Facebook massage

Saturday, October 29, 2016

প্রযুক্তিবিষয়ক কিছু প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ উত্তর

ইন্টারনেটে বিশেষ করে গুগলে আমরা নানা বিষয়ে সার্চ করে থাকি। এক্ষেত্রে কোনো একটি বিষয়ের উপর প্রশ্ন করেই কিছু চাওয়া হয়।
তবে কীভাবে এসব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর পাওয়া সহজ করা যায় তা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হলো :
index প্রযুক্তিবিষয়ক কিছু প্রশ্নের বিশেষজ্ঞ উত্তর
১. বিস্তারিত বিষয়ে আমাকে গুগলে সার্চ দিতে হয়। সার্চের ফলাফল কিভাবে কমিয়ে আনতে পারি?
উত্তর : সার্চের বিষয়কে অনেকভাবে নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়। আবার অনেক সময় কোনো বিষয় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য না হলেও চলে। এদের বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য চান আপনি।
এ ক্ষেত্রে গণিতের বিয়োগ চিহ্ন (-) ব্যবহার করতে হবে। যেমন কুকুর বিষয়ে জানতে চান। কিন্তু ক্রয় বা বিক্রির বিষয়ে কোনো তথ্য চাইছেন না। এ ক্ষেত্রে ইংরেজিতে লিখুন ‘puppies -sales’।
এতে গুগল সার্চের ফলাফলে কুকুর ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেবে না।
২. আমার কম্পিউটারটি চালু হতে অনেক সময় লাগে। একে কীভাবে দ্রুতগতির করা যায়?
উত্তর : আসলে সময়ের সঙ্গে কম্পিউটার কিছুটা ধীরগতির হয়ে আসে। তবে এতে কিছু গতি যোগ করা যায়। প্রথম কাজ হবে ‘অটোরান’র মতো কোনো প্রোগ্রাম ব্যবহার করা।
এতে কম্পিউটারের সঙ্গে যে প্রোগ্রামগুলো চালু হয় তার সংখ্যা কমিয়ে আনা যাবে। একযোগে অনেক প্রোগ্রাম চালু হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। প্রাথমিক এই একটি কাজেই কম্পিউটার আগের চেয়ে দ্রুত চালু হবে।
৩. আমার মোবাইল থেকে প্রচুর পয়সা কেটে নেয়। এর জন্য কি করতে পারি?
উত্তর : বুদ্ধিমানের কাজ হলো অপারেটরের সঙ্গে যোগাযোগ করা। হয়তো এমন সব সেবা অনেক আগে নিয়ে রেখেছেন যা আর প্রয়োজন পড়ে না। ওটা হয়তো বন্ধ করতেও মনে নাই। এগুলো বন্ধ করে দিন। কি কি খাতে চার্জ কাটছে তা অপারেটর জানাতে পারবে। এগুলো দেখে নিন।
৪. বন্ধুদের সঙ্গে চ্যাট বা মেসেজ করতে গেলে ওরা শুধু শব্দের আদ্যক্ষর লিখে ছোট করে। এগুলো বুঝতে পারি না। শব্দের এসব প্রচলিত অ্যাক্রোনিমের কোনো তালিকা রয়েছে কি?
উত্তর : ফেসবুকে প্রচলিত ছোট করা শব্দের অর্থসহ একটি তালিকা নিজেই করে নিতে পারেন। প্রথমে না বুঝলে প্রেরককে জিজ্ঞাসার করুন এর অর্থ কী। তারপর তা টুকে নিন।
৫. কম্পিউটারে প্রচুর জাঙ্ক জমে গেছে। এগুলো কীভাবে ক্লিন করবো?
উত্তর : কম্পিউটারের জাঙ্ক মুছতে অনেক ইউটিলিটি রয়েছে। যেমন, ‘পিসি ডেকর‌্যাপিফায়ার’ বলতে পারে আপনি কোন প্রোগ্রাম থেকে মুক্তি চান। এ ছাড়া ‘সিক্লিনার’ কম্পিউটারের অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো মুছে ফেলে। এদের ব্যবহারে কম্পিউটার পরিষ্কার হয়ে যাবে।

কৃত্রিম চোখ দিয়ে দেখা যাবে অন্ধকারেও

সাধারণত, রাতের ঘুটঘুটে অন্ধকারে কিছু দেখা অসম্ভব। আলো লাগেই। কিন্তু এবার আর আলোরও প্রয়োজন হবে না। কৃত্রিম চোখ লাগানো থাকলে অন্ধকারেও সবকিছু পরিষ্কার দেখা যাবে। গলদা চিংড়ি ও আফ্রিকান এক জাতের মাছের চোখের সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম এই চোখ তৈরি করেছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন গবেষকরা।
গবেষকদের দাবি, এই কৃত্রিম চোখ চিকিৎসা, দুর্যোগে অনুসন্ধান ও উদ্ধার, মহাকাশে গ্রহ অনুসন্ধানী টেলিস্কোপে ব্যবহার করা যাবে।
index কৃত্রিম চোখ দিয়ে দেখা যাবে অন্ধকারেও
যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন-ম্যাডিসন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দাবি করছেন, সেন্সর যন্ত্রাংশের পরিবর্তে লেন্সের ভেতর ইমেজিং সিস্টেমের সংবেদনশীলতার ক্ষেত্রে উন্নতি করেছেন তারা।
গবেষকরা বলছেন, অন্ধকারে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী রোবট, অস্ত্রোপচার ও টেলিস্কোপে এই কৃত্রিম চোখ কাজে লাগানো যাবে। অন্ধকারেও এর সাহায্যে দিনের মতো পরিষ্কার দেখা যাবে।

ভিআর হেডসেট চোখে দিয়ে মুগ্ধ হলেন ওবামা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তার জার্মানি সফরকালে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেলের সাথে গিয়েছিলেন সেখানকার এক প্রযুক্তি মেলায়। সেখনাকার একটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেট চোখে দিয়ে মুগ্ধ হয়েছেন তিনি। হেডসেটটির নকশা অত্যাধুনিক মডেলগুলোর মতন না। খানিকটা পুরনো ধাচের মজার নকশা। মেরকেল এবং ওবামা এটা নিয়ে মজা করেছেন অনেকক্ষণ।
ভার্চুয়াল রিয়ালিটি হেডসেট হচ্ছে এক ধরনের কৃত্রিম বাস্তবতা যন্ত্র। এটাতে স্মার্টফোন লাগিয়ে চোখে দিলে মনে হবে ডিসপ্লেতে যা ঘটছে সেটা চোখের সামনে জীবন্ত ঘটছে। জার্মানিতে সদ্য অনুষ্ঠিত হ্যানোভার ম্যাসে ইন্ডাসট্রিয়াল ট্রেড শোতে প্রদর্শন করা হয় এই বিশেষ ভার্চুয়াল হেডসেটটি।
1461775455 ভিআর হেডসেট চোখে দিয়ে মুগ্ধ হলেন ওবামা
এই হ্যাডসেটটি অন্য ভিআর থেকে দেখতে আলাদা হওয়ার কারণ এতে গুগল আই লাগানো রয়েছে। গুগল আই হচ্ছে, মানুষের চোখের মনির আদলে তৈরি প্লাস্টিকের চোখ। এটা শুধুই মজা করার জন্য দেয়া হয়েছে। অন্ধদের সাহায্যকারী যন্ত্র গুগল গ্লাসের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই।
তবে এই হেডসেটে সর্বাধুনিক সব প্রযুক্তিই ব্যবহার করা হয়েছে। ‘অকূলাস রিফট’ কিংবা ‘এইচটিসি ভাইভ’ এর মত উন্নত ভিআর না হলেও ‘গুগল কার্ডবোর্ডের’ চেয়ে উন্নত যন্ত্র।
আইএফএম ইলেকট্রনিকস নামে একটি প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এই ভিআর সেটটি তৈরি করেন। কোম্পানির কার্যনির্বাহী ওবামাকে বলেছেন, এই হেডসেটের সাথে ক্যামেরা ব্যবহার করে তিনি তার কন্যার সাথে কথা বলতে পারবেন কৃত্রিম বাস্তবতায়। সেই কারণেই হয়তোবা ওবামা এটি এতোটা পছন্দ করেছেন।

প্রযুক্তি নিয়ে মজার সব তথ্য

মজার মজার তথ্য জানতে আমাদের সবারই অনেক ভালো লাগে। সব বিষয়েই নানান মজার তথ্য আছে। প্রযুক্তি নিয়েও আছে অনেক মজার তথ্য। আমাদের চারদিক এখন প্রযুক্তিতে ঘেরা। এত এত প্রযুক্তি যে আমরা এখন সহজে বুঝতেও পারিনা প্রযুক্তি দিয়ে আমরা কতটুকু আচ্ছন্ন। আমাদের গায়ের জামা, জুতো থেকে শুরু করে সবই প্রযুক্তি। থাক আর কথা না বাড়াই। চলুন কিছু তথ্য জানি।


১. দিয়াশলাই এবং লাইটার আমরা সবাই চিনি। সবাই দেখেছি ব্যাবহার করেছি। দিয়াশলাই দেখতে অতি সাধারণ,
লাইটার এর তুলনায় অনেক আধুনিক মনে হয়। কি তাইনা? কিন্তু জানেন কি লাইটার দিয়াশলাইয়ের আগে আবিষ্কৃত হয়। আগে লাইটার আসছে এরপর দিয়াশলাই। :-O
২. Windmills বা বায়ুকল আপনারা কে কে দেখেছেন?
না দেখলেও নাম অবশ্যই শুনেছেন। আমাদের দেশের ফেনী জেলার সোনাগাজী তে আছে বায়ুকল। বায়ুকলে এর পাখাগুলো এন্টিক্লকে ঘুরে। অর্থাৎ ঘড়ির কাটার উল্টো দিকে ঘুরে। কিন্তু একমাত্র আয়ারল্যান্ডে এগুলো ঘড়ির কাটার দিকে ঘুরে। এখন কেন ঘুরে তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব আপনাদের। 😛
৩. পৃখিবীতে প্রথম যে এলার্মক্লকটি তৈরী করা হয় তা শুধুমাত্র সকাল ৪টায় এলার্ম দিতো। কি কেউ চান এই ঘড়িটি? ঘুম শেষ 😛
৪. BMW গাড়ির কথা সবাই শুনেছি। যতটুকু জানি অনেক দামী গাড়ি। বিশ্বের সবচেয়ে দামী গাড়ি তৈরী করে এই কোম্পানী। কিন্তু জানেন কি এই কোম্পানিটি ছিল বিমানের ইঞ্জিন তৈরী করার জন্য। পরে এটি গাড়ি তৈরী করা শুরু করে এবং সাফল্যতো চোখের সামনেই।
৫. জানেন কি একটি সাধারণ কার(car) তৈরী করতে নাকি প্রায় ৩৯০৯০ গ্যালন পানি লাগে। :-O আমার নিজেরই বিশ্বাস হয়না এই কথা। কিন্তু নেটে এটার অনেক রেফারেন্স। একটি টায়ার তৈরী করতেই নাকি ৫১৮ গ্যালনের মত পানি লাগে। আপনাদের কি বিশ্বাস হয়? আমার হয় না।
————— আজ থাক। আরও এমন তথ্য লিখার ইচ্ছে আছে আপনারা জানতে চাইলে। আর আপনারাও নেটে দেখুন অনেক এমন মজার তথ্য পাবেন। তবে সব তথ্য বিশ্বাস করবেন না। আগে যাচাই করে নিবেন। আমার তথ্যগুলোতে ভুল থাকলেও জানাবেন। ধন্যবাদ আপনাদের।

আরো জানতে ক্লিক করুন

চমকে উঠার মতো খবর সুরক্ষিত নয় নাসার কম্পিউটার সিস্টেম

মহাকাশ সম্পর্কিত বিভিন্ন হাই-টেক প্রযুক্তি নিয়ে কাজকর্ম করলেও নাসার অভ্যন্তরীণ কম্পিউটার সিস্টেম খুব একটা সুরক্ষিত নয়। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর নাসার কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন হ্যাকাররা কমপক্ষে ১৩ বার আক্রমণ করেছিল। খবর ম্যাশএবল-এর।

এ ব্যাপারে নাসার ইন্সপেক্টর জেনারেল পল মার্টিন কংগ্রেসনাল টেস্টিমনিতে বলেছেন, ‘এসব আক্রমণ ছিল বিভিন্ন ধরনের। কেউ কেউ তাদের দক্ষতা পরীক্ষা করার জন্য নাসার সিস্টেম হ্যাক করেছেন। কেউ বা আবার দলবদ্ধভাবে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এই কাজ করেছেন।’ পল জানিয়েছেন, ‘এসব দলবদ্ধ হ্যাকারদের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থারা টাকা দিয়ে থাকতে পারে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘এসব আক্রমণের ফলে নাসার হাজার হাজার কম্পিউটারে সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এছাড়া আরও নানা ধরনের ক্ষতি মিলিয়ে হ্যাকিং-এর কারণে সংস্থাটির ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলারের।’
পল মার্টিন কিছু কিছু আক্রমণ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য কংগ্রেসকে দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ম্যাশএবল।

ডান থেকে বামে লেখার পদ্ধতি চালু হলো টুইটারে

প্রথমবারের মতো টুইটার এমন ভাষায় ইন্টারফেস তৈরি করলো যেগুলো লিখতে হয় ডান দিক থেকে বাম দিকে। অর্থাৎ, আরবি, ফার্সি, উর্দু এবং হিব্রু ভাষায় টুইটার চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। খবর বিবিসির।


সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ১৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক টুইটারের বিভিন্ন পৃষ্ঠা, সাহায্যের পাতা এবং মেনু অপশনগুলো এসব ভাষায় অনুবাদ করার কাজে সাহায্য করেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্থানীয় ভাষাগুলো এখন টুইটারে চালু হওয়ায় সাধারণ মানুষও টুইটার ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া তাদের দৈনন্দিন জীবন সম্পর্কে টুইট করার পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের প্রশ্ন করতেও টুইটার ব্যবহার করা যাবে।

বিজ্ঞানের অবাক যুগে আছি আমরা!! (নিজে নিজে পরিষ্কার হবে এমন কাপড় আবিষ্কার)

উফ্ কত কাপড় জমে গেছে। কখন এসব পরিষ্কার করব, ধুব। এটি প্রায় কয়েকদিন পরপরই বলতে হয় আমাদের। বিশেষ করে যারা ছাত্র এবং আমার মত হলে কিংবা মেসে থাকেন তাদের তো এটি একটি মহা যন্ত্রনা এবং আপদ।
কিন্তু ভাবুন একবার, শুধুমাত্র রৌদ্রের নিচে অথবা বারান্দার তারে ঝুলিয়ে রাখলেই যদি জিনস, সয়েটস অথবা মোজাগুলো নিজে নিজে পরিষ্কার এবং দুর্গন্ধ দূর হয়ে যোয় তাহলে কেমন হবে?
অনেক অদ্ভুত হবে নির্গাত। কিন্তু এই অদ্ভুত ব্যাপারটাই নাকি ঘটে গেছে। বিজ্ঞানীরা একটি নতুন সুতি কাপড় তৈরি করেছেন যাকে সূর্যালোকে রাখলে নিজেকে যে কোন ব্যাকটেরিয়া এবং দাগ থেকে পরিষ্কার করতে পারে।
মিঙ্গস লং এবং ডেয়ং উ জানিয়েছে তাদের নতুন এই কাপড়টিতে ব্যবহার করা হয়েছে টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইডের কোটিং। টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড একটি সাদা ম্যাটেরিয়াল যা সাধারণত খাদ্যের সাদা রঙ থেকে সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।


            সাধারণ এসইএম ছবি (a)N-TiO2–সুতি কাপড় এবং (b) AgI–N–TiO2–সুতি কাপড়।
এই টাইটানিয়াম ডাই-অক্সাইড যখন কোন আলোর সংস্পর্শে আসে তখন ময়লাগুলোকে ভেঙ্গে ফেলে এবং মাইক্রোবসগুলোকে মেরে ফেলে। এই পদ্ধতি ইতোমধ্যে ব্যবহার করা হয় সেলফ-ক্লিনিং জানালা, রান্নাঘর এবং বাথরুমের টাইলস এবং গন্ধ-হীন মোজা এবং আরো অনেক পণ্যতে।
এর আগেও সেলফ-ক্লিনিং সুতি কাপড় প্রস্তুত করা হয়েছিল কিন্তু সেগুলো শুধু মাত্র আল্ট্রাভায়োলেট রে (অতিবেগুনী রশ্মি)র মাধ্যমে নিজেদেরকে পরিষ্কার রাখতে পারত। আর তাই এই বিজ্ঞানীদ্বয় সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা এমন একটি কাপড় তৈরি করবে যা সাধারণ সূর্যালোকের মাধ্যমে নিজেকে পরিষ্কার রাখতে পারবে।
তাদের প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে এসিএস অ্যাপ্লায়েড ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড ইন্টারফেসেস-এ। এখানে তারা বর্ণনা করেছেন টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের মাধ্যমে তৈরি করা ন্যানোপার্টিকেল দিয়ে কিভাবে তারা সুতি কাপড়টির উপর একটি কোট দিয়েছেন। তারা বিশেষ কোটিং সমৃদ্ধ একটি কাপড়ের উপর কমলা রঙ ফেলেন তারপর সেটাকে সূর্যালোকে নিয়ে যাওয়ার পর দেখা যায় কিভাবে সেই কাপড় নিজে নিজে পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। ওয়াশিং এবং ড্রাইংয়ের পরেও এই কোটিং-এর কোন ক্ষতি হয় না।

৫-১০ বছরের মধ্যেই আপনার কম্পিউটারে পেতে পারেন কয়েক লক্ষ গীগা-বাইটের মেমোরিডিস্ক!!!

চমকে উঠার মত কথা! কয়েক লক্ষ গীগা-বাইট মেমোরিডিস্ক কম্পিউটারে। আসলে বাস্তব তথ্যটা আরও চমকানোর মত।কারন সম্প্রতি আই.বি.এম এর গবেষকরা এমন একটি আবিস্কার করেছেন,তা যদি বাজারজাত করা যায় তবে কয়েক লক্ষ গীগা-বাইট মেমোরি আপনার কম্পিউটারে নয় মোবাইল সেটের ছোট মেমোরি কার্ডেও পাবেন।
আসলে মেমোরি ডিস্ক গুলো প্রতি নিয়তি ছোট হচ্ছে।মাত্র ২০-৩০ বছর আগে এক গীগা-বাইট মেমোরি একটি পুরো কক্ষে রাখতেহত আর এখন আমরা কয়েক হাজার গীগা-বাইট মেমোরি আমাদের কম্পিউটারে রাখি। এ আবিস্কারটাও সেই ধারাবাহিকতায় এসেছে।
আই.বি.এম এর গবেষকরা মাত্র ১২টা অনু ব্যবহার করে ১বিট কম্পিউটার মেমোরি জমা করেছেন।বর্তমানে যে সব হার্ডডিস্ক আমরা ব্যবহার করি সেগুলোতে ১বিট জমা করার জন্য প্রায় ১মিলিয়ন বা ১০ লক্ষ অনুর দরকার।আর এই আবিস্কারটা করতে তারা পদার্থের প্রতি-ফেরোচুম্বকত্ব (Anti-ferromagnetic) ধর্মকে ব্যবহার করেছেন।তারা মাত্র ৯৮টি প্রতিফেরোচুম্বক অনু ব্যবহার করে “THINK” শব্দটির ASCII কোড কম্পিউটার মেমোরিতে জমা করেছেন।মানে তাদের ব্যবহার করা মেমোরি,বর্তমানে ব্যবহৃত মেমোরি থেকে প্রায় ১লক্ষগুন ছোট। এর মানে হল,বর্তমান থেকে প্রায় ১লক্ষগুন মেমোরি ডিস্ক বানানো সময়ের ব্যাপার মাত্র।কিন্তু তার পরও আরও ৫-১০ বছর সময় লাগতে পারে বলা হয়েছে কারন পদার্থের প্রতি-ফেরোচুম্বকত্ব ধর্মটি শুধু হিমাঙ্কের নিচেই কাজ করে।আশাকরি কেউ নিজের কম্পিউটারকে শুধু বেশি মেমোরির জন্য বরফের মধ্যে রেখে কাজ করতে চাইবেন না।তাই গবেষকরা আরও কিছু সময় চেয়েছেন আবিস্কারটিকে সাধারন তাপমাত্রায় ব্যবহার উপযোগি করার জন্য।তবে তারা এও বলেছেন হয়ত অনুর সংখ্যা আরও কিছু বাড়িয়ে দিয়ে কিছুদিনের মধ্যই আবিস্কারটিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ব্যবহার উপযোগি করা যেতে পারে।তাতেই বা মন্দকি,কয়েক লক্ষগুন না হয়ে কয়েক হাজার গুন হলেও আমারা আমাদের কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক লক্ষ গীগা-বাইট মেমোরি ডিস্ক পেয়ে যাব এবং মোবাইলেই কয়েক হাজার গীগা-বাইটের মেমোরি পাব।

ভবিষ্যত প্রযুক্তি,মোবাইলের মাধ্যমেই বিভিন্ন দূরের বস্তু ধরতে পারবেন

কেমন হতে পারে আমাদের ভবিষ্যত প্রযুক্তি।আই.বি.এম এর গবেষকরা সাধারনত প্রতি বছর ভবিষ্যত প্রযুক্তি গুলোনিয়ে ভবিষ্যতবাণী করে থাকেন।তবে তারা নিকট ভবিষ্যত নিয়েই ভবিষ্যতবাণী করেন।তারা এমন পাঁচটি ভবিষ্যত প্রযুক্তির কথা বলে থাকেন যেগুলো পাঁচ বছরের মধ্যেই আমাদের জীবন সম্পূর্ণ বদলে দিবে।এটা আই.বি.এম. ৫*৫ আর্টিকেল নামেও পরিচিত।এবারের পাঁচটি ভবিষ্যতবাণীর মধ্যে একটি হল,আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা ঘরে বসে মোবাইলের মাধ্যমে বাজার করতে পারব, পন্যর গঠনটা বুঝতে পারব,পন্যটি ধরতে পারব।অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এটা কিভাবে সম্ভব?আসলে পন্যটির গঠন অনুভূতি পাওয়া মানেই পন্যটি নিজ হাতে ধরা হবেনা।আপানাকে শুধু ভায়ব্রেশন এর মাধ্যমে আপনার ফোনের স্ক্রিন বস্তুটির অনুভূতি দিবে। মনে করুন আপনি পন্যটি নিজ হাতে ধরে একটি সিল্কের জামা কিনতে চাচ্ছেন।দোকানী জামাটার ছবি তুলে আপলোড করবে।তারপর আপনার ফোন ছবিটি একটি ডাটাবেসের সাথে মিলিয়ে দেখবে।ডাটাবেসটি হবে এমন একটি ডাটাবেস যেখানে সবরকম বস্তুর জন্য আলাদা আলাদা ভায়ব্রেশন জমা করা থাকবে।সে সিল্কের ছবির জন্য সিল্কের ভায়ব্রেশন আপনার ফোনকে জানাবে।অতঃপর আপনার ফোনের স্ক্রিন আপনার আঙ্গুলে সে ভায়ব্রেশন দিবে,আর মস্তিস্ক ধরে নিবে আপনি আঙ্গুল দিয়ে সিল্ক ধরছেন।ব্যবহারের সাথে সাথে যখন মানুষ ডাটাবেসটি বুঝতে থাকবে তখন এটি আরও সমৃদ্ধ হতে থাকবে।যেমন একসময় হয়ত সিল্কের বিভিন্ন প্রকারের জন্য আলাদা আলাদা ভায়ব্রেশন থাকবে।এর মানে আপনি শুধু ঘরে বসে কোনটি কোন প্রকারের বস্তু,এটি অন্য একই জাতীয় বস্তু থেকে ভালোনা খারাপ,কোন সবজি ভাল না খারাপ,ফল পাঁকা না কাচা সব বুঝতে পারবেন।এই ভবিষ্যত প্রযুক্তিটি আসলে তা যে শুধু কেনা বেচার জন্যই ব্যবহার হবে তা কিন্তু নয়।যেমন এটা কৃষী ক্ষেত্রেও ব্যবহার হতে পারে।একজন কৃষক নিজ ফসলের গুনাগুন এর মাধ্যমে বুঝতে পারেবেন।এটা চিকিতসা ক্ষেত্রেও ব্যবহার হতে পারে।একজন রোগি নিজের আঘাতের ছবি ডাক্তারকে পাঠালে তিনি নিজে আঘাতটার অনুভূতি নিয়ে চিকিতসা করতে পারবেন।মানে এরকম একটি আবিস্কার বাস্তবিকভাবেই আমাদের জীবন সম্পূর্ণভাবে পাল্টে দিবে।

ফেসবুকে আমি প্রশ্নের জন্য

আসছে ভবিষ্যত প্রযুক্তি

প্রযুক্তি বিশ্ব আর রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। আজকে হয়তো যে ডিভাইসটি ৪ কেজি ওজনের তা মাস পেরোলেই ৪০০ গ্রামে নেমে আসতে পারে, অথবা যে রোবট এখনো ঠিকভাবে তার আঙুলের নড়াচড়াই করতে অক্ষম, বছর ঘুরলে সেই রোবটটিই হয়তোবা সরাসরি যুদ্ধে ভারী অস্ত্র চালনায় ব্যবহৃত হবে। সে জন্য ভবিষ্যতের কল্পনার উত্তর একমাত্র ভবিষ্যতই দিতে পারে। ভবিষ্যতে দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াতে পারে এমন তিনটি প্রযুক্তি পন্যের সাথে পরিচিত হয়ে নিন।
১) কালি মোছার প্রিন্টার
কাগজে ছাপার কালিতে ভুল পেলে তা শোধরাতে আমরা বিশেষ ফ্লুইড ব্যবহার করি সাধারণত। কিন্তু তাতে করে কাগজের ওপরে বেশ একটা স্তর পড়ে যায় সাদা রঙের। সেই কারণেই হয়তো ডিজাইনার Kim Su Yeon ডেভেলপ করতে চেয়েছেন এমন এক প্রিন্টার যা কাগজে থেকে নিখুঁতভাবে ছাপার কালি মুছে ফেলবে!! ভুল লেখা প্রিন্ট হলেও সমস্যা নেই,সম্পূর্ণ কালি মুছে আবার নতুন করে প্রিন্ট নিন। বিষয়টা কেমন অস্বাভাবিক না? হ্যাঁ, বিষয়টা এমনই যে এটি সাদা কাগজকে তার পূর্বের রূপে ফিরিয়ে দেবে। এতে করে কাগজকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করা যাবে আর কি! তবে এটা শুধু সম্পূর্ণ কাগজকে সাদা করতে পারবে, কাগজের নির্দিষ্ট কোন অংশের কালি দূর করতে হলে হয়তো আরো নতুন কিছুর অপেক্ষা করতে হবে আমাদের।
২)পাঁচ আঙুলের মাউস
জাপানীজ কোম্পানী Double Research & Development Co. এক নতুন ধরনের ইনপুট ডিভাইস নির্মাণ করছে যা মাউসের মতোই কম্পিউটারে ইনপুট দেবে যার নাম Amenbo. এটি একটি পাঁচ আঙুলের ইনপুট ডিভাইস যা প্রতিটি আঙুলের নড়াচড়া এবং চাপ আলাদাভাবে সনাক্ত করতে পারে।
যন্ত্রটির প্রতিটি Fingertip অংশেই বিশেষ সেন্সর লাগানো আছে যাতে করে সবগুলো আঙুলের প্রদত্ত কমান্ড একসাথে রিসিভ করতে পারে, বিশেষ করে গেমস কমান্ডের ক্ষেত্রে এক হাত ব্যবহার করেই অনেক কাজ খুব সহজে করা যাবে নির্বিঘ্নে।

                                                       
ডিভাইসটির প্রতিটি আঙুল নমনীয় জালের মতো তারের মাধ্যমে সংযুক্ত যাতে করে বিভিন্ন মাপের আঙুলের নড়াচড়ার জন্য এটি সম্প্রসারিত হতে পারে।

৩) পোর্টেবল প্রিন্টার
এখন প্রযুক্তির সব কিছুতেই পোর্টবল হবার বিশেষ টান। বিশেষ করে সফটওয়্যারগুলোর পোর্টেবল ভার্সন তো তুমুল জনপ্রিয় আজকাল। তো সেক্ষেত্রে আর হার্ডওয়্যাররই বা বাদ যাবে কেন? পোর্টেবল যুগে চলে আসছে পোর্টেবল প্রিন্টার। না বহনযোগ্য কোন বিশাল প্রিন্টার না,নিতান্তই ছোট ডিভাইস এটা।


সামান্য পরিমান প্রিন্টিং লোড নিতে পারে এটি। ২৩ সে.মি X ৬ সে.মি আকারের কাগজই এটার জন্য সঠিক। ডিভাইসটির একপাশে আছে Slot type cartridge প্রবেশের জন্য বিশেষ স্লট। আর একপাশে আছে USB পোর্ট। আর হ্যাঁ, OLED (Organic Light Emitting Diode) নামক বিশেষ এলইডির সাহায্যে কতটুকু প্রিন্ট হয়েছে তা প্রিন্টারের উপরে ডিসপ্লে হবে।