Facebook massage

Tuesday, November 8, 2016

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান

কম্পিউটারে কাজ করতে গেলে আমাদের মাঝে মাঝে অনেক রকম সমস্যায় পরতে হয়। এজন্য কম্পিউটার এক্সপার্ট কে ডেকে নিতে হয়। আপনি যদি নিজে নিজে টুকটাক আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্‌টওয়ার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করতে পারেন তাহলে তো মন্দনয়। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই পোষ্ট পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন।
কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) লোডিং টাই
ম
সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত। আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
পিসি বারবার হ্যাং করছে
বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করু
Lapto tips
ন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে। সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
PC এর কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
বাড়িতে বা অফিসে ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন। সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
গুগল ক্রোমের সমস্যা
আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
সিডি ড্রাইভের সমস্যা
যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি। সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।
    • মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
    • মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
    • র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট,লম্বাকৃতির।
    • সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
    • একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
    • একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
    • চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
    • সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড,মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।

      বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।

    সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার।
মনিটরে ছবি আসে না
যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?

যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করতে পারি?
যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপেসেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়েরিফ্রেশ রেট ঠিক করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন-এর সমাধান কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপরও সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যাআছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ঠিকমতো বের হয় না
আমাদের সমাধান: সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং
আপনার পিসির প্রসেসরের ফ্যানে খুব বেশি ধুলো জমে গেলে তা পরিস্কার করুন। তাতেই কাজ না হলে হিট সিংক পেস্ট নতুন করে লাগান। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। সবার আগে প্রসেসরের ফ্যান শক্তভাবে প্রসেসরের উপর লাগানো আছে কিনা তা দেখে নিন। সমস্যার ধরণ: মাদারবোর্ড, প্রসেসর
পিসি টু পিসি কথা বলার সহজ উপায় কি?
আমাদের সমাধান: আপনিতো খুব সহজেই গুগল,ইয়াহু এবং স্কাইপে ব্যবহার করেই ভয়েস চ্যাট করতে পারেন নেটে। পিসি-পিসি কথা বলার জন্য এর চেয়ে সহজ কিছু হতে পারে না। মেসেঞ্জারের ভেতর অপশন থেকেই খুব সহজেই মাইক্রোফোন সেট করে নিতে পারেন। এর জন্য ওয়েবক্যামের কোনো প্রয়োজন নেই। সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট

আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন

রিভ অ্যান্টিভাইরাস সাইবার কণিকা ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস কি নিরাপত্তা দিতে পারে?

‘ফ্রি’ শব্দটি শুনতে অনেক আকর্ষণীয় হলেও ফ্রি জিনিস অনেক সময়ই কোনো কাজে আসে না। অফ কিংবা অনলাইনে তথ্য ও গোপনীয়তা নিশ্চিত ও ডিভাইসের সুরক্ষায় অ্যান্টিভাইরাসের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু তাই বলে কি পিসিতে বা মোবাইলে যেনতেন একটি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা থাকলেই হবে, নাকি উন্নত সুরক্ষা পেতে কোনো মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে?
বাজারে গেলে কিংবা গুগল করলেই দেখবেন শত শত অ্যান্টিভাইরাস। এর এই সুবিধা তো অন্যটাতে আবার নানা উপহারসামগ্রী ফ্রি! সব যাচাই করে দেখতে গেলেও মাথা ঘুরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। কেননা, প্রচলিত পণ্যের বেশিরভাগই ওই ফ্রি প্রোডাক্ট।
বিনামূল্যে পাওয়া এসব নিরাপত্তা পণ্যের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই যে, মূলত যে উদ্দেশ্যে কেউ তা ব্যবহার করতে চান, অর্থাৎ ডিভাইস ও তথ্যের নিরাপত্তা—তা নিশ্চিত করতে পারে না। এসব ফ্রিওয়্যার ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার ধরতে না পারার কারণ, এসবের কোনোটিতে আধুনিক ডিটেকশন টেকনোলজি যুক্ত করা হয়নি।
চাকচিক্য থাকলেও বিনামূল্যে পাওয়া এসব নিরাপত্তা প্রোগ্রাম রুটকিট, স্পাইওয়্যার বা হ্যাকারদের আক্রমণ ঠেকাতে পারে না। এ ছাড়া নিত্যনতুন সংক্রামিত কম্পিউটার ভাইরাস ও কি-লগারসহ বিভিন্ন অনলাইন হুমকি ঠেকাতে চাই উন্নত স্ক্যান ইঞ্জিন, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ইত্যাদি আধুনিক নিরাপত্তা সেবা।
শুধু তাই নয়, একজন ব্যবহারকারী হিসেবে দিন-রাত যেকোনো সময় কারিগরি যেকোনো সমস্যা বা ব্যবহারবিধি-বিষয়ক যেকোনো জিজ্ঞাসা মেটাতেও এসব ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের কোনো সহায়ক সেবা নেই।
সার্বিক দিক বিবেচনায় কেবল নিজের একার নিরাপত্তাই নয়, যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও জড়িত, তাই দেখে-শুনে যাচাই করে প্রিমিয়াম অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত।
কম্পিউটার ও স্মার্ট ডিভাইসের নিরাপত্তায় ব্যবহার করুন রিভ অ্যান্টিভাইরাস। এর টার্বো স্ক্যান প্রযুক্তি পিসি স্লো না করেই নিশ্চিত করে সম্পূর্ণ সুরক্ষা। ফ্রি মোবাইল সিকিউরিটি অ্যাপসহ একক ডিভাইসের পাশাপাশি রিভ অ্যান্টিভাইরাসে রয়েছে দুই বা ততোধিক ডিভাইসে ব্যবহারসহ নজরদারির জন্য অ্যাডভান্সড প্যারেন্টাল কন্ট্রোল। ঘরে কিংবা অফিসে বসেই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে রিভ অ্যান্টিভাইরাস ক্রয় করতে ভিজিট করুন www.reveantivirus.comঅথবা কল করুন 01847214959 নম্বরে।


আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন

কম্পিউটার প্রব্লেম- ও সমাধান

কম্পিউটার প্রব্লেম- ও সমাধান পিসি বারবার রিস্টার্ট নিলে করনীয়- DETAILS কম্পিউটারের জরুরী কোন কাজ করার সময় যদি কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না। আবার বারবার পিসি রিস্টার্ট নিলে পিসিতে কাজ করাও সম্ভব হয় না।  এর ফলে জরুরী ফাইল নষ্ট হয়েও যেতে পারে। বারবার পিসি রিস্টার্ট নেবার কারন না জানার চেষ্টা করে কিংবা সমস্যার সমাধান না করে জোর করে পিসি অন রাখার চেষ্টা করলে হার্ডওয়্যার পুড়ে যাওয়া সহ অনেক বড় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

 নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা ও সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

 কুলিং সিস্টেমে সমস্যা : প্রসেসরের কুলিং সিস্টেম যদি কাজ না করে কিংবা প্রসেসর প্রয়োজনমত ঠান্ডা না হয়ে ওভারহীট হলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । সেক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেমটি পরিবর্তন করতে হবে।

 পাওয়ার সিস্টেমে সমস্যা : পাওয়ার সিস্টেম হতে মেইনবোর্ড প্রয়োজনী পাওয়ার বা বিদ্যুৎ না পেলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে আপনার পিসির পাওয়ার সিস্টেমটি পরিবর্তন করে দেখুন।

 অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা: অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে মাই My Computer-এ ডান ক্লীক করে properties থেকে Advanced tab /Start up and Recovery /Settings অপশনে যেয়ে System Failure অপশনের অর্ন্তগত  Automatically Restart  অপশন থেকে টিক চিহ্ণ উঠিয়ে ok  করুন। 

ভাইরাসের আক্রমন : ভাইরাসের কারনেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য পিসিতে একটি ভালো মানের এ্যন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত এ্যন্টিভাইরাসটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।

 হার্ডওয়্যার সমস্যা : নতুন কোন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সাথে অসামাঞ্জস্য হলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগ স্থান এবং হার্ডওয়্যার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কি না ।

 নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল : নতুন সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারনে পিসি রিস্টার্ট নেয় । পিসির কনফিগারেশনের সাথে যদি সফটওয়্যার বা গেমস সাম্যঞ্জস্যপূর্ন না হয় তাহলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় ভালকরে দেখে  নিন ঐ প্রোগ্রাম চালনার জন্য পিসির কি কনফিগার প্রয়োজন । 

হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর : হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর থাকলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । ব্যাড সেক্টরের  কারনে হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করতে পারে না। এর ফলে পিসি হ্যাং  অথবা রিস্টার্ট হতে পারে । এজন্য হার্ডডিস্ক ইউটিলিটি দিয়ে ব্যাড সেক্টর জনীত সমস্যা দূর  করতে পারেন। মাদারবোর্ডে সমস্যা : যদি এর পরও পিসি রিস্টার্ট নিতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসির মেইনবোর্ডে কোন সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে দ্রুত আপনার পিসির মাদারবোর্ডটি পরিবর্তন করুন।      

  কম্পিউটারের বুট আপ টাইম আরও ফাস্ট করুন। Details কিছু কিছু সমস্যার জন্য কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় না। অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার চালু হতে ২০ মিনিট সময় লেগে যায় কিন্তু এই সময়টা লাগার কথা সর্ব্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড। এখানে আমরা দেখব কিভাবে আপনার কম্পিউটারের বুট আপ টাইম কমানো যায়। স্টেপ- ১. স্টার্টআপ প্রোগ্রাম কম রাখুন- কম্পিউটারে যে কোন প্রোগ্রাম ইন্সটল করলে তার ম্যাক্সিমামই কম্পিউটার অন হবার সময় চালু হয়ে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, এতে যেমন বুট আপ টাইম বেশি লাগে তেমনই কম্পিউটারও স্লো কাজ করে। নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম কম্পিউটার বুট আপ টাইমে চালুন হওয়া বন্ধ রাখতে পারেন। কম্পিউটার চালু হবার পর প্রয়োজন হলে ঐ প্রোগ্রামে ডাবল ক্লিক করে আবার চালু করে কাজ করতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম রান বন্ধ করতে – ১. Start - Run ২. msconfig লিখে  Enter প্রেস করুন

। ৩. system configuration utility প্রোগ্রাম চালু হবে। এখানে services অথবা startup ট্যাবে ক্লিক করুন এবং আপনি যে প্রোগামগুলো দীর্ঘসময় ব্যবহার করেনি বা কম ব্যবহার করেন সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিন।
 ৪. OK প্রেস করুন। স্টেপ- ২. হার্ডড্রাইভ অরগানাইজ করুন- কম্পিউটারে বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে করতে এর ফাইলগুলো ডিজঅরগানাইজ হয়ে পড়ে। তাই প্রাইয় অন্ততঃ সপ্তাহে একবার আপনার হার্ডড্রাইভ রিঅরগানাইজ করা প্রয়োজন। রিঅরগানাইজ করার জন্য আপনার আলাদা কোন সফটওয়্যারের প্রয়োজন নেই। উইন্ডোজের Defragment প্রোগ্রাম ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনি আপনার পিসির হার্ডড্রাইভ রিঅরগানাইজ করতে পারেন। 
১. My Computer এর C: drive এ রাইট ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।
 ২. Properties এর “Tools” ট্যাবে ক্লিক করুন।
 ৩. Defragment Now  ক্লিক করুন।
  ৪. Disk Defragmenter প্রোগাম চালূ হবে।
  ৫. এখানে প্রথমে C: drive সিলেক্ট করুন এবংDefragment ট্যাবে ক্লিক করুন। 
 ৬. C: drive এরDefragmentসম্পন্ন হলে এভাবে প্রত্যেক ড্রাইভDefragment করুন।
 স্টেপ- ৩. স্টার্টআপ ডিলে সময় কমান- কম্পিউটার দ্রুত চালু করার জন্য বুটি ডিলে টাইম ০ করে দিন। কম্পিউটারের ডিফল্ট ডিলে টাইম ৩০ সেকেন্ড,
 নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার কম্পিউটারের ডিফল্ট ডিলে টাইম কমিয়ে দিন- ১. Start - Run ২. msconfig লিখে  Enter প্রেস করুন। ৩. system configuration utility প্রোগ্রাম চালু হবে। এখানে boot.ini  ট্যাবে ক্লিক করুন এবং Time Out এর পাশের বক্সে ৩০ এর জায়গায় ৫ অথবা ০ দিন।   ৪. OK প্রেস করুন। 

    কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার কিছু উপায়- Details ১. কম্পিউটারে একটি ভালো মানের এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে রাখুন এবং ইন্টারনেট থেকে আপডেট করুন। এবং প্রতিদিন এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কান করুন। এতে একটু সময় নষ্ট হবে কিন্তু কিম্পিউটারটি ভাইরাস মুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

 ২. পেন ড্রাইভ, মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরার মেমরি কার্ড কম্পিউটারে ভাইরাস আসার একটি ভালো মাধ্যম। তাই পেন ড্রাইভ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কান করুন।
 ৩. কখনো পেন ড্রাইভ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করবেন না। My Computer-এ গিয়ে অ্যাড্রেস বার (Address Bar) থেকে খুলবেন ৪. পেন ড্রাইভ-এ কি কি ফাইল রাখছেন- মনে রাখার চেষ্টা করুন। আপনার রাখা ফাইল ছাড়া অন্য ফাইল থাকলে সেটি ভাইরাস হবার সম্ভাবনা থাকে, সেকারনে অন্য ফাইলগুলি সবসময় মুছে ফেলুন।
 ৫. কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখতে ভাইরাস সম্পর্কে আরও জানুন এবং ভাইরাসকে চেনার চেষ্টা করুন্।
 ৬. আপনার কম্পিউটারে ইন্টানেট কানেকশন না থাকলে প্রতি সপ্তাহে একবার এন্টিভাইরাস আপডেট ক্রয় করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
 ৭. কম্পিউটারের যে ফাইলটি আপনি চেনেন না কিংবা ফাইলটি কি তা যদি না বুঝতে পারেন, তাহলে কখনো ফাইলটিতে ক্লিক করবেন না।
 ৮. অপরিচিত কারো ইমেইল খুলবেন না। বর্তমানে সবচেয়ে শক্তিশালী ভাইরাসগুলি ইমেইলের মাধ্যমে কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ছে।
 ৯. ইন্টারনেট থেকে কোন প্রোগ্রাম/ফাইল/ভিডিও ডাউনলোড করলে, আগে নিশ্চিত হন যে ভাইরাস নয়। তারপর ইন্সটল করুন।
 ১০. কম্পিউটারে ব্যবহৃত সকল প্রোগ্রাম/ফাইল/ভিডিও এর এক্সটেনশন (.doc, .docx, .mp3, .amr, .avi, .mp4, .3gp etc.) সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখুন। 
১১. ফ্ল্যাশ ড্রাইভের অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় অটোরান (autorun.inf) আসলে কোন প্রকার ভাইরাস নয়। এটি ফ্ল্যাশড্রাইভের যে কোন ধরনের ফাইল বা ভাইরাসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু করে থাকে। কিছু কিছু ভাইরাস নিজেরাই autrun.inf তৈরি করে থাকে। ফলে ফ্ল্যাশ ড্রাইভের আইকনে ডাবল ক্লিক করলেই নির্দিষ্ট ফাইল বা ভাইরাস স্বয়ংক্রিয় ভাবে কম্পিউটারে চালু হবে। তবে কম্পিউটাররের অটোরান সিস্টেম ডিজ্যাবল করা থাকলে ফ্ল্যাশড্রাইভের ভাইরাস কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হতে পারবে না। পেনড্রাইভের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর হার বেশি থাকে। তাই ফ্ল্যাশড্রাইভ বা পেনড্রাউভের ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইলে কম্পিউটারে অটোরান সিস্টেম বন্ধ করতে হবে।

 এজন্য- 1. প্রথমে Start>Settings/Control Panel>Administrative Tools-এ ডাবল ক্লিক করম্নন। পর্দায় একটি উইন্ডো আসবে।
 2. উক্ত উইন্ডোর Service-এ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করম্নন। পর্দায় Service উইন্ডো আসবে।
 3. এবার Service উইন্ডোর ডান পাশ থেকে Shell Hardware Detection-এ ডাবল ক্লিক করম্নন। পর্দায় Shell Hardware Detection Properties ডায়ালগ বক্স আসবে।
 4. উক্ত ডায়ালগ বক্সের General ট্যাবে ক্লিক করে Startup types: অপশন ঘরে Disabled সিলেক্ট করে Apply এবং OK করম্নন।
 বি:দ্র: Shell Hardware Detection Service টি বন্ধ করে রাখতে পারেন। এর ফলে CD-ROMS/DVD ROMS বা ফ্ল্যাশড্রাইভ বা পেনড্রাইভের কোন AutoPlay Option কাজ করবে না এবং পিসিতে ভাইরাস আক্রমণ করার সুযোগও থাকবে না।
 5. এরপর কম্পিউটার একবার রিস্টার্ট করম্নন। এখন থেকে কম্পিউটারে কোন ফ্ল্যাশড্রাউ বা পেনড্রাইভ অটোরান করতে পারবে না।
 নোট: একটি বিষয় লক্ষ রাখা উচিত, কোন External Drive কম্পিউটারে ঢুকানোর পর সেটা ওপেন করতে মাউসের ডাবল ক্লিক না করে ডান বাটন ক্লিক করে Open করা উচিত। এতে ঐ ফোল্ডারে কোনো ভাইরাস থাকলে তা আর ইনস্টল হবে না।
 ১২. নিজে নিজে ভাইরাস মুছে ফেলা ভাইরাসের মধ্যে new folder.exe ভাইরাসের সংগে পরিচয় অনেকেরই আছে, যেটা তৈরি হয় মূলত autorun.inf ফাইল থেকে।
 এ ভাইরাস মুছতে প্রথমেই- 1. Start মেনু থেকে Search-এ গিয়ে autorun.inf লিখে Search করুন।
 2. এখন যে ফাইলগুলো আসবে, তা এক এক করে রাইট ক্লিক করে Properties-এ গিয়ে read only option-টি un-check করুন।
 3. এবার ফাইলটি নোটপেড দিয়ে Open করে Ctrl+A চেপে ফাইলে থাকা সব ডেটা ডিলিট করে দিন এবং সেইভ করে বেরিয়ে আসুন।
 4. এরপর Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে msconfig লিখে OK করুন।
 5. এবার Startup tab-এ যান, regsvr থাকলে un-check করুন এবং Exit without Restart করে বেরিয়ে আসুন।
 6. এবার Control panel>Scheduled tasks-এ গিয়ে এখানকার সব task ডিলিট করুন।
 7. পুনরায় Start>Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে OK করুন।
 8. এরপর UsersConfiguration>AdministrativeTemplates >System-এ যান এবং Prevent access to registry editing tools-এ গিয়ে disable করে দিন।
 9. আবার Start>Run-এ গিয়ে regedit লিখে OK করুন। এবার to edit>find-এ গিয়ে regsvr.exe লিখে Search করুন এবং regsvr.exe-এর সব ধরনের occurrence ডিলিট করুন। এ ক্ষেত্রে সাবধান? যেন কোনো system file ডিলিট না হয়ে যায়। যেমন- regsvr32.exe ডিলিট করা যাবে না। শুধু regsvr.exe থাকলে তা ডিলিট করে দিবেন। 
10. আবার Start>Search>all files and folders-এ যান এবং *.exe লিখুন এবং এরপর when was it modified-এ ক্লিক করে specify date সিলেক্ট করুন। যে তারিখের মধ্যে ভাইরাস আসছে বলে মনে হয়, ঐ তারিখ লিখে Search করুন। তারিখ এমনভাবে লিখুন, যে তারিখের মধ্যে শুধু ভাইরাস এসেছে কিন্তু অন্য কোনো Software install করেন নাই বলে মনে হয়।
 11. এবার Search শেষ হলে সব .exe ফাইল সিলেক্ট করে Shift+ Delete দিয়ে ডিলিট করুন।
 12. একইভাবে regsvr.exe, svchost.exe লিখে search করুন এবং ডিলিট করুন।
 13. সব শেষে কম্পিউটার পুনরায় রিস্টার্ট করুন এবং উপভোগ করুন ভাইরাসমুক্ত পিসি। এভাবে অন্যান্য ভাইরাস ডিলিট করা যায়।


 ১৩. নিজেই এন্টিভাইরাস তৈরি করুন-
 1. ডেস্কটপে MyAntivirus নামে একটি ফাইল তৈরি করুন, যার এক্সটেনশন থাকবে .bat অর্থাৎ আপনার পুরো ফাইলটির নাম হবে MyAntivirus.bat.
 2. এবার ফাইলে রাইট ক্লিক করে edit option সিলেক্ট করুন। এবার লিখুন: cd X: cd\ del *.exe/ah/s/q/f del *.inf/ah/s/q/f del ‘‘New Folder.exe’’/s/q/f del *.bat/ah/s/f/q del *.cmd/ah/s/q/f explorer X: বি: দ্র: এখানে X হলো আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে যে ডিরেক্টরিতে পাওয়া যায় সেটি যেমন- I কিংবা J 
3. এবার ফাইলটি Save করে রাখুন।
 4. আপনি যখনই আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করবেন, তখনই পেনড্রাইভ ক্লিক করে Open না করে বরং এ File ডাবল ক্লক করম্নন। দেখবেন পেনড্রাইভ Open হয়েছে কিন্তু কোন ভাইরাস নেই। মনে রাখবেন পেনড্রাইভে যাতে কোনো হিডেন *.exe ফাইল না থাকে।

 ১৪. পেনড্রাইভে একামত্ম প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো রাখার চেষ্টা করম্নন।

 ১৫.  ফোল্ডারের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করার ( সেটিংস ) সময় ‘শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডারস‘ অবস্থায় রাখুন। এতে কিছু ভাইরাস পেনড্রাইভে হিডেন অবস্থায় দেখতে পাবেন এবং এগুলো মুছে ফেলুন। 

১৬. প্রয়োজনীয় ফাইল হার্ডডিস্ক ড্রাইভে সরিয়ে রেখে পেনড্রাইভ মাঝেমধ্যে ফরম্যাট করে নিন।

 ১৭.  পেনড্রাইভের মাধ্যমে অযাচিত কিছু চালক ফাইল (*.exe) কম্পিউটারে ঢুকে পড়ে। এসবের মধ্যে 2u.exe-সহ আরও বেশ কিছু ফাইল ভাইরাস বহন করে। কিছু আছে, যা কিবোর্ড ও মাউসকে অকার্যকর করে দেয়। এই ফাইলগুলো অটোরানের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এসব ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে হলে-
 1. Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। এবার Group Policy উইন্ডো আসবে, ওখান থেকে ইউজার কনফিগারেশনে (User Configuration) + চাপুন।
 2. এবার Administrative Templates এবং System-এ ক্লিক করুন।
 3. এরপর ডান পাশে Turn off Auto play-তে দুই ক্লিক করুন এবং এটা সব ড্রাইভের জন্য Enabled করে Apply এবং OK করুন। 


  কিভাবে ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখবেন?

 Details ল্যাপটপ পরিস্কার রাখা খুব সহজ।

 শুধুমাত্র কিছু সাধারণ ক্লিনিং ম্যাটারিয়াল আর আপনার মনোযোগ থাকলেই আপনি আপনার ল্যাপটপটি নিজেই পরিস্কার রাখতে পারবেন। এই কাজটি বছরে অন্তত ১ বার অথবা প্রয়োজন হলেই করা উচিত। আর যদি আপনি আপনার ল্যাপটপটি নিয়মিত পরিস্কার রাখতে না পারেন তাহলে ল্যাপটপের পরফরমেন্স কমে যাবে, কাজ করতে করতে হ্যাং করবে, রিস্টার্ট নিবে এবং ল্যাপটপটি শাট ডাউনও হয়ে যেতে পারে। এছাড়া খুব তাড়াতাড়িই ল্যাপটপের ডিসপ্রে, র‌্যাম, কীবোর্ড, টাচপ্যাড, ডিভিডি র‌্যাম নষ্ট হয়ে যেতে পরে। 

 ল্যাপটপের সাধারণ যন্ত্রাংশ ৫টি- (১) কেসিং, (২) এল.সি.ডি স্ক্রীন, (৩) কীবোর্ড ও টাচ প্যাড, (৪) পোর্টস এবং (৫) কুলিং ভেন্টস। ল্যাপটপ ক্লিনিং করতে আপনার – (১) কটন ক্লথ, (২) ডিসটিল ওয়াটার, (৩) ১ ক্যান কমপ্রেস্ড এয়ার, (৩) আইসো প্রোপাইল এ্যালকোহোল প্রয়োজন হবে। তবে মনে রাখবেন- পেপার টাওয়েল, ফেসিয়াল টিস্যু ও ট্যাপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
 ক্লিনিং শুরু করার পূর্বে অবশ্যই ল্যাপটপের পাওয়ার খুলে রাখূন এবং ব্যাটারীটিও খুলে ফেলুন। পানি এবং এ্যালকোহোল ১:১ অনুপাতে মিশিয়ে একটি সলুশন তৈরি করুন
। (১) কেসিং- কটন কাপড়টি আপনার তৈরিকৃত সলুশনে ভিজিয়ে নিয়ে ল্যাপটপের বাইরের সাইডটি মুছে ফেলুন। দেখুন ল্যাপটপটি দেখতে একেবারে ব্রান্ড নিউ লাগছে। এবার ল্যাপটপের লিডটি তুলূন এবং কীবোর্ড এর চার পাশ ভারেঅ করে খুব সাবধানে মুছে ফেলুন।
 (২) এল.সি.ডি স্ক্রীন- স্ক্রীনে কখনো সরাসরি কোন স্প্রে করবেন না। একটি নতুন ও শুকনা কটন কাপড় পূর্বের সলুশনে ভিজিয়ে কাপড়টি দিয়ে স্ক্রীনটি বাম থেকে ডানে এবং উপর থেকে নিচের দিকে খুব সফটলী মুছুন
। (৩) কীবোর্ড ও টাচ প্যাড কীবোর্ডের উপর কমপ্রেস্ড এয়ার স্প্রে করুন এবং খুব সাবধানে আ্ঙ্গুল দিয়ে পরিস্কার করুন। আর বেশি নোংরা হলে প্রত্যেক কী খুলে পরিস্কার করুন। তবে পরিস্কার করা পর অবশ্যই ঠিক ঠিক জায় গায় ঠিক ঠিক কী লাগান। যদি আপনার কীবোরাডটি ওয়াটারপ্রুফ হয়, তাহলে ডিসটিল ওয়াটার দিয়ে ধুয়ে ফেলে শুকিয়ে ফেলুন। শেষে একটি পরিস্কার কটন কাপড় দিয়ে কীবোর্ড ও টাচ প্যাডটি ভালোভাবে মুছে ফেলুন।
 (৪) পোর্টস পোর্টস ক্লিন করার জন্য কমপ্রেস্ড এয়ারের ক্যানিটি ব্যবহার করুন।
 (৫) কুলিং ভেন্টস কুলিং ভেন্টস ক্লিন করার জন্য ও কমপ্রেস্ড এয়ারের ক্যানিটি ব্যবহার করুন। সরাসরি স্প্রে না করে একটু কৌনিক ভাবে স্প্রে করুন। টুথ পিক ব্যবহার করে খুব সাবধানে ফানের ব্লেডগুলো পরিস্কার করুন। ল্যাপটপটির পাওয়ার অন করার পূর্বে নিশ্চিত হন যে, ল্যাপটপটি খুব ভারেঅ ভাবে শুকানো হয়েছে।           হার্ডডিস্ক সম্পর্কে জানুন Details কম্পিউটারের প্রতিটা ডিভাইসই সমান গুরুত্বপূর্ণ ও সমান ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও হার্ডডিস্ক অন্য ডিভাইসের চেয়ে অনেক বেশী ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এতে রক্ষিত তথ্য যেকোন মুহূর্তেই মুছে যেতে পারে। হার্ডডিক্সের পাওয়ার বা ডেটা ক্যাবেলের সংযোগ ভালোভাবে না থাকলে হার্ডডিক্সে পর্যাপ্ত বিদ্যুত প্রবাহে বাধা সৃ্ষ্টি হবে আর পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ না থাকায় প্লেটারে ডাটা রিড রাইটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে সেখানে ব্যাড সেক্টর দেখা দেয়। হার্ডডিস্কে দুই ধরণের সমস্যা হয় – লজিকাল আর ফিজিকাল। লজিকাল সমস্যা হল ব্যাড সেক্টর পড়ে যাওয়া। ডিস্কে অতিরিক্ত ডাটা রাখলে বা ডিস্কের বেশি জায়গা অব্যবহৃত থাকলে সেখানকার সেক্টরে সমস্যা হতে পারে। এটা লজিকাল সমস্যা, অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়্যারের সাহায্যে রিপেয়ার করা যায়। ফিজিকাল সমস্যা হল হেড বেঁকে যাওয়া, প্লেটারের ট্র্যাক নষ্ট হয়ে যাওয়া, অ্যাকচুয়েটরে সমস্যা ইত্যাদি। এই সমস্যা সফটওয়্যার দিয়ে রিপেয়ার করা যায়না। এক্ষেত্রে প্লেটার বদলে অথবা লজিক বোর্ড চেঞ্জ করে তথ্য উদ্ধার করা যায়। হার্ডডিস্ক ভালো রাখার কিছু টিপস প্রতি পার্টিশনে অন্তত ২০% ফাকা জায়গা রাখুন। নিয়মিত ডিফ্র্যাগ করুন। সপ্তাহে একবার বুট টাইম ডিফ্র্যাগ করুন। অর্থাৎ পেজফাইল, হিবারফিল ইত্যাদি সহ  সিস্টেম ফাইল ডিফ্র্যাগ করুন। হার্ডডিস্ক এর তাপমাত্রা মনিটর করুন। দরকার হলে ক্রিটিকাল তাপমাত্রা সেট করে দিন যেন বেশি গরম হয়ে গেলে আপনি নোটিফিকেশান পান। হার্ডডিস্ককে ধুলাবালি থেকে ১০০ গজ দূরে রাখুন। মনে রাখবেন ছোট্ট একটা কণা যা আপনার মাথার চুলের দশভাগের একভাগ সেটা আপনার ডিস্ক হেডকে নষ্ট করে দিতে পারে। ইউপিএস ব্যবহার করুন। ব্যাকআপের জন্য রেইড বানিয়ে ফেলুন। ছয়মাস বা একবছর পর পর সুযোগ পেলে হার্ডডিস্ক এর সকল ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে ডিস্ক লো লেভেল ফরম্যাট করে নিন। এতে ব্যাড সেক্টর সহ কোন সমস্যা থাকলে তা দূর হয়ে যাবে। উইন্ডোজ এর ইনডেক্সিং বন্ধ করে দিন। ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ হার্ডডিস্ক এর সকল ফাইল এর লিস্ট তৈরি করে এবং সার্চ করলে দ্রুত ফলাফল দেখায়। কিন্তু ইনডেক্স এর কারণে অযথাই ডিস্ক ঘুরতে থাকে এবং শক্তি বা ব্যাটারি ক্ষয় হয়। হার্ডডিস্ক এর এটিএ কেবল ও পাওয়ার কেবল মজবুতভাবে যুক্ত আছে কিনা দেখে নিন। এটা ঢিলা হয়ে গেলে হার্ডডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 

আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন......

কম্পিউটার এর খুটিনাটি সমস্যা ও তার সমাধান

০১) কম্পিউটার এ পাওয়ার আসছে না প্রথমে ইলেকট্রিক সংযোগ তারপর পাওয়ার কট এবং পাওয়ার সাপ্লাই চেক করুন।
০২) কিছুক্ষন চলার পর কম্পিউটার অটোমেটিক সাটডাউন হচ্ছে?
প্রথমে সেটিংস এ দেখুন সাটডাউন টাইম সিডিউল করা আছে কিনা, না থাকলে প্রসেসরের কুলিং পেস্ট আছে কিনা দেখুন শুকিয়ে গেলে নতুন পেস্ট লাগিয়ে ভাল করে কুলিং ফ্যানটি সংযোজন করেন।
০৩) কম্পিউটার রান হচ্ছে কিন্তু মনিটরে কিছু আসছেনা ,,,,,
ক.) মাদারবোর্ড সর্ট থাকতে পারে সেক্ষেত্রে মাদার বোর্ড এর নিচে প্রটেক্ট আছে কিনা না থাকলে শক্ত কাগজ দিয়েও প্রটেক্ট দিতে পারেন।
খ.) Memory খারাপ থাকলে ও ডিসপ্লে আসবে না কিন্তু সে ক্ষেত্রে Bad Memory সিগনাল পাবেন অবশ্যই।
গ.) স্টাবিলেইজার আউটপুট ভোল্ট ঠিক মত দিচ্ছে কিনা দেখে নিন।
কিছু বিপকোড……যা দ্বারা নির্ধারন করতে পারবেন কম্পিউটারের সমস্যা টি কোথায়।
1 Short Beep.
One beep is good! Everything is ok, that is if you see things on the screen. If you don’t see anything, check your monitor and video card first. Is everything connected? If they seem fine, your motherboard has some bad chips on it. First reset the SIMM’s and reboot. If it does the same thing, one of the memory chips on the motherboard are bad, and you most likely need to get another motherboard since these chips are soldered on.
2 Short Beeps.
Your computer has memory problems. First check video. If video is working, you’ll see an error message. If not, you have a parity error in your first 64K of memory. First check your SIMM’s. Reseat them and reboot. If this doesn’t do it, the memory chips may be bad. You can try switching the first and second banks memory chips. First banks are the memory banks that your CPU finds its first 64K of base memory in. You’ll need to consult your manual to see which bank is first. If all your memory tests good, you probably need to buy another motherboard.
3 Short Beeps.
Basically the same thing as 2 beeps. Follow that diagnosis above.
4 Short Beeps.
Basically the same thing as 2 beeps. Follow that diagnosis above. It could also be a bad timer
5 Short Beeps.
Your motherboard is complaining. Try reseating the memory and rebooting. If that doesn’t help, you should consider another motherboard. You could probably get away with just replacing the CPU, but that’s not too cost-effective. Its just time to upgrade!
6 Short Beeps.
The chip on your motherboard that controls your keyboard (A20 gate) isn’t working. First try another keyboard. If it doesn’t help, reseat the chip that controls the keyboard, if it isn’t soldered in. If it still beeps, replace the chip if possible. Replace the motherboard if it is soldered in.
7 Short Beeps.
Your CPU broke overnight. Its no good. Either replace the CPU, or buy another motherboard.
8 Short Beeps.
Your video card isn’t working. Make sure it is seated well in the bus. If it still beeps, either the whole card is bad or the memory on it is. Best bet is to install another video card.
9 Short Beeps.
Your BIOS is bad. Reseat or Replace the BIOS.
10 Short Beeps.
Your problem lies deep inside the CMOS. All chips associated with the CMOS will likely have to be replaced. Your best bet is to get a new motherboard.
11 Short Beeps.
Your problem is in the Cache Memory chips on the motherboard. Reseat or Replace these chips.
1 Long, 3 Short Beeps.
You’ve probably just added memory to the motherboard since this is a conventional or extended memory failure. Generally this is caused by a memory chip that is not seated properly. Reseat the memory chips.
1 Long, 8 Short Beeps.
Display / retrace test failed. Reseat the video card.

ডেস্কটপ কম্পিউটার
কম্পিউটার চালু হচ্ছে না
হার্ডওয়ার
১. পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা
২. পাওয়ার বাটনের সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. প্রসেসরের সমস্যা ১. পাওয়ার সাপ্লাই ঠিক আছে কিনা এবং প্রয়োজনীয় সব ক্যাবল লাগানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কেসিং এর পাওয়ার বাটন চেক করুন।
৩. ইন্টারনাল স্পীকার একের অধিক বীপ আওয়াজ ক্রমাগত করলে বুঝতে হবে র‌্যামের সমস্যা। র‌্যাম বদলাতে হবে।
৪. প্রসেসর ঠিকমতো বসানো আছে কিনা এবং কুলিং ফ্যান চেক করুন।
কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট হচ্ছে সফটওয়ার
১. ভাইরাসের কারণে
২. এন্টিভাইরাসের সমস্যার কারণে
৩. কোনো বিশেষ অসামঞ্জস্যপূর্ণ সফটওয়ার ইন্সটলের কারণে
৪. অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার জন্য ১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পুরো পিসি ভালো করে স্ক্যান করুন।
২. একাধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. যদি বিশেষ কোনো সফটওয়ার ইন্সটল করার পর থেকে সমস্যাটি দেখা দিয়ে তাহলে সেটি মুছে ফেলুন।
হার্ডওয়ার ১. র‌্যাম
২. পাওয়ার সাপ্লাই
৩. কুলিং ফ্যান
৪. নতুন হার্ডওয়ার
৫. ধুলাবালি ১. কখনোই ভিন্ন ভিন্ন বাস স্পীডের র‌্যাম ব্যবহার করবেন না।
২. র‌্যামটি খুলে অন্য স্লটে লাগিয়ে দেখুন।
৩. বিদ্যুতের উঠানামার জন্য এমনটা হলে ইউপিএস ব্যবহার করুন।
৪. প্রসেসর কুলিং ফ্যান ঠিকমতো ঘুরছে কিনা এবং সেটি শক্তভাবে প্রসেসরে লাগানো আছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়ার লাগানোর পর থেকে যদি সমস্যার শুরু হয় তাহলে সেটি খুলে ফেলুন।
৬. কম্পিউটারের কেসিং এর ভেতরটা ধুলাবালি মুক্ত রাখুন।
কম্পিউটার চালুর পর নিজেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে হার্ডওয়ার ১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যানের সমস্যা ১. মাদারবোর্ডে প্রসেসরের কুলিং ফ্যান শক্তভাবে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
২. কম্পিউটার পুরাতন হলে প্রসেসরের আর ফ্যানের মাঝে থাকা থার্মাল পেস্ট ক্ষয়ে যাবার কারণে এমন হলে নতুন পেস্ট লাগাতে হবে।
৩. ফ্যানে জমে থাকা ধুলো পরিস্কার করতে হবে, এয়ার ব্লোয়ার ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো হয়।
পিসি অন করলেই প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং আসছে হার্ডওয়ার ১. প্রসেসরের কুলিং ফ্যান ১. প্রসেসরের উপরের কুলিং ফ্যান ঠিকভাবে শক্ত করে বসানো আছে কিনা চেক করুন।
কম্পিউটার চালু করার পর বীপ দিতে থাকে হার্ডওয়ার ১. যদি বীপ সংখ্যা এক হয় তার মানে কম্পিউটার ডিসপ্লে আউটপুট পাচ্ছে না।অথবা কীবোর্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিকমতো সংযুক্ত না হলেও এমনটা হতে পারে।।
২. যদি একটি বড় বীপের পর দুটি ছোটো বীপ হয় তারমানে র‌্যাম পাচ্ছে না আপনার মাদারবোর্ড।
৩. যদি একটি বড় বীপের পর তিনটি ছোট বীপ হয় তাহলে বুঝবেন নিশ্চিতভাবেই ডিসপ্লে বা গ্রাফিক্স আউটপুটের সমস্যা।।
৪. যদি একটা বড় বীপ তারপর চারটা ছোট বীপ হয় তারমানে আপনার মাদারবোর্ড বা গুরুত্বপূর্ণ কোন হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে গিয়েছে বা ঠিকমতো কাজ করছে না।
১. র‌্যাম পরিবর্তন না স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
২. মনিটরের দিকে তাকান। এটি কি স্লীপ মোডে আছে।? অর্থাৎ এর লেড লাইট কি জ্বলছে নিভছে কিনা খেয়াল করুন। যদি তা না হয় অর্থাৎ লেড লাইট জ্বলেই থাকে এবং মনিটরে কিছু না কিছু দেখা যায় তাহলে আপনার মাদারবোর্ড ও গ্রাফিক্স কার্ড ঠিক আছে।
৩. যদি পাওয়ার অন করাই সম্ভব না হয় তাহলে কেসিং খুলে দেখুন নিঃসন্দেহে আপনার পাওয়ার সাপ্লাইয়ে সমস্যা।
৪. এবারে ধরুন মাদারবোর্ডের পাওয়ার লেড জ্বলছে কিন্তু কেসিংয়ের পাওয়ার বাটন চাপলেও পিসি রেসপন্স করছে না তখন বুঝতে হবে কেসিংয়ের পাওয়ার সাপ্লাইয়ে কোনো সমস্যা হবার কারণে এটি পর্যাপ্ত ভোল্টেজ আউটপুট দিতে পারছে না। এক্ষেত্রে সম্ভব হলে অন্য পাওয়ার সাপ্লাই লাগিয়ে চেষ্টা করে দেখুন।
৫. পাওয়ার সুইচেই সমস্যা। অভিজ্ঞ কাজ জানা ব্যবহারকারীরা সম্ভব হলে মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল দেখে মাদারবোর্ডের পাওয়ার বাটন পিন দুইটি বের করে তা কোনোভাবে কন্টাক্ট করে দেখতে পারেন কাজ হয় কিনা।
পাওয়ার সাপ্লাই কাজ করছে না হার্ডওয়ার
পাওয়ার সাপ্লাই নষ্ট হয়ে গেছে
১. নষ্ট হলে ঠিক না করে নতুন পাওয়ার সাপ্লাই লাগানো যেতে পারে।
উইন্ডোজ চালু হতে বেশি সময় নিচ্ছে সফটওয়ার ১. স্টার্টআপে প্রোগ্রামের সংখ্যা বেশি ১. স্টার্ট মেনু বা রানে গিয়ে MSCONFIG লিখে এন্টার দিন। স্টার্ট আপ ট্যাব থেকে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম আনচেক করুন।
কম্পিউটার বারবার হ্যাং করছে সফটওয়ার ১. ভাইরাস
২. একাধিক এন্টিভাইরাস ১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি ভালোমতো স্ক্যান দিন।
২. একসাথে একের অধিক এন্টিভাইরাস পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
হার্ডওয়ার ১. র‌্যাম ১. র‌্যাম ঠিকমতো স্লটে বসানো আছে কিনা দেখুন।
২. একই বাসস্পীডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করবেন।
কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছে সফটওয়ার ১. ভাইরাস
২. অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম
৩. সি ড্রাইভে অপর্যাপ্ত স্পেস ১. এন্টিভাইরাস দিয়ে পিসি স্ক্যান করুন।
২. খুব বেশি এপ্লিকেশন বা সফটওয়ার পিসিতে ইন্সটল করবেন না।
৩. সি ড্রাইভ বা উইন্ডোজের ড্রাইভে ২০% স্পেস সবসময় খালি রাখবেন।
হার্ডওয়ার ১. র‌্যাম
২. ধুলাবালি ১. কম্পিউটারের ভেতর এবং আশপাশ সবসময় ধুলাবালি মুক্স রাখবেন।
২. উষ্ণ কোনো স্থানে কম্পিউটার রাখবেন না।
৩. প্রয়োজনের চেয়ে র‌্যামের মেমোরির পরিমাণ কম।
কম্পিউটারের ঘড়ির সময় ঠিক থাকছে না হার্ডওয়ার
১. মাদারবোর্ড পুরাতন হলে বায়োসের ব্যাটারী ডাউন হবার কারণে ১. কম্পিউটার মাদারবোর্ডে থাকা বায়োসের কয়েন সদৃশ ব্যাটারীটি বদলে দিতে হবে।
মনিটর কম্পিউটারের ডিসপ্লেতে কিছু আসছে না হার্ডওয়ার ১. র‌্যামের সমস্যা
২. গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা
৩. কানেকশনের সমস্যা ১. মনিটরের পাওয়ার এবং সিপিইউ’র ডিসপ্লে আউটপুট থেকে মনিটর পর্যন্ত সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করুন।
২. র‌্যামের স্লট পরিবর্তন করে বসালেও এ সমস্যা মাঝেমাঝে ঠিক হতে পারে।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর ইন্টারনাল সিস্টেম স্পীকার তিনবার ছোটো ছোটো বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ড চেক করুন।
৪. বায়োস রিসেট দিন।
মনিটরের স্ক্রীণ ঝাপসা সফটওয়ার ১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ডাইরেক্ট এক্স এর সমস্যা
৩. সেটিংস এর সমস্যা ১. আপনার গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য সর্বশেষ ড্রাইভার ডাউনলোড করে ইন্সটল করুন
২. ডাইরেক্ট এক্স আপডেট করুন।
৩. ডিসপ্লে সেটিংস এ গিয়ে রেজুলেশন এবং রিফ্রেশ রেট(৬০ হার্টজ) চেক করুন। কালার মোড(৩২ বিট) চেক করুন।
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা হার্ডওয়ার ১. কানেকশনের সমস্যা
২. বায়োস সেটিংস
৩. ত্রুটিপূর্ণ গ্রাফিক্স কার্ড ১. গ্রাফিক্স কার্ড এবং মনিটরের কানেকশন চেক করুন।
২. বায়োসের সেটিং ডিফল্ট করে দিন।
৩. যদি কম্পিউটার অন করার পর সিস্টেম স্পীকার ৩টি বীপ করে তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা হয়েছে। অন্য গ্রাফিক্স কার্ড লাগিয়ে চেক করুন।
মনিটরের লেখা/ছবি উলটে গেছে সফটওয়ার
১. সেটিংস এর সমস্যা ১. গ্রাফিক্স কার্ডের সেটিংস এ গিয়ে রোটেশন অফ করে দিন বা শুণ্য ডিগ্রী করে দিন।
২. ctrl+alt+ up arrow key
মনিটরের কনট্রাস্ট রেশিও ঠিক করে দিলেও বার বার উইন্ডোটি আসতে থাকে। হার্ডওয়ার ১। ভিজিএ ক্যাবল এ সমস্যা থাকতে পারে।
২। গ্রাফিক্স কার্ডের কারনে হতে পারে
৩। মনিটরের সুইচ/আইসিতে সমস্যা থাকতে পারে।
৪। এজ মডেমের সিগনালের কারনে হতে পারে। ১। সুইচ চেক করা।
২। ভিজিএ ক্যাবল ঠিকমত লাগাতে হবে।
৩। এজ মডেম সামনের পোর্ট থেকে খুলে পিছনের পোর্টে লাগাতে হবে।
মনিটরের স্ক্রিনে নীল রং এসে থেমে যায় এবং মনিটর চালু হয় না হার্ডওয়ার
১. হার্ডওয়্যার এর সমস্যা হতে পারে ১. অভিজ্ঞ কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
সফটওয়ার ১. র‌্যাম স্লটে সমস্যা হতে পারে।
২. উইন্ডোজ ইন্সটলেশন সমস্যা হতে পারে।
৩. বেড সেক্টর এর কারণে হতে পারে।
৪. ভাইরাসের কারণে হতে পারে। ১. পুনরায় কম্পিউটার রিস্টার্ট করা যেতে পারে।
২. র‌্যাম স্লট পরিবর্তন করে দেখা যেতে পারে।
৩. উইন্ডোজ সেট আপ দেয়া যেতে পারে।
৪. হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর সমস্যার সমাধান করতে হবে।
CRT মনিটরে ডিসপ্লে তে বিভিন্ন color আসা হার্ডওয়ার ১. মনিটরের পাশে ম্যাগনেটিক ফিল্ডের উপস্থিতি।
২. ভিজিএ ক্যাবল নষ্ট ১. মনিটরের contrast মেন্যুতে dgauge বাটনে ক্লিক করলেই ভিতরের সমস্ত ray বের হয়ে গিয়ে ঠিক হয়ে যাবে।
২. ভিজিএ ক্যাবল চেক করতে হবে।
৩. সকল ম্যাগনেটিক বস্তু বিশেষত স্পীকার মনিটর থেকে দূরে সরাতে হবে।
উইন্ডোজ সেটআপ
উইন্ডোজ এক্সপি সেটআপ হচ্ছে না হার্ডওয়ার
১. বুট ডিভাইস সেটিংস
২. সিডিতে সমস্যা
৩. র‌্যামের সমস্যা
৪. হার্ডডিস্কের কম্পাটিবিলিটি ১. বায়োসের বুট ডিভাইস প্রায়োরিটি থেকে সিডি ডাইভ প্রথমে নিয়ে আসুন।
২. যদি ফাইল কপি হবার সময় আটকে যায় তাহলে বুঝতে হবে সিডিতে সমস্যা, অন্য সিডি ব্যবহার করুন।
৩. ইন্সটলেশন শুরুর পর আটকালে সেটা র‌্যামের কারণে হতে পারে। সব র‌্যাম একই বাস স্পীডবিশিশট কিনা তা দেখুন। স্লট পরিবর্তন করে দেখুন।
৪. যে ড্রাইভে ইন্সটল করছেন সেটা এনটিএফএস ফরম্যাটে আছে কিনা চেক করে দেখুন।
উইন্ডোজ এক্সপি হার্ডডিস্ক খুঁজে পাচ্ছে না সফটওয়ার ১. নতুন মডেলের হার্ডডিস্ক ১. উইন্ডোজ এক্সপির সার্ভিস প্যাক ৩ ব্যবহার করুন। ল্যাপটপের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট নির্মাতার মডেলের উপর ভিত্তি করে এক্সপির আলাদা ভার্সন বানিয়ে থাকে। সেটা ব্যবহার করতে হবে।
হার্ডওয়ার
১. কানেকশনে সমস্যা
২. হার্ডডিস্ক কন্ট্রোলার ১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক কন্ট্রোল মোড হবে আইডিই।
উইন্ডোজ এর কোন সিস্টেম ফাইল নষ্ট হয়ে যাওয়া হার্ডওয়ার ১. ভাইরাসের কারণে ১. Google এ সার্চ দিয়ে নির্দিষ্ট ফাইলটি খুজে উইন্ডোজ এর নির্দিষ্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।
উইন্ডোজ সেভেন/ভিসতা থাকলে এক্সপি ইন্সটল হয় না সফটওয়ার
১. উইন্ডোজের নিয়ম এটি ১. EasyBCD সফটওয়ার দিয়ে কাজটি করা যায়।
User Account এর পাসওয়ার্ড ভূলে যাওয়া ১. সেফ মুডে কম্পিউটার অন করে পাসওয়ার্ড মুছে দেয়া।
২. ctrl+alt চেপে ধরে দুইবার delete চেপে administrator দিয়ে ওপেন করা।
হার্ডডিস্ক
কম্পিউটার হার্ডডিস্ক পাচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. কানেকশনে সমস্যা
২. বায়োসের সেটিংস
৩. হার্ডডিস্কের সমস্যা ১. হার্ডডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের কানেকশন ঠিক আছে কিনা দেখুন।
২. বায়োসের সেটিংস এ হার্ডডিস্ক ঠিকমতো দেখাচ্ছে কিনা দেখুন। ডিফল্ট সেটিং ব্যবহার করুন।
৩. হার্ডডিস্ক পুরাতন হলে বা ব্যাড সেক্টর পড়লে নতুন হার্ডডিস্ক ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই।
হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর হার্ডওয়ার ১. ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে গেলে
২. যথাযথ ভাবে কম্পিউটার বন্ধ করা না হলে ১. ফিজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করা যায় না।
২. লজিক্যাল বেড সেক্টর দূর করার জন্য বিভিন্ন ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায় যেমন- Norton utility disk doctor।
৩. c ড্রাইভ এর properties থেকে Tools এর check now এ গিয়ে দুইটি check box ok দিয়ে start এ ক্লিক করতে হবে।
কীবোর্ডের কী কাজ করছে না হার্ডওয়ার
১. ধুলাবালি/তরল পদার্থের জন্য
২. কী বোর্ড পুরাতন হয়ে গেলে।
৩. কী বোর্ড এর কার্বন নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
১. ধুলাবালি পরিস্কার করে শুষ্ক স্থানে রাখুন।
২. নতুন কীবোর্ড ব্যবহার করাই ভালো।
সফটওয়ার ১. কীবোর্ড সেটিংসের সমস্যা ১. কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে কীবোর্ড সেটিং চেক করুন।
উইন্ডোজ আপডেটের পর সমস্যা সফটওয়ার ১. আপডেট কম্পাটিবল না ১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
হার্ডওয়ার আপডেটের পর সমস্যা সফটওয়ার ১. আপডেট কম্পাটিবল না ১. নতুন আপডেটটি আনইন্সটল করে ফেলুন।
সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ ডিস্ক রীড করছে না হার্ডওয়ার ১. ডিস্কে সমস্যা
২. ড্রাইভের হেডে জমে থাকা ধুলো ১. বেশি স্ক্র্যাচ/দাগযুক্ত সিডি/ডিভি ড্রাইভে ঢুকাবেন না।
২. সিডি ক্লিনার বা ড্রাইভ খুলে হেড পরিস্কার করুন।
একটি বিশেষ সিডি/ডিভিডি চলছে না হার্ডওয়ার
১. সিডিটি নষ্ট হতে পারে
২. সিডি/ডিভিডি ড্রাইভটি দূর্বল হয়ে যেতে পারে ১. বায়োস এ গিয়ে সিডি/ডিভিডি রমকে প্রথম বুট প্রায়োরিটি দিতে হবে।
২. সিডি/ডিভিডি ড্রাইভ এর ক্যাবল মাদারবোর্ড এর অন্য স্থানে লাগাতে হবে।
৩. নতুন করে বায়োস সেট আপ করা যেতে পারে।
কম্পিউটারে সাউন্ড নেই সফটওয়ার ১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই
২. ভুল সেটিংস করা আছে ১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।
২. উইন্ডোজের সাউন্ড সেটিংস এ গিয়ে ডিফল্ট সাউন্ড ডিভাইস চেক করুন।
কম্পিউটারের সামনের পোর্ট দিয়ে সাউন্ড আসছে না সফটওয়ার ১. ড্রাইভার ইন্সটল করা নেই ১. মাদারবোর্ডের ড্রাইভার সিডি থেকে সাউন্ডের ড্রাইভার আপডেট করুন।
হার্ডওয়ার ১. বায়োস সেটিংস ঠিক নেই
২. মাদারবোর্ডে জ্যাক লাগানোয় সমস্যা ১. বায়োসে গিয়ে ফ্রন্ট প্যানেল অডিও আউটপুট এসি’৯৭ সেট করুন।
২. মাদারবোর্ডের ম্যানুয়াল অনুযায়ী ঠিকভাবে সাউন্ডের জ্যাক মাদারবোর্ডের সঠিক পোর্টে লাগানো হয়েছে কিনা দেখুন।
স্কাইপিতে মাইক্রোফোন কাজ করে না সফটওয়ার ১. সাউন্ড ডিভাইস ডিজেবল থাকলে
২. স্কাইপি সাউন্ড সেটিং ঠিক না থাকলে
৩. ডিফল্ট মাইক্রোফোন ঠিক না থাকলে ১. উইন্ডোজের ডিফল্ট রেকর্ডিং ডিভাইস চেক করুন।
২. সাউন্ড কার্ডের ড্রাইভার আপডেট করে মাইক্রোফোন এনাবেল করুন।
৩. স্কাইপি কল সেটিং থেকে অডিও সেটিং এ গিয়ে মাইক্রোফোন চেক করে দিতে হবে।
মাউস ঠিকমতো কাজ করছে না হার্ডওয়ার
১. বল মাউসের ক্ষেত্রে ধুলো
২. মাউসের পোর্ট
৩. মাউস ব্যবহারের তল ১. বল মাউসের রোলার বলটি খুলে পরিস্কার করুন।
২. ইউএসবি অপটিক্যাল মাউস হলে পোর্ট পরিবর্তন করুন।
৩. প্রতিফলিত হতে পারে এমন কোনো স্থানে রেখে অপটিক্যাল মাউস ব্যবহার করবেন না।
ইউএসবি ডিভাইস পাচ্ছে না হার্ডওয়ার
১. বায়োসে ডিজাবেল করা ১. বায়োস রিসেট বা ইউএসবি এনাবেল করে দিন।
পেন ড্রাইভ ফরম্যাট হয় না সফটওয়ার ১. ভাইরাস
২. ফাইল সিস্টেমের সমস্যা ১. ফরম্যাটিং টুল ব্যবহার করা।
২. ডস মুডে গিয়ে ফরম্যাট্ করা।
৩. অন্য পিসিতে চেষ্টা করা।
৪. অটো রান বন্ধ করে চেষ্টা করা।
৫. পেন ড্রাইভ নির্মাতার ওয়েব সাইট থেকে ফরম্যাট টুল ব্যবহার করা।
PDF ফাইল এডিট করা যায় না সফটওয়ার ১. প্রয়োজনীয় সফটওয়ারের অভাব ১. Adobe Acrobat Professional (min 6 or upper version) দিয়ে করা যায়।
বাংলা পড়া যাচ্ছে না সফটওয়ার ১. দরকারি বাংলা ফন্ট নেই ১. প্রয়োজনীয় সকল ফন্ট কপি করে ফন্ট ফোল্ডারে পেস্ট করতে হবে।
ইন্টারনেট
ডায়ালআপ মডেম কানেকশন পাচ্ছে না সফটওয়ার
১. ডিভাইস ড্রাইভার
২. ভুল ডায়ালআপ নাম্বার ১. ডিভাইস ম্যানেজারে গিয়ে মডেমের ড্রাইভার এবং মডেম ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করুন।
২. ডায়ালআপ নাম্বার এবং পাসওয়ার্ড চেক করুন।
৩. ইন্টারনেট কানেকশনের সব সেটিং চেক করুন।
৪. নতুন করে কানেকশন প্রোফাইল তৈরি করুন।
মোবাইল ইন্টারনেটে সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে না সফটওয়ার ১. সীমের সংযোগ বা ইউএসবি পোর্টের সংযোগ
২. কানেকশন সেটিংস পরিবর্তনের কারণে
৩. অন্য কোন ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের কারণে ১. সীম ট্রে থেকে সিমটি খুলে আবার ভালোমতো সেখানে স্থাপন করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. পিসি রিস্টার্ট দিয়ে দেখুন।
৪. মডেমের ড্রাইভার আনইন্সটল করে নতুন করে আবার ইন্সটল করুন।
৫. অন্য কোনো মডেম বা মোবাইল দোনের ড্রাইভার ইন্সটল করা হয়ে থাকলে সেগুলো আনইন্সটল করে তারপর নতুন করে আবার মডেমের ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার ইন্টারনেট মডেম খুঁজে পাচ্ছে না সফটওয়ার
১. পোর্টের সমস্যা
২. ড্রাইভার নেই ১. অন্য ইউএসবি পোর্টে মডেম লাগিয়ে দেখুন।
২. কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন।
৩. অন্য মডেমের ড্রাইন মুছে ফেলে নতুন করে মডেম ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
মডেমে নো নেটওয়ার্ক/নো সার্ভিস সফটওয়ার ১. ড্রাইভারের সমস্যা
২. সীমের সংযোগ ১. ড্রাইভার নতুন করে ইন্সটল করুন।
২. সীমটি মডেমের ট্রে থেকে খুলে আবার ভালোভাবে স্থাপন করুন।
ইন্টারনেট সংযোগের ধীরগতি হার্ডওয়ার ১. সংযোগ লাইনের দূর্বলতা ১. মোবাইল ইন্টারনেট কিংবা ডায়ালআপ ইন্টারনেটের গতি এমনিতেই কম। ব্রডব্যান্ড, এডিএসএল কিংবা ওয়াইম্যাক্স ব্যবহার করে ভালো গতি পেতে পারেন।
নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারে সংযুক্ত হওয়া যাচ্ছে না সফটওয়ার ১. আইপি এড্রেস
২. সেটিংস ১. নেটওয়ার্কে থাকা কম্পিউটারগুলার আইপি এড্রেস ঠিক আছে কিনা দেখুন
২. অন্য কম্পিউটারের সাথে শেয়ারিং অন আছে কিনা দেখুন।
ইউপিএস
ইউপিএস ব্যাকআপ দিচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. ব্যাটারী পুরাতন ১. যদি ইউপিএস পুরাতন হয়ে থাকে তাহলে ইউপিএস-এ থাকা ব্যাটারী পরিবর্তন করুন।
২. নতুন ইউপিএস এ এই সমস্যা হলে সার্কিটের কারণে তা হতে পারে।
ইউপিএস থাকার পরেও কম্পিউটার রিস্টার্ট হয় হার্ডওয়ার
১. সার্কিটের সমস্যা
২. চার্জ কম
৩. লোড বেশি ১. ইউপিএস এ চার্জ কম থাকলে এমন হতে পারে।
২. যদি ইউপিএস এর আউটপুট ক্ষমতার চেয়ে কম্পিউটারের লোড বেশি হয়ে যায় তাহলে হতে পারে। প্রিন্টার, স্ক্যানার ইউপিএস এর সাথে লাগাবেন না।
৩. সব ঠিক থাকার পরেও সমস্যা হলে সেটা সার্কিটের কারণে হতে পারে।
প্রিন্টার
প্রিন্টার কাজ করছে না সফটওয়ার
১. ড্রাইভার
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস ১. আপডেটেড প্রিন্টার ড্রাইভার ব্যবহার করতে হবে।
২. ডিফল্ট প্রিন্টার সেটিংস চেক করতে হবে।
হার্ডওয়ার ১. লুজ কানেকশন ১. প্রিন্টারের সাথে ইউএসবি পোর্টের কানেকশন চেক করুন।
২. ইউএসবি পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন।
কার্ট্রিজ রিফিল করার পর সমস্যা হচ্ছে হার্ডওয়ার ১. কালির সমস্যা
২. কার্ট্রিজের সমস্যা ১. রিফিলে ব্যবহৃত কালির মান ভালো না।
২. রিফিলের ফলে কার্ট্রিজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
একই পেজ বারবার প্রিন্ট হচ্ছে সফটওয়ার
১. সফটওয়ার/ড্রাইভারের সমস্যা ১. প্রিন্টারের অফ করে পিসি থেকে ক্যাবল খুলে কিছুক্ষণ পর আবার লাগিয়ে অন করুন।
২. নোটিফিকেশন এরিয়ার প্রিন্টার ডকুমেন্ট লিস্ট থেকে জমে থাকা ফাইল মুছে ফেলুন।
কমান্ড দিলে প্রিন্ট শুরু হচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. কাগজ ঠিকমতো নেই
২. কার্ট্রিজ ঠিকমত বসানো নেই ১. কাগজ ঠিকমতো সাথে আছে কিনা চেক করুন। প্রিন্টারের কাগজ টানতে যেন কোনো সমস্যা না হয়।
২. প্রিন্টার খুলে কার্ট্রিজ চেক করুন এবং প্রয়োজনবোধে খুলে আবার লাগান। নতুনভাবে কার্ট্রিজ লাগানোর পর প্রিন্টার সফটওয়ার দিয়ে আবার এলাইনমেন্ট ঠিক করুন।
প্রোজেক্টর
প্রোজেক্টরে ছবি আসছে না হার্ডওয়ার ১. ভুল কানেকশনের
২. ক্যাবলের সমস্যা
৩. ল্যাম্পের সমস্যা ১. আগে প্রোজেক্টরের ম্যানুয়াল পড়ে নিতে হবে।
২. গ্রাফিক্স কার্ড বা ল্যাপটপের আউটপুটের সাথে প্রোজেক্টরের ইনপুটের সংযোগ চেক করতে হবে।
৩. ক্যাবলের দৈর্ঘ্য ১০ মিটারের বেশি হওয়া যাবে না।
৪. ল্যাম্পের লাইফ সাইকেল সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে।
সফটওয়ার ১. উইন্ডোজের ডিসপ্লে সেটিংস
২. প্রোজেক্টরের সেটিংস ১. উইন্ডোজের সেকেন্ডারি ডিসপ্লে সেটিংস চেক করুন। উইন্ডোজ+P বাটন প্রেস করে সহজেই এটি করা যায়।
২. উইন্ডোজের প্রোজেক্টর রেজুলেশন আর প্রোজেক্টরের সাপোর্টেড রেজুলেশন ঠিক থাকতে হবে।
৩. সব কানেকশন ঠিক থাকলে আগে প্রোজেক্টর অন করুন ,তারপর কম্পিউটার।
৪. প্রোজেক্টরে একাধিক ইনপুটের সিস্টেম থাকলে সেটা চেক করুন।
প্রোজেক্টরে ছবিতে ডট/দাগ হার্ডওয়ার ১. প্রোজেক্টরের লেন্সে জমা ধুলাবালি ১. নিয়মিত প্রোজেক্টরের লেন্স পরিস্কার করতে হবে।
প্রোজেক্টরের স্ক্রীণে স্পষ্ট ছবি আসছে না সফটওয়ার ১. রেজুলেশনের সমস্যা ১. প্রোজেক্টরে অটোমেটিক সেটিংস এর কোনো বাটন থাকলে তা প্রেস করুন।
২. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের রেজুলেশন সেটিংস পরিবর্তন করে দেখুন।
৩. ডেস্কটপ/ল্যাপটপের ডিসপ্লে ডিজাবেল করে দিন।
প্রোজেক্টর এ বায়োস এর ডিসপ্লে আসছে না হার্ডওয়ার ১. ডিভাইস সাপোর্ট নেই ১. এই সমস্যার সমাধান নেই।
ল্যাপটপের এর কোন জিনিস প্রজেক্টর এ দেখানো যায় না হার্ডওয়ার ১. ক্যাবল সংযোগ দূর্বল হতে পারে ১. ক্যাবল সংযোগ ঠিকমত লাগাতে হবে।
সফটওয়ার ১. Resolution পার্থক্য থাকতে পারে।
৩. Settings এ নির্দিষ্ট অপশন আনচেক থাকতে পারে। ১. Desktop-properties-settings-advanced-Graphics Media-graphics properties-single/multiple display (চেক করে দিতে হবে)।
২. উইন্ডোজ সেভেন উইন্ডোজ+পি কী প্রেস করতে হবে।
ল্যাপটপ কম্পিউটার
ল্যাপটপ চালু হচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. ব্যাটারীর সমস্যা
২. চার্জিং পোর্টের সমস্যা
৩. কারিগরী সমস্যা ১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর ক্ষমতা পুরো কমে গেলে কিংবা ত্রুটি দেখা দিলে এমন হয়, ব্যাটারী পরিবর্তন করতে হবে।
২. চার্জিং পোর্ট এবং এডাপ্টার ঠিক আছে কিনা দেখুন।
৩. ল্যাপটপের ইন্ডিকেটর লাইট অন না হলে কোনো টেকনিশিয়ানকে দেখান।
ল্যাপটপ ব্যাকআপ কম দিচ্ছে হার্ডওয়ার ১. ল্যাপটপের ব্যাটারীর আয়ু কমে গেছে ১. ল্যাপটপ ব্যবহারের কিছু নিয়মকানুন আছে সেগুলা মেনে চলুন।
সফটওয়ার ১. ভুল পাওয়ার সেটিংস ১. উইন্ডোজের পাওয়ার সেটিং ঠিক করে ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।
ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে হার্ডওয়ার ১. অপর্যাপ্ত কুলিং
২. অতিরিক্ত কাজের চাপ ১. ল্যাপটপের কুলিং ফ্যানের একদম সামনে কোনো কিছু রাখবেন না।
২. ল্যাপটপের প্রসেসর যেখানে থাকে সেই স্থান বেশি গরম হয়। খেয়াল রাখবেন সবসময় যেন সেখানে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা থাকে।
৩. ল্যাপটপে টানা বেশিক্ষণ মুভি দেখবেন না বা সারাক্ষণ কাজ করবেন না।
ল্যাপটপ পাওয়ার পাচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. এডাপ্টারের সমস্যা ১. পাওয়ার সাপ্লাই-এর সকেট এবং ল্যাপটপের এডাপ্টার চেক করুন।
ল্যাপটপের ডিসপ্লে আসছে না সফটওয়ার ১. উইন্ডোজের সমস্যা ১. যদি বায়োসের স্ক্রীন আসার পর ডিসপ্লে কালো হয়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে উইন্ডোজের সমস্যা। উইন্ডোজ রিপেয়ার করুন বা নতুন করে সেটআপ করুন।
ডিজিটাল ক্যামেরা/ মোবাইল ফোন
ক্যামেরায় তোলা ছবি পরিস্কার না ১. আলোর সমস্যা
২. ছবি তোলার জ্ঞানের অভাব ১. যার বা যেটির ছবি তুলছেন সেখানে পর্যাপ্ত আলো থাকতে হবে। আর আলোর উৎস থাকবে ক্যামেরার পেছনে।
২. পরিবেশের উপর ভিত্তি করে ক্যামেরার লাইট সেটিংস পরিবর্তন করুন।
৩. ছবি তোলার সময় হাত যেন না নড়ে সেদিকে খেয়াল রাখুন।
৪. ছবি তোলার আগে লেন্সে ঠিকমত ফোকাস করে নিন।
ক্যামেরা/মোবাইলে তোলা ছবি কম্পিউটারে নেয়া যাচ্ছে না হার্ডওয়ার ১. সংযোগ ক্যাবল থাকতে হবে
২. ব্লুটুথ ১. ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে মোবাইল/ডিজিটাল ক্যামেরায় তোলা ছবি পিসিতে নেয়া যায়।
২. মেমোরি কার্ড রীডারের সাহায্যে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
৩. ল্যাপটপের ব্লুটুথের সাহায্যে মোবাইল থেকে ডাটা পিসিতে নেয়া যায়।
ভাইরাস প্রসংগ
সমস্যা ধরণ বোঝার উপায় সমাধান
কম্পিউটারে ভাইরাস থাকলে তা কিভাবে বুঝবো এবং সমাধান করব সফটওয়ার ১. কম্পিউটার স্লো হয়ে যাবে
২. কাজ করার সমস্য হঠাৎ সেটি আটকে যাবে/হ্যাং করবে
৩. কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় লাগবে
৪. যখন-তখন কম্পিউটার রিস্টার্ট দিতে পারে
৫. কন্ট্রোল প্যানেল/ফোল্ডার অপশন হাইড হয়ে যেতে পারে।
৫. ড্রাইভ বা ফোল্ডার লক হয়ে যেতে পারে।
১. ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক থাকা।
২. যেকোনো পেনড্রাইভ বা মোবাইল ফোন পিসিতে সংযুক্ত করার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন।
৩. এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা।
৪. পেন ড্রাইভ পিসিতে ঢুকানো আগে স্ক্যান করে নেয়া।
৫. আক্রান্ত ড্রাইভ ফরম্যাট করা।
৬. রেজিস্ট্রি টুলস ব্যবহার করে বিভিন্ন অপশন ফেরত আনা যায়।
৭. অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইন্সটল করা।
এন্টি ভাইরাস আপডেট এবং ডাউনলোড জনিত সমস্যা সফটওয়ার ১. লাইসেন্স সময় অতিক্রম করে যেতে পারে
২. কম্পিউটার এর সময় এবং সফটওয়্যার এর সময় মিসম্যাচ হতে পারে
৩. ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি দূর্বল হলে ১. আপডেট এবং ডাউনলোড এর সময় firewall বন্ধ রাখা যেতে পারে।
২. নির্মাতার ওয়েবসাইট থেকে সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
এন্টি ভাইরাস আনইন্সটল হয় না সফটওয়ার ১. রেজিস্ট্রির সমস্যা ১. সিক্লিনার এর মতো ইউটিলিটি টুল দিয়ে আনইন্সটল করতে হবে।