Facebook massage

Friday, November 11, 2016

There’s Nothing Like Stunning Nature Photos To Remind You Of How Little You Are Andrew Studer’s photos are the most beautiful reality check.

Some days our problems seem way too heavy. But these photos from 21-year old photographer Andrew Studer are a good reminder that we human beings are really, really small in the scope of things.
ANDREW STUDER
Photographer Andrew Studer in Mount Hood, Washington.
Studer dropped out of college as a rising junior a little over a year ago to live his dream as a photographer. He’s currently traveling solo through the western U.S., meeting up with friends along the way.
His travels have taken him as far away as Hawaii and Iceland. Wherever he goes, Studer snaps really inspiring photos of himself, friends or strangers he sees along the way, all surrounded by nature’s immense beauty.
It started on a trip to Yosemite Valley.
“I saw a couple of people on a cliff, super far away,” he told The Huffington Post. “I zoomed in using a telephoto lens and took this photo of these people on the edge of a cliff. It inspired me to shoot tiny people in big landscapes.”
ANDREW STUDER
Andrew Studer in Iceland.
”Whenever I go out with friends hiking or by myself, I just try to show man’s presence and scale in landscapes,” Studer said. “Lots of other great photographers have shot people in big landscapes, [but] I think it’s kinda cool, because it connects the viewer with the image and it shows scale.”
If he’s taking a photo of himself, he said he’ll set up a tripod, crawl or climb out to where he needs to go, and snap a selfie using a remote.
ANDREW STUDER
Andres Studer in the Central Cascades, Washington.
One of the most memorable adventures he’s had, he said, was under a particularly strong Aurora Borealis at Iceland’s Skógafoss waterfall this past winter.
“The light was falling from the sky, twisting around, swirling, lighting up the foreground with brilliant greens. I was thinking I don’t want to not remember this. I think myself and other photographers can relate to the fact that when they’re trying got take these photos, it’s hard to completely remember the experience,” Studer said. “But when I take these photos, I’m living in the moment. I just wanted to look up and not take photos. Just stare up and not forget it.
Studer posts many of his images on Instagram, where he enjoys some 60,000 followers. He doesn’t always tag a specific location, though, for fear it might become overrun. His message to fellow travel photographers? “Respect the area, enjoy it and just think about your impact. Try to maintain these beautiful places as they are.”
  • Banff National Park, Banff, Canada
    Andrew Studer
  • Proxy Falls, Oregon
    Andrew Studer
  • Columbia River Gorge, Oregon
    Andrew Studer
  • Mount Hood National Forest, Oregon
    Andrew Studer
  • Oregon
    Andrew Studer
  • Zion National Park, Utah
    Andrew Studer
  • Mount Rainier National Park, Washington
    Andrew Studer
  • Höfn, Iceland
    Andrew Studer
  • Skógafoss, Iceland
    Andrew Studer
  • Iceland
    Andrew Studer
  • Iceland
    Andrew Studer
  • Iceland
    Andrew Studer

Facebook quarterly profits surge 166% to $2.4bn

A surge in income from mobile advertising is responsible for a dramatic rise in earnings, the social media giant says.
Facebook's login page
Image Caption:Facebook has seen its profits rise dramatically in the last year
Quarterly profits at Facebook have surged by 166% to $2.4bn (£1.95bn), the tech giant has announced.
But shares dipped by 7% in after-hours trading after it warned that revenue growth would slow.
The huge rise in third quarter earnings came as the social media firm saw an increase in revenues over the same period of 56%.
Much of the rise came from mobile advertising, which accounted for 84% of its total ad revenue in the third quarter.
The company took in a total of $7.01bn (£5.74bn) in the three months before 30 September, beating expectations.
It revealed it now has 1.79 billion users.
Chief executive officer Mark Zuckerberg said in a statement: "We're making progress putting video first across our apps and executing our 10 year technology roadmap."
However, finance director David Wehner said ad growth was on course to slow "meaningfully" as it limits the level of adverts it puts before users to avoid turning them away.
He also indicated that 2017 would be a year of aggressive investment.
Another of its subsidiaries, photo sharing site Instagram, has also seen its advertising base grow, the firm said.
The firm had 500 million users as of June.
But analysts say the firm's other apps, WhatsApp and Facebook Messenger, face increasing competition.
There are also questions as to how long Facebook can continue to boost mobile ad revenue, given limits to the number of ads that can be shown to each user.
The firm has continued to offer new innovations, including Marketplace, a feature that allows people to buy and sell items locally, and to develop its use of video as it tries to catch up with Google's YouTube.

Tuesday, November 8, 2016

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান

কম্পিউটারে কাজ করতে গেলে আমাদের মাঝে মাঝে অনেক রকম সমস্যায় পরতে হয়। এজন্য কম্পিউটার এক্সপার্ট কে ডেকে নিতে হয়। আপনি যদি নিজে নিজে টুকটাক আপনার কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফ্‌টওয়ার সম্পর্কিত সমস্যার সমাধান করতে পারেন তাহলে তো মন্দনয়। আর কেউ যদি কম্পিউটার নিয়ে সমস্যায় থাকেন তবে এই পোষ্ট পড়ার পর মনে হয়না তিনি আর সমস্যায় থাকবেন।
কম্পিউটারে অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) লোডিং টাই
ম
সম্ভবত আপনার কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত। আপনি কোন ভালো অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করে দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অপারেটিং সিস্টেম
পিসি বারবার হ্যাং করছে
বিনা কারণেই যদি পিসি হ্যাং করে বা রিস্টার্ট হয় তখন খেয়াল করবেন র‌্যাম স্লটে ঠিকমতো বসানো আছে কিনা। এরপর যদি একাধিক র‌্যাম ব্যবহার করে থাকেন তাহলে খেয়াল করু
Lapto tips
ন সবগুলোই একই বাসস্পিডবিশিষ্ট কিনা। সিস্টেম স্ট্যাবিলিটির জন্য একই বাসস্পিডবিশিষ্ট র‌্যাম ব্যবহার করা খুবই জরুরি। এছাড়া ভাইরাসের কারণেও এমনটা হতে পারে। সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
কম্পিউটারের কেসিং খুলতে সাহায্য চাই
PC এর কেসিং খোলার কাজটি খুব সহজ। একটু ভালো করে খেয়াল করলেই আপনি এটি করতে পারবেন। সাধারণত কেসিং-এর পেছনে এটি খোলার ২+২=৪টি স্ক্রু থাকে। কেসিং খোলার আগের পাওয়ার সাপ্লাই অফ করুন। মাদারবোর্ডের পেছন থেকে সব প্লাগ খুলে ফেলুন।
সামনে থেকে কেসিংটাকে দেখলে এর বামপাশের অংশটি খুলতে হয়। এর পেছনে স্ক্রু দুটি খুলতে ভালো চারকোণা স্ক্রু ড্রাইভার লাগবে আপনার। খোলা স্ক্রু সযত্নে রাখুন।
স্ক্রু খোলা হয়ে গেলে কেসিং-এর পাশ থেকে কভারটি আলাদা করে নিন। সাধারণত কভারটি পেছনদিকে কিছুটা স্লাইড করে খুলতে হয়। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
বাড়িতে বা অফিসে ওয়াই ফাই সেটাপ করতে চাই
আপনি যদি ল্যাপটপে ওয়াইফাই ব্যবহার করতে চান তাহলে শুধু একটা ওয়াইফাই রাউটার কিনলেই হবে। আর ডেস্কটপে ব্যবহার করতে চাইলে ডেস্কটপের জন্য আলাদা এডাপ্টার কিনতে হবে। অথবা চাইলে ডেস্কটপে রাউটার থেকে ল্যান ক্যাবল দিয়েও ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্কিং এর কাজ করতে পারবেন। বাজারে দুই ধরনের রাউটার পাওয়া যায়। ৫৪এমবিপিএস এবং ৩০০ এমবিপিএস। মোটামুটি ২২০০ টাকার মধ্যেই ৫৪ এমবিপিএস রাউটার পাওয়া সম্ভব। আর রাউটার সেটাপ করা অনেকটা ক্যাবল ইন্টারনেট সেটাপের মতোই। এটা সংশ্লিষ্ট ম্যানুয়াল দেখে সহজেই আপনি করে নিতে পারবেন। সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
গুগল ক্রোমের সমস্যা
আপনার ক্রোমে যদি কোনো থার্ড পার্টি এড অন ইন্সতল করা থাকে তাহলে তা মুছে ফেলুন। ব্রাউজারের হিস্টরি এবং কুকিস মুছেও দেখতে পারেন। এতেও কাজ না হলে ক্রোমের নতুন এবং সর্বশেষ ভার্সন ব্যবহার করুন। ক্রোম সাধারণত প্রতি সপ্তাহেই নতুন নতুন ভার্সন বের করে।
সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট
সিডি ড্রাইভের সমস্যা
যদি সিডি ড্রাইভটি সাটা হয় তাহলে তার পোর্ট পরিবর্তন করে দেখুন। আর সিডি ড্রাইভ বেশি পুরাতন হলে তার হেড পরিস্কার করাটা জরুরি। সমস্যার ধরণ: হার্ডডিস্ক, সিডি রম, RAM
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ শনাক্তের উপায়
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সম্পর্কে ধারণা পেতে হলে আগে আপনাকে কেসিং খুলেতে হবে। এজন্য কেসিং এর পেছনের দুইটি স্ক্রু খুলে ভেতরে তাকান।
    • মূল যে বড় সার্কিট বোর্ডটি দেখছেন তাই মাদারবোর্ড। আর পাওয়ার সাপ্লাই থাকে কেসিং এর উপরে পেছন দিকে। পাওয়ার সাপ্লাই থেকে অনেকগুলো লাল, হলুদ, কালো বা নীল তার বের হয়ে আসে। এর কিছু সংযুক্ত মাদারবোর্ডে আর কিছু সরাসরি অন্য হার্ডওয়্যারে যেমন- সিডি ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, হার্ডডিস্ক।
    • মাদারবোর্ডে প্রসেসর কোনটি তা বুঝতে এর কুলিং ফ্যান খুঁজে বের করুন। সাধারণত এটি মাদারবোর্ডের উপরে কিছুটা বামে থাকে। প্রসেসর ফ্যানের জন্য সরাসরি দেখা সম্ভব নয়।
    • র‌্যাম সাধারণ প্রসেসরের ডানপাশে থাকে। মডেলভেদে ২-৪টি স্লট,লম্বাকৃতির।
    • সাউন্ডকার্ড কোনটি বুঝতে হলে খুঁজে বের করুন স্পিকারের ইনপুট জ্যাক কোথায় লাগে সেই ডিভাইসটি।
    • একইভাবে মনিটরের ক্যাবল দিয়ে জানতে পারবেন কোনটি আপনার গ্রাফিক্স কার্ড।
    • একই উপায়ে মডেম (টেলিফোনের তার), ল্যান কার্ড (ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের তার) খুঁজে বের করতে পারবেন আপনি।
    • চিকন চিকন লাল, হলুদ, কাল বা নীল তারগুলো পাওয়ার ক্যাবল। সাদা বা লাল চওড়া ক্যাবলগুলো ডাটা ক্যাবল।
    • সাধারণ একটি পিসিতে কেসিং-এর পেছনে পাওয়ার কর্ড, মনিটর কর্ড,মাউস ও কী-বোর্ড, স্পিকার ইনপুট এগুলো প্রাথমিক অনুসঙ্গ যা সব পিসিতেই আছে।

      বিভিন্ন ক্যাবল আলাদা রকমের হওয়াতে সবচেয়ে বড় সুবিধা এক ধরনের কানেকশন আপনি ভুল করে চাইলেও অন্যটিতে লাগাতে পারবেন না।

    সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার।
মনিটরে ছবি আসে না
যদি মনিটরে কোনো ডিসপ্লে না আসে এবং এর লেড লাইট জ্বলে নিভে তখন বুঝতে হবে গ্রাফিক্স/ভিডিও কার্ডে কোনো সমস্যা বা মনিটরের ক্যাবল কানেকশন লুজ হয়ে গেছে। কানেকশন চেক করুন। অনেকসময় র‍্যামের স্লট পরিবর্তন করলেও এই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়।বায়োস সেটিংস রিসেট করেও দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
গ্রাফিক্স কার্ডের সমস্যা বোঝার উপায় কি?

যদি মনিটর ও পিসির পাওয়ার সুইচ অন করার পর তিনটি শর্ট বীপ শুনতে পান তাহলে বুঝতে হবে গ্রাফিক্স কার্ডে সমস্যা। আপনার গ্রাফিক্স কার্ডটি খুলে অন্য পিসিতে লাগিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন এটি ঠিক আছে কিনা। আর যদি বিল্টইন গ্রাফিক্স হয় তাহলে আলাদা গ্রাফিক্স কার্ড এজিপি স্লটে লাগিয়ে টেস্ট করতে পারেন।ইন্টিগ্রেটেড এজিপির সমস্যা সমাধানে বায়োস সেটিংস রিসেট করে দেখতে পারেন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
মনিটর ঝাপসা বা ছবি কাঁপলে কি করতে পারি?
যদি মনিটর ঝাপসা মনে হয় বা এটি কাঁপতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে মনিটর ও গ্রাফিক্স কার্ডের রিফ্রেশ রেটে অসামঞ্জস্য আছে। যদি উইন্ডোজ লোড হওয়াকালীন এই সমস্যা হয় তাহলে বুঝবেন মনিটরের রিফ্রেশ রেট ভুলভাবে সেটিংস করা হয়েছে। এমতাবস্থায় সিস্টেম বুট হবার পর যখন Starting Windows মেসেজটি দেখবেন তখনই কী-বোর্ডের এফ৮ চেপেসেফ মোডে উইন্ডোজ চালু করুন। এর গ্রাফিক্স/ডিসপ্লে প্রোপার্টিজে গিয়েরিফ্রেশ রেট ঠিক করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন-এর সমাধান কি?
আমাদের সমাধান: যদি মনিটরে অস্পষ্ট কালার ও প্যাটার্ন দেখা যায় এবং চালু করতে গেলে মনিটর কাঁপতে থাকে বা চালুই হয় না তখন বুঝতে হবে একহয় আপনার ডাইরেক্ট এক্স পুরাতন অথবা গ্রাফিক্স কার্ডের লেটেস্ট ড্রাইভার নেই। তাই সবসময় লেটেস্ট ডাইরেক্ট এক্স ব্যবহার করবেন ও গ্রাফিক্স কার্ড ড্রাইভার আপডেটেড রাখবেন। এরপরও সমস্যা থাকলে বুঝতে হবে আপনার ভিডিও কার্ড ও উইন্ডোজের মধ্যে কম্পাটিবিলিটিতে সমস্যাআছে। এমতাবস্থায় অভিজ্ঞ কাউকে দেখান অথবা বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
সিডি ড্রাইভ থেকে সিডি ঠিকমতো বের হয় না
আমাদের সমাধান: সিডি যদি ড্রাইভের Eject বাটন চাপার পরও বের না হয় তখন বুঝতে হবে সিডিটি এখনও রান করছে। তাই অপেক্ষা করুন। তবে নিয়মিত এই সমস্যাটি হলে বুঝতে হবে সিডি ড্রাইভের মেকানিজমে সমস্যা। বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করুন। সমস্যার ধরণ: অন্যান্য হার্ডওয়্যার
প্রসেসর থার্মাল ট্রিপ ওয়ার্নিং
আপনার পিসির প্রসেসরের ফ্যানে খুব বেশি ধুলো জমে গেলে তা পরিস্কার করুন। তাতেই কাজ না হলে হিট সিংক পেস্ট নতুন করে লাগান। আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। সবার আগে প্রসেসরের ফ্যান শক্তভাবে প্রসেসরের উপর লাগানো আছে কিনা তা দেখে নিন। সমস্যার ধরণ: মাদারবোর্ড, প্রসেসর
পিসি টু পিসি কথা বলার সহজ উপায় কি?
আমাদের সমাধান: আপনিতো খুব সহজেই গুগল,ইয়াহু এবং স্কাইপে ব্যবহার করেই ভয়েস চ্যাট করতে পারেন নেটে। পিসি-পিসি কথা বলার জন্য এর চেয়ে সহজ কিছু হতে পারে না। মেসেঞ্জারের ভেতর অপশন থেকেই খুব সহজেই মাইক্রোফোন সেট করে নিতে পারেন। এর জন্য ওয়েবক্যামের কোনো প্রয়োজন নেই। সমস্যার ধরণ: ইন্টারনেট

আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন

রিভ অ্যান্টিভাইরাস সাইবার কণিকা ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস কি নিরাপত্তা দিতে পারে?

‘ফ্রি’ শব্দটি শুনতে অনেক আকর্ষণীয় হলেও ফ্রি জিনিস অনেক সময়ই কোনো কাজে আসে না। অফ কিংবা অনলাইনে তথ্য ও গোপনীয়তা নিশ্চিত ও ডিভাইসের সুরক্ষায় অ্যান্টিভাইরাসের কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু তাই বলে কি পিসিতে বা মোবাইলে যেনতেন একটি অ্যান্টিভাইরাস ইনস্টল করা থাকলেই হবে, নাকি উন্নত সুরক্ষা পেতে কোনো মানদণ্ড অনুসরণ করতে হবে?
বাজারে গেলে কিংবা গুগল করলেই দেখবেন শত শত অ্যান্টিভাইরাস। এর এই সুবিধা তো অন্যটাতে আবার নানা উপহারসামগ্রী ফ্রি! সব যাচাই করে দেখতে গেলেও মাথা ঘুরে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। কেননা, প্রচলিত পণ্যের বেশিরভাগই ওই ফ্রি প্রোডাক্ট।
বিনামূল্যে পাওয়া এসব নিরাপত্তা পণ্যের সবচেয়ে বড় সমস্যা এই যে, মূলত যে উদ্দেশ্যে কেউ তা ব্যবহার করতে চান, অর্থাৎ ডিভাইস ও তথ্যের নিরাপত্তা—তা নিশ্চিত করতে পারে না। এসব ফ্রিওয়্যার ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার ধরতে না পারার কারণ, এসবের কোনোটিতে আধুনিক ডিটেকশন টেকনোলজি যুক্ত করা হয়নি।
চাকচিক্য থাকলেও বিনামূল্যে পাওয়া এসব নিরাপত্তা প্রোগ্রাম রুটকিট, স্পাইওয়্যার বা হ্যাকারদের আক্রমণ ঠেকাতে পারে না। এ ছাড়া নিত্যনতুন সংক্রামিত কম্পিউটার ভাইরাস ও কি-লগারসহ বিভিন্ন অনলাইন হুমকি ঠেকাতে চাই উন্নত স্ক্যান ইঞ্জিন, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ইত্যাদি আধুনিক নিরাপত্তা সেবা।
শুধু তাই নয়, একজন ব্যবহারকারী হিসেবে দিন-রাত যেকোনো সময় কারিগরি যেকোনো সমস্যা বা ব্যবহারবিধি-বিষয়ক যেকোনো জিজ্ঞাসা মেটাতেও এসব ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের কোনো সহায়ক সেবা নেই।
সার্বিক দিক বিবেচনায় কেবল নিজের একার নিরাপত্তাই নয়, যেহেতু ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও জড়িত, তাই দেখে-শুনে যাচাই করে প্রিমিয়াম অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করা উচিত।
কম্পিউটার ও স্মার্ট ডিভাইসের নিরাপত্তায় ব্যবহার করুন রিভ অ্যান্টিভাইরাস। এর টার্বো স্ক্যান প্রযুক্তি পিসি স্লো না করেই নিশ্চিত করে সম্পূর্ণ সুরক্ষা। ফ্রি মোবাইল সিকিউরিটি অ্যাপসহ একক ডিভাইসের পাশাপাশি রিভ অ্যান্টিভাইরাসে রয়েছে দুই বা ততোধিক ডিভাইসে ব্যবহারসহ নজরদারির জন্য অ্যাডভান্সড প্যারেন্টাল কন্ট্রোল। ঘরে কিংবা অফিসে বসেই ক্যাশ অন ডেলিভারিতে রিভ অ্যান্টিভাইরাস ক্রয় করতে ভিজিট করুন www.reveantivirus.comঅথবা কল করুন 01847214959 নম্বরে।


আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন

কম্পিউটার প্রব্লেম- ও সমাধান

কম্পিউটার প্রব্লেম- ও সমাধান পিসি বারবার রিস্টার্ট নিলে করনীয়- DETAILS কম্পিউটারের জরুরী কোন কাজ করার সময় যদি কম্পিউটার রিস্টার্ট নেয় তাহলে বিরক্তির শেষ থাকে না। আবার বারবার পিসি রিস্টার্ট নিলে পিসিতে কাজ করাও সম্ভব হয় না।  এর ফলে জরুরী ফাইল নষ্ট হয়েও যেতে পারে। বারবার পিসি রিস্টার্ট নেবার কারন না জানার চেষ্টা করে কিংবা সমস্যার সমাধান না করে জোর করে পিসি অন রাখার চেষ্টা করলে হার্ডওয়্যার পুড়ে যাওয়া সহ অনেক বড় ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে।

 নিচে কিছু সম্ভাব্য সমস্যা ও সমস্যার সমাধান সম্পর্কে আলোচনা করা হলো।

 কুলিং সিস্টেমে সমস্যা : প্রসেসরের কুলিং সিস্টেম যদি কাজ না করে কিংবা প্রসেসর প্রয়োজনমত ঠান্ডা না হয়ে ওভারহীট হলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । সেক্ষেত্রে কুলিং সিস্টেমটি পরিবর্তন করতে হবে।

 পাওয়ার সিস্টেমে সমস্যা : পাওয়ার সিস্টেম হতে মেইনবোর্ড প্রয়োজনী পাওয়ার বা বিদ্যুৎ না পেলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে আপনার পিসির পাওয়ার সিস্টেমটি পরিবর্তন করে দেখুন।

 অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা: অপারেটিং সিস্টেমে সমস্যা দেখা দিলে বা অপারেটিং সিস্টেম ক্র্যাশ করলে পিসি রিস্টার্ট নেয় । এক্ষেত্রে মাই My Computer-এ ডান ক্লীক করে properties থেকে Advanced tab /Start up and Recovery /Settings অপশনে যেয়ে System Failure অপশনের অর্ন্তগত  Automatically Restart  অপশন থেকে টিক চিহ্ণ উঠিয়ে ok  করুন। 

ভাইরাসের আক্রমন : ভাইরাসের কারনেও পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য পিসিতে একটি ভালো মানের এ্যন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন এবং ব্যবহৃত এ্যন্টিভাইরাসটি সবসময় আপডেটেড রাখুন।

 হার্ডওয়্যার সমস্যা : নতুন কোন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করলে এবং সেটি পিসির সাথে অসামাঞ্জস্য হলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । পুরোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে ক্রুটি দেখা দিলে পিসি অহেতুক রিস্টার্ট নিতে পারে । এজন্য হার্ডওয়্যারের সংযোগ স্থান এবং হার্ডওয়্যার চেক করে দেখুন ঠিক আছে কি না ।

 নতুন প্রোগ্রাম ইনস্টল : নতুন সফটওয়্যার, গেমস ইনস্টল করার কারনে পিসি রিস্টার্ট নেয় । পিসির কনফিগারেশনের সাথে যদি সফটওয়্যার বা গেমস সাম্যঞ্জস্যপূর্ন না হয় তাহলেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই প্রোগ্রাম ইনস্টল করার সময় ভালকরে দেখে  নিন ঐ প্রোগ্রাম চালনার জন্য পিসির কি কনফিগার প্রয়োজন । 

হার্ডডিস্কের ব্যাড সেক্টর : হার্ডডিস্কে ব্যাড সেক্টর থাকলে পিসি রিস্টার্ট নিতে পারে । ব্যাড সেক্টরের  কারনে হার্ডডিস্ক ডাটা রিড করতে পারে না। এর ফলে পিসি হ্যাং  অথবা রিস্টার্ট হতে পারে । এজন্য হার্ডডিস্ক ইউটিলিটি দিয়ে ব্যাড সেক্টর জনীত সমস্যা দূর  করতে পারেন। মাদারবোর্ডে সমস্যা : যদি এর পরও পিসি রিস্টার্ট নিতে থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার পিসির মেইনবোর্ডে কোন সমস্যা আছে। সেক্ষেত্রে দ্রুত আপনার পিসির মাদারবোর্ডটি পরিবর্তন করুন।      

  কম্পিউটারের বুট আপ টাইম আরও ফাস্ট করুন। Details কিছু কিছু সমস্যার জন্য কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় না। অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার চালু হতে ২০ মিনিট সময় লেগে যায় কিন্তু এই সময়টা লাগার কথা সর্ব্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ড। এখানে আমরা দেখব কিভাবে আপনার কম্পিউটারের বুট আপ টাইম কমানো যায়। স্টেপ- ১. স্টার্টআপ প্রোগ্রাম কম রাখুন- কম্পিউটারে যে কোন প্রোগ্রাম ইন্সটল করলে তার ম্যাক্সিমামই কম্পিউটার অন হবার সময় চালু হয়ে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, এতে যেমন বুট আপ টাইম বেশি লাগে তেমনই কম্পিউটারও স্লো কাজ করে। নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম কম্পিউটার বুট আপ টাইমে চালুন হওয়া বন্ধ রাখতে পারেন। কম্পিউটার চালু হবার পর প্রয়োজন হলে ঐ প্রোগ্রামে ডাবল ক্লিক করে আবার চালু করে কাজ করতে পারেন। অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম রান বন্ধ করতে – ১. Start - Run ২. msconfig লিখে  Enter প্রেস করুন

। ৩. system configuration utility প্রোগ্রাম চালু হবে। এখানে services অথবা startup ট্যাবে ক্লিক করুন এবং আপনি যে প্রোগামগুলো দীর্ঘসময় ব্যবহার করেনি বা কম ব্যবহার করেন সেগুলোর টিক চিহ্ন তুলে দিন।
 ৪. OK প্রেস করুন। স্টেপ- ২. হার্ডড্রাইভ অরগানাইজ করুন- কম্পিউটারে বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে করতে এর ফাইলগুলো ডিজঅরগানাইজ হয়ে পড়ে। তাই প্রাইয় অন্ততঃ সপ্তাহে একবার আপনার হার্ডড্রাইভ রিঅরগানাইজ করা প্রয়োজন। রিঅরগানাইজ করার জন্য আপনার আলাদা কোন সফটওয়্যারের প্রয়োজন নেই। উইন্ডোজের Defragment প্রোগ্রাম ব্যবহার করে খুব সহজেই আপনি আপনার পিসির হার্ডড্রাইভ রিঅরগানাইজ করতে পারেন। 
১. My Computer এর C: drive এ রাইট ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।
 ২. Properties এর “Tools” ট্যাবে ক্লিক করুন।
 ৩. Defragment Now  ক্লিক করুন।
  ৪. Disk Defragmenter প্রোগাম চালূ হবে।
  ৫. এখানে প্রথমে C: drive সিলেক্ট করুন এবংDefragment ট্যাবে ক্লিক করুন। 
 ৬. C: drive এরDefragmentসম্পন্ন হলে এভাবে প্রত্যেক ড্রাইভDefragment করুন।
 স্টেপ- ৩. স্টার্টআপ ডিলে সময় কমান- কম্পিউটার দ্রুত চালু করার জন্য বুটি ডিলে টাইম ০ করে দিন। কম্পিউটারের ডিফল্ট ডিলে টাইম ৩০ সেকেন্ড,
 নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করে আপনার কম্পিউটারের ডিফল্ট ডিলে টাইম কমিয়ে দিন- ১. Start - Run ২. msconfig লিখে  Enter প্রেস করুন। ৩. system configuration utility প্রোগ্রাম চালু হবে। এখানে boot.ini  ট্যাবে ক্লিক করুন এবং Time Out এর পাশের বক্সে ৩০ এর জায়গায় ৫ অথবা ০ দিন।   ৪. OK প্রেস করুন। 

    কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখার কিছু উপায়- Details ১. কম্পিউটারে একটি ভালো মানের এন্টিভাইরাস ইন্সটল করে রাখুন এবং ইন্টারনেট থেকে আপডেট করুন। এবং প্রতিদিন এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কান করুন। এতে একটু সময় নষ্ট হবে কিন্তু কিম্পিউটারটি ভাইরাস মুক্ত রাখা সম্ভব হবে।

 ২. পেন ড্রাইভ, মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরার মেমরি কার্ড কম্পিউটারে ভাইরাস আসার একটি ভালো মাধ্যম। তাই পেন ড্রাইভ ব্যবহারের পূর্বে অবশ্যই এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কান করুন।
 ৩. কখনো পেন ড্রাইভ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করবেন না। My Computer-এ গিয়ে অ্যাড্রেস বার (Address Bar) থেকে খুলবেন ৪. পেন ড্রাইভ-এ কি কি ফাইল রাখছেন- মনে রাখার চেষ্টা করুন। আপনার রাখা ফাইল ছাড়া অন্য ফাইল থাকলে সেটি ভাইরাস হবার সম্ভাবনা থাকে, সেকারনে অন্য ফাইলগুলি সবসময় মুছে ফেলুন।
 ৫. কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত রাখতে ভাইরাস সম্পর্কে আরও জানুন এবং ভাইরাসকে চেনার চেষ্টা করুন্।
 ৬. আপনার কম্পিউটারে ইন্টানেট কানেকশন না থাকলে প্রতি সপ্তাহে একবার এন্টিভাইরাস আপডেট ক্রয় করে আপনার কম্পিউটারে ইন্সটল করুন।
 ৭. কম্পিউটারের যে ফাইলটি আপনি চেনেন না কিংবা ফাইলটি কি তা যদি না বুঝতে পারেন, তাহলে কখনো ফাইলটিতে ক্লিক করবেন না।
 ৮. অপরিচিত কারো ইমেইল খুলবেন না। বর্তমানে সবচেয়ে শক্তিশালী ভাইরাসগুলি ইমেইলের মাধ্যমে কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ছে।
 ৯. ইন্টারনেট থেকে কোন প্রোগ্রাম/ফাইল/ভিডিও ডাউনলোড করলে, আগে নিশ্চিত হন যে ভাইরাস নয়। তারপর ইন্সটল করুন।
 ১০. কম্পিউটারে ব্যবহৃত সকল প্রোগ্রাম/ফাইল/ভিডিও এর এক্সটেনশন (.doc, .docx, .mp3, .amr, .avi, .mp4, .3gp etc.) সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখুন। 
১১. ফ্ল্যাশ ড্রাইভের অটোরান ভাইরাস থেকে মুক্তির উপায় অটোরান (autorun.inf) আসলে কোন প্রকার ভাইরাস নয়। এটি ফ্ল্যাশড্রাইভের যে কোন ধরনের ফাইল বা ভাইরাসকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু করে থাকে। কিছু কিছু ভাইরাস নিজেরাই autrun.inf তৈরি করে থাকে। ফলে ফ্ল্যাশ ড্রাইভের আইকনে ডাবল ক্লিক করলেই নির্দিষ্ট ফাইল বা ভাইরাস স্বয়ংক্রিয় ভাবে কম্পিউটারে চালু হবে। তবে কম্পিউটাররের অটোরান সিস্টেম ডিজ্যাবল করা থাকলে ফ্ল্যাশড্রাইভের ভাইরাস কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হতে পারবে না। পেনড্রাইভের মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর হার বেশি থাকে। তাই ফ্ল্যাশড্রাইভ বা পেনড্রাউভের ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইলে কম্পিউটারে অটোরান সিস্টেম বন্ধ করতে হবে।

 এজন্য- 1. প্রথমে Start>Settings/Control Panel>Administrative Tools-এ ডাবল ক্লিক করম্নন। পর্দায় একটি উইন্ডো আসবে।
 2. উক্ত উইন্ডোর Service-এ ডাবল ক্লিক করে ওপেন করম্নন। পর্দায় Service উইন্ডো আসবে।
 3. এবার Service উইন্ডোর ডান পাশ থেকে Shell Hardware Detection-এ ডাবল ক্লিক করম্নন। পর্দায় Shell Hardware Detection Properties ডায়ালগ বক্স আসবে।
 4. উক্ত ডায়ালগ বক্সের General ট্যাবে ক্লিক করে Startup types: অপশন ঘরে Disabled সিলেক্ট করে Apply এবং OK করম্নন।
 বি:দ্র: Shell Hardware Detection Service টি বন্ধ করে রাখতে পারেন। এর ফলে CD-ROMS/DVD ROMS বা ফ্ল্যাশড্রাইভ বা পেনড্রাইভের কোন AutoPlay Option কাজ করবে না এবং পিসিতে ভাইরাস আক্রমণ করার সুযোগও থাকবে না।
 5. এরপর কম্পিউটার একবার রিস্টার্ট করম্নন। এখন থেকে কম্পিউটারে কোন ফ্ল্যাশড্রাউ বা পেনড্রাইভ অটোরান করতে পারবে না।
 নোট: একটি বিষয় লক্ষ রাখা উচিত, কোন External Drive কম্পিউটারে ঢুকানোর পর সেটা ওপেন করতে মাউসের ডাবল ক্লিক না করে ডান বাটন ক্লিক করে Open করা উচিত। এতে ঐ ফোল্ডারে কোনো ভাইরাস থাকলে তা আর ইনস্টল হবে না।
 ১২. নিজে নিজে ভাইরাস মুছে ফেলা ভাইরাসের মধ্যে new folder.exe ভাইরাসের সংগে পরিচয় অনেকেরই আছে, যেটা তৈরি হয় মূলত autorun.inf ফাইল থেকে।
 এ ভাইরাস মুছতে প্রথমেই- 1. Start মেনু থেকে Search-এ গিয়ে autorun.inf লিখে Search করুন।
 2. এখন যে ফাইলগুলো আসবে, তা এক এক করে রাইট ক্লিক করে Properties-এ গিয়ে read only option-টি un-check করুন।
 3. এবার ফাইলটি নোটপেড দিয়ে Open করে Ctrl+A চেপে ফাইলে থাকা সব ডেটা ডিলিট করে দিন এবং সেইভ করে বেরিয়ে আসুন।
 4. এরপর Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে msconfig লিখে OK করুন।
 5. এবার Startup tab-এ যান, regsvr থাকলে un-check করুন এবং Exit without Restart করে বেরিয়ে আসুন।
 6. এবার Control panel>Scheduled tasks-এ গিয়ে এখানকার সব task ডিলিট করুন।
 7. পুনরায় Start>Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে OK করুন।
 8. এরপর UsersConfiguration>AdministrativeTemplates >System-এ যান এবং Prevent access to registry editing tools-এ গিয়ে disable করে দিন।
 9. আবার Start>Run-এ গিয়ে regedit লিখে OK করুন। এবার to edit>find-এ গিয়ে regsvr.exe লিখে Search করুন এবং regsvr.exe-এর সব ধরনের occurrence ডিলিট করুন। এ ক্ষেত্রে সাবধান? যেন কোনো system file ডিলিট না হয়ে যায়। যেমন- regsvr32.exe ডিলিট করা যাবে না। শুধু regsvr.exe থাকলে তা ডিলিট করে দিবেন। 
10. আবার Start>Search>all files and folders-এ যান এবং *.exe লিখুন এবং এরপর when was it modified-এ ক্লিক করে specify date সিলেক্ট করুন। যে তারিখের মধ্যে ভাইরাস আসছে বলে মনে হয়, ঐ তারিখ লিখে Search করুন। তারিখ এমনভাবে লিখুন, যে তারিখের মধ্যে শুধু ভাইরাস এসেছে কিন্তু অন্য কোনো Software install করেন নাই বলে মনে হয়।
 11. এবার Search শেষ হলে সব .exe ফাইল সিলেক্ট করে Shift+ Delete দিয়ে ডিলিট করুন।
 12. একইভাবে regsvr.exe, svchost.exe লিখে search করুন এবং ডিলিট করুন।
 13. সব শেষে কম্পিউটার পুনরায় রিস্টার্ট করুন এবং উপভোগ করুন ভাইরাসমুক্ত পিসি। এভাবে অন্যান্য ভাইরাস ডিলিট করা যায়।


 ১৩. নিজেই এন্টিভাইরাস তৈরি করুন-
 1. ডেস্কটপে MyAntivirus নামে একটি ফাইল তৈরি করুন, যার এক্সটেনশন থাকবে .bat অর্থাৎ আপনার পুরো ফাইলটির নাম হবে MyAntivirus.bat.
 2. এবার ফাইলে রাইট ক্লিক করে edit option সিলেক্ট করুন। এবার লিখুন: cd X: cd\ del *.exe/ah/s/q/f del *.inf/ah/s/q/f del ‘‘New Folder.exe’’/s/q/f del *.bat/ah/s/f/q del *.cmd/ah/s/q/f explorer X: বি: দ্র: এখানে X হলো আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করালে যে ডিরেক্টরিতে পাওয়া যায় সেটি যেমন- I কিংবা J 
3. এবার ফাইলটি Save করে রাখুন।
 4. আপনি যখনই আপনার পিসিতে পেনড্রাইভ প্রবেশ করবেন, তখনই পেনড্রাইভ ক্লিক করে Open না করে বরং এ File ডাবল ক্লক করম্নন। দেখবেন পেনড্রাইভ Open হয়েছে কিন্তু কোন ভাইরাস নেই। মনে রাখবেন পেনড্রাইভে যাতে কোনো হিডেন *.exe ফাইল না থাকে।

 ১৪. পেনড্রাইভে একামত্ম প্রয়োজনীয় ফাইলগুলো রাখার চেষ্টা করম্নন।

 ১৫.  ফোল্ডারের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করার ( সেটিংস ) সময় ‘শো হিডেন ফাইলস অ্যান্ড ফোল্ডারস‘ অবস্থায় রাখুন। এতে কিছু ভাইরাস পেনড্রাইভে হিডেন অবস্থায় দেখতে পাবেন এবং এগুলো মুছে ফেলুন। 

১৬. প্রয়োজনীয় ফাইল হার্ডডিস্ক ড্রাইভে সরিয়ে রেখে পেনড্রাইভ মাঝেমধ্যে ফরম্যাট করে নিন।

 ১৭.  পেনড্রাইভের মাধ্যমে অযাচিত কিছু চালক ফাইল (*.exe) কম্পিউটারে ঢুকে পড়ে। এসবের মধ্যে 2u.exe-সহ আরও বেশ কিছু ফাইল ভাইরাস বহন করে। কিছু আছে, যা কিবোর্ড ও মাউসকে অকার্যকর করে দেয়। এই ফাইলগুলো অটোরানের মাধ্যমে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এসব ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে হলে-
 1. Start মেনু থেকে Run-এ গিয়ে gpedit.msc লিখে এন্টার করুন। এবার Group Policy উইন্ডো আসবে, ওখান থেকে ইউজার কনফিগারেশনে (User Configuration) + চাপুন।
 2. এবার Administrative Templates এবং System-এ ক্লিক করুন।
 3. এরপর ডান পাশে Turn off Auto play-তে দুই ক্লিক করুন এবং এটা সব ড্রাইভের জন্য Enabled করে Apply এবং OK করুন। 


  কিভাবে ল্যাপটপ পরিষ্কার রাখবেন?

 Details ল্যাপটপ পরিস্কার রাখা খুব সহজ।

 শুধুমাত্র কিছু সাধারণ ক্লিনিং ম্যাটারিয়াল আর আপনার মনোযোগ থাকলেই আপনি আপনার ল্যাপটপটি নিজেই পরিস্কার রাখতে পারবেন। এই কাজটি বছরে অন্তত ১ বার অথবা প্রয়োজন হলেই করা উচিত। আর যদি আপনি আপনার ল্যাপটপটি নিয়মিত পরিস্কার রাখতে না পারেন তাহলে ল্যাপটপের পরফরমেন্স কমে যাবে, কাজ করতে করতে হ্যাং করবে, রিস্টার্ট নিবে এবং ল্যাপটপটি শাট ডাউনও হয়ে যেতে পারে। এছাড়া খুব তাড়াতাড়িই ল্যাপটপের ডিসপ্রে, র‌্যাম, কীবোর্ড, টাচপ্যাড, ডিভিডি র‌্যাম নষ্ট হয়ে যেতে পরে। 

 ল্যাপটপের সাধারণ যন্ত্রাংশ ৫টি- (১) কেসিং, (২) এল.সি.ডি স্ক্রীন, (৩) কীবোর্ড ও টাচ প্যাড, (৪) পোর্টস এবং (৫) কুলিং ভেন্টস। ল্যাপটপ ক্লিনিং করতে আপনার – (১) কটন ক্লথ, (২) ডিসটিল ওয়াটার, (৩) ১ ক্যান কমপ্রেস্ড এয়ার, (৩) আইসো প্রোপাইল এ্যালকোহোল প্রয়োজন হবে। তবে মনে রাখবেন- পেপার টাওয়েল, ফেসিয়াল টিস্যু ও ট্যাপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
 ক্লিনিং শুরু করার পূর্বে অবশ্যই ল্যাপটপের পাওয়ার খুলে রাখূন এবং ব্যাটারীটিও খুলে ফেলুন। পানি এবং এ্যালকোহোল ১:১ অনুপাতে মিশিয়ে একটি সলুশন তৈরি করুন
। (১) কেসিং- কটন কাপড়টি আপনার তৈরিকৃত সলুশনে ভিজিয়ে নিয়ে ল্যাপটপের বাইরের সাইডটি মুছে ফেলুন। দেখুন ল্যাপটপটি দেখতে একেবারে ব্রান্ড নিউ লাগছে। এবার ল্যাপটপের লিডটি তুলূন এবং কীবোর্ড এর চার পাশ ভারেঅ করে খুব সাবধানে মুছে ফেলুন।
 (২) এল.সি.ডি স্ক্রীন- স্ক্রীনে কখনো সরাসরি কোন স্প্রে করবেন না। একটি নতুন ও শুকনা কটন কাপড় পূর্বের সলুশনে ভিজিয়ে কাপড়টি দিয়ে স্ক্রীনটি বাম থেকে ডানে এবং উপর থেকে নিচের দিকে খুব সফটলী মুছুন
। (৩) কীবোর্ড ও টাচ প্যাড কীবোর্ডের উপর কমপ্রেস্ড এয়ার স্প্রে করুন এবং খুব সাবধানে আ্ঙ্গুল দিয়ে পরিস্কার করুন। আর বেশি নোংরা হলে প্রত্যেক কী খুলে পরিস্কার করুন। তবে পরিস্কার করা পর অবশ্যই ঠিক ঠিক জায় গায় ঠিক ঠিক কী লাগান। যদি আপনার কীবোরাডটি ওয়াটারপ্রুফ হয়, তাহলে ডিসটিল ওয়াটার দিয়ে ধুয়ে ফেলে শুকিয়ে ফেলুন। শেষে একটি পরিস্কার কটন কাপড় দিয়ে কীবোর্ড ও টাচ প্যাডটি ভালোভাবে মুছে ফেলুন।
 (৪) পোর্টস পোর্টস ক্লিন করার জন্য কমপ্রেস্ড এয়ারের ক্যানিটি ব্যবহার করুন।
 (৫) কুলিং ভেন্টস কুলিং ভেন্টস ক্লিন করার জন্য ও কমপ্রেস্ড এয়ারের ক্যানিটি ব্যবহার করুন। সরাসরি স্প্রে না করে একটু কৌনিক ভাবে স্প্রে করুন। টুথ পিক ব্যবহার করে খুব সাবধানে ফানের ব্লেডগুলো পরিস্কার করুন। ল্যাপটপটির পাওয়ার অন করার পূর্বে নিশ্চিত হন যে, ল্যাপটপটি খুব ভারেঅ ভাবে শুকানো হয়েছে।           হার্ডডিস্ক সম্পর্কে জানুন Details কম্পিউটারের প্রতিটা ডিভাইসই সমান গুরুত্বপূর্ণ ও সমান ঝুঁকিপূর্ণ। এরপরও হার্ডডিস্ক অন্য ডিভাইসের চেয়ে অনেক বেশী ঝুঁকিপূর্ণ কারণ এতে রক্ষিত তথ্য যেকোন মুহূর্তেই মুছে যেতে পারে। হার্ডডিক্সের পাওয়ার বা ডেটা ক্যাবেলের সংযোগ ভালোভাবে না থাকলে হার্ডডিক্সে পর্যাপ্ত বিদ্যুত প্রবাহে বাধা সৃ্ষ্টি হবে আর পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ না থাকায় প্লেটারে ডাটা রিড রাইটে সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে সেখানে ব্যাড সেক্টর দেখা দেয়। হার্ডডিস্কে দুই ধরণের সমস্যা হয় – লজিকাল আর ফিজিকাল। লজিকাল সমস্যা হল ব্যাড সেক্টর পড়ে যাওয়া। ডিস্কে অতিরিক্ত ডাটা রাখলে বা ডিস্কের বেশি জায়গা অব্যবহৃত থাকলে সেখানকার সেক্টরে সমস্যা হতে পারে। এটা লজিকাল সমস্যা, অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়্যারের সাহায্যে রিপেয়ার করা যায়। ফিজিকাল সমস্যা হল হেড বেঁকে যাওয়া, প্লেটারের ট্র্যাক নষ্ট হয়ে যাওয়া, অ্যাকচুয়েটরে সমস্যা ইত্যাদি। এই সমস্যা সফটওয়্যার দিয়ে রিপেয়ার করা যায়না। এক্ষেত্রে প্লেটার বদলে অথবা লজিক বোর্ড চেঞ্জ করে তথ্য উদ্ধার করা যায়। হার্ডডিস্ক ভালো রাখার কিছু টিপস প্রতি পার্টিশনে অন্তত ২০% ফাকা জায়গা রাখুন। নিয়মিত ডিফ্র্যাগ করুন। সপ্তাহে একবার বুট টাইম ডিফ্র্যাগ করুন। অর্থাৎ পেজফাইল, হিবারফিল ইত্যাদি সহ  সিস্টেম ফাইল ডিফ্র্যাগ করুন। হার্ডডিস্ক এর তাপমাত্রা মনিটর করুন। দরকার হলে ক্রিটিকাল তাপমাত্রা সেট করে দিন যেন বেশি গরম হয়ে গেলে আপনি নোটিফিকেশান পান। হার্ডডিস্ককে ধুলাবালি থেকে ১০০ গজ দূরে রাখুন। মনে রাখবেন ছোট্ট একটা কণা যা আপনার মাথার চুলের দশভাগের একভাগ সেটা আপনার ডিস্ক হেডকে নষ্ট করে দিতে পারে। ইউপিএস ব্যবহার করুন। ব্যাকআপের জন্য রেইড বানিয়ে ফেলুন। ছয়মাস বা একবছর পর পর সুযোগ পেলে হার্ডডিস্ক এর সকল ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে ডিস্ক লো লেভেল ফরম্যাট করে নিন। এতে ব্যাড সেক্টর সহ কোন সমস্যা থাকলে তা দূর হয়ে যাবে। উইন্ডোজ এর ইনডেক্সিং বন্ধ করে দিন। ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে উইন্ডোজ হার্ডডিস্ক এর সকল ফাইল এর লিস্ট তৈরি করে এবং সার্চ করলে দ্রুত ফলাফল দেখায়। কিন্তু ইনডেক্স এর কারণে অযথাই ডিস্ক ঘুরতে থাকে এবং শক্তি বা ব্যাটারি ক্ষয় হয়। হার্ডডিস্ক এর এটিএ কেবল ও পাওয়ার কেবল মজবুতভাবে যুক্ত আছে কিনা দেখে নিন। এটা ঢিলা হয়ে গেলে হার্ডডিস্ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। 

আপনাদের মতামত জানাতে থাকছে লাইভ চ্যাট এর ব্যাবস্থা।সকল ধরনের প্রশ্ন করুন......