, তারা ব্যবহার করতো। প্রায় ১ বছর এগুলো নিয়ে থেকেছি। সেই সাথে ফেসবুকে আমার আরেক ফুফাতো ভাই এর আইডি ওপেন করা ছিল ২০০৮ এর। সেটা তিনি ব্যবহার করতেন না। তাই আমিই করতাম মানে, আমার নিজের আইডি খোলার আগেও উনার আইডি দিয়ে ধুমসে মানুষ এড করতাম। দেখা গেল, উনার আইডিই আমার কাছে ভাল লাগা শুরু হল। সাইট চালু করার পর আরো অনেককে পেয়েছিলাম যারা আমার মতো সাইট বানাতো। তাদের সাথে ভাল যোগাযোগ তৈরি হয়। সেসব সাইটও আবার হ্যাক হতো! হ্যাকিং এর সাথে পরিচয় হওয়া শুরু হয় তখনি। আর ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়, সেটাও জানা হয়ে গিয়েছিল আগেই। তবে কিভাবে, তা জানতাম না! গুগলে খুজেছিলাম। অনেক সিস্টেম দেখেছিলাম। আমার কাছে মনে হতো হয়তো software ব্যবহার করে। পরে জানতে পারলাম, সেগুলাও একটা ট্র্যাপ ছিল(ফাঁদ) ফেসবুক আইডি হ্যাক করার। হ্যাকিং এ আগ্রহ আসতে শুরু হয়। অনেকে ফেসবুকের ওয়াপকা ফিশিং সাইট বানাতো। সেগুলোর পুরাতন ভার্সনে একটা বাগ ছিল। সেটা হল লগিন ফর্মের সাথে কিছু কাজ করে সেইভ করা ডাটাবেজ লিঙ্কে চলে যাওয়া যেতো(যারা আগে কাজ করেছেন, জানা থাকার কথা)। সেই আইডি পাস নিয়ে কি করেছি, তা বুঝতেই পারছেন মনে হয় এই আইডিও কিন্তু আমার না! সেই সময় কাহিনী করা অনেক অনেক আইডিগুলোর একটা এটা! তবে আমি নিজে ফিশিং সাইট বানিয়ে কাউকে ফাদে ফেলি নি কখনো কারন অন্যের ডাটাবেসে যা ছিল, তাতে অনেক আইডি ছিল! আমার নিজ থেকে কিছু করতে হতো না! অনেক ফ্রেন্ডকে জিনিসটা দেখিয়েছিলামও। পরে আপডেট হবার পর কাজ বন্ধ হয়ে গেল। সাল, ২০১৩। ওয়েবসাইট হ্যাকিং শিখতে আগ্রহ আসলো। কিভাবে ওয়াপকা সাইট হ্যাক হতো, জেনে গেছিলাম তখন। চিন্তা করলাম, এগুলা সাইট হল? ছিঃ! সে সময় কিছু গ্রুপের ডক পড়তাম, যেমন “হ্যাকার ইউনিভার্সিটি”। আমার বন্ধু Mohammad Zadran আমাকে বললো একদিন যে তার লিস্টে নাকি কিছু হ্যাকার এড আছে! সে আমাকে তাদের আইডি লিংক দিয়েছিল। এদের মধ্যে রোটেটিং রোটর ভাই ছিল ফেমাস মানুষ চিনেনই তো! এ কথা স্বীকার করতেই হচ্ছে যে আমি এক সময় উনার স্ট্যাটাস দেখার জন্য উনার টাইমলাইন চেক করতাম প্রতিদিন। এর পর একদিন উনার টিমের নামে অনেক ল্যামিং দেখা গেল এবং আমি নিজেও কিছু প্রমান পেয়েছিলাম।(সেদিকে যাচ্ছি না, তাইলে আবার মাইর লেগে যাবে যা আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে, সে সময়ও সাইবার স্পেসে যারা ছিলেন, তারাই ভাল জানেন।) এবং এর পর থেকে উনার আইডিতে আর চেক করতে যাই নি আজ আমরা তাদের পেছনে ফেলে উপরে উঠে গেছি, সেটা আমার বিশ্বাস করতেও অনেক সময় অবাক লাগে! কখনো ভাবি নি যে এতো উপরে আসা সম্ভব হবে(ধন্যবাদ সব ভাই ব্রাদারসদের সাথে থাকার জন্য)! যা হোক, ২০১৩ এর নভেম্বরে সাহাদাত ভাই(উনি বাংলাদেশ স্ক্রিপ্ট কিডি হ্যাকারস এ ছিলেন আমার সর্বশেষ জানামতে) এর প্রোফাইলে সাইবার কমান্ডোস এর পেজ দেখতে পেয়েছিলাম। সেখানে যেতেই ক্রু নেওয়া হচ্ছে বলে পোষ্ট পেলাম এবং আপিল করলাম(আমার দেখাদেখি সায়মন ভাইও, আমি সাথে করে Mohammad Zadran কেও নিয়ে নিয়েছিলাম)। পরিচয় হল হাসান ভাই এবং ডার্ক রুট ভাইয়ের সাথে তারা না থাকলে আসলে আমি আজ এতোদূর নাও আসতে পারতাম। তারা আমাকে ট্রেনিং জোনে নিল এবং পুরো ১ বছর শুধু বেসিকের উপর টিউটোরিয়াল দিতো(বুঝতাম না কিছুই)। অনেকে টেকনিক না পেয়ে লিভ করেছিলেন। তারা আজ ছন্নছাড়া! আবার অনেকে অন্য টিমে! ২০১৪ তে একদিন মনে করলাম, আমি যে বুঝছি না, এর কারন কি? অনুভব করলাম যদি what is *** লিখে গুগল করি, তবেই তো আমি wikipedia তে তথ্য পাবো! শুরু করলাম খোঁজা। আর সাথে সাথে ফেসবুকের নোট ফিচার ভাল লেগে গেল! শুরু করলাম নোট এড করা। ডিফেস করে শেয়ার করার জন্য, নাকি কি এক কারনে আমার আইডিখানা ২০১৫ তে পকাত করে ডিজেবল করে দিল ফেসবুক ৫০০০ ফ্রেন্ড বানিয়ে ফেলেছিলাম ততদিনে(এই কাহিনী আবার মিস করে ফেলেছি। আচ্ছা, দরকারী না।) আরেকটা আইডি ছিল যা দিয়ে ডিফেস করে ফেসবুকে পোষ্ট করতাম(আমিও চিরায়ত ধারা ফলো করতাম! না করবো না ফেসবুকে পোষ্ট দেওয়ার জন্যি হয়তো হ্যাকিং এ আগ্রহ এসেছিল!), সেটাও ফেসবুক ডিজেবল করে দিল। ২০১৫ তে আবার আইডি ওপেন করি একটা(এই আইডিটা)। সেটা আবার ২০১৭ তে এসে প্রিটেন্ডিং মেরে খেলে দিল কিছু মানুষ আবার খুললাম, আবার খেয়ে দিল! এখন ২০১৭ এর ১৪ ই জুলাই(যখন লিখেছিলাম)। আপনারা পড়ছেন আমার নোট!
এবার আপনি কি কি করেছেন, সেটা মিলিয়ে দেখতে পারেন অনেক কথা বলা হয় নি, কারন পুরো লাইফের Flash back আমার লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়।
ধন্যবাদ